রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: পূর্ণাঙ্গ রায়ে সই বাকি, ডেথ রেফারেন্স যাচ্ছে হাইকোর্টে

ছবি- সংগৃহীত
রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে ৮ বছর বয়সী স্কুলছাত্রী রামিসা আক্তারকে ধর্ষণ ও নৃশংসভাবে হত্যার মামলায় প্রধান আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। গত রোববার (৭ জুন, ২০২৬) ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন বহুল আলোচিত এই মামলার রায় ঘোষণা করেন। মাত্র চার কার্যদিবসে এই ঐতিহাসিক বিচারকাজ সম্পন্ন হয়।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, বিচারক এখনো পূর্ণাঙ্গ রায়ে সই করেননি। আজ মঙ্গলবার (৯ জুন, ২০২৬) সই সম্পন্ন হলে মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনের জন্য ডেথ রেফারেন্সের নথি হাইকোর্টে পাঠানো হবে। ইতিমধ্যে গতকাল সোমবার আসামিদের কনডেম সেলে নেওয়া হয়েছে।
মামলার বিবরণী থেকে জানা যায়, গত ১৯ মে পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী রামিসাকে কৌশলে নিজেদের ফ্ল্যাটে নিয়ে যান স্বপ্না। পরে সোহেল রানা শিশুটিকে বাথরুমে আটকে ধর্ষণ করে এবং আলামত গোপন করতে গলা কেটে নৃশংসভাবে হত্যা করে। খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে প্রতিবেশীদের সহায়তায় আসামির ফ্ল্যাটের দরজা ভেঙে বাথরুমের বালতি থেকে রামিসার কাটা মাথা এবং মেঝে থেকে মাথাবিহীন মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
ঘটনার পর পুলিশ স্বপ্নাকে আটক করে এবং তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় প্রধান আসামি সোহেল রানাকে নারায়ণগঞ্জ থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। গত ১ জুন অভিযোগ গঠনের পর মাত্র চার কার্যদিবসে ১৬ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ ও যুক্তিতর্ক শেষে আদালত এই রায় দেন।
প্রাইমটিভি/বিএম

ডেস্ক রিপোর্ট
© 2026 প্রাইম টেলিভিশন, সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।






