২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপকে সামনে রেখে বাংলাদেশের ফুটবলপ্রেমীদের উদ্দেশে এক ব্যতিক্রমী বার্তা দিয়েছে নরওয়ে দূতাবাস। বাংলাদেশ যেহেতু বিশ্বকাপে অংশ নিচ্ছে না, তাই ফুটবলের সবচেয়ে বড় আসরে ২৮ বছর পর ফেরা নরওয়েকেই সমর্থন করার আহ্বান জানিয়েছে দেশটি।

দূতাবাসের এক বার্তায় বাংলাদেশ ও নরওয়ের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা তুলে ধরা হয়। এতে বলা হয়, স্বাধীনতার পর বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেওয়া প্রথমদিকের দেশগুলোর একটি ছিল নরওয়ে। শান্তি প্রতিষ্ঠা, আন্তর্জাতিক মধ্যস্থতা এবং জলবায়ু ইস্যুতেও দুই দেশের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

বার্তায় দুই দেশের নানা মিলের কথাও তুলে ধরা হয়। নরওয়ে দূতাবাস জানায়, বাংলাদেশ ও নরওয়ে উভয়ই নদী ও সমুদ্রঘেরা উপকূলীয় দেশ। মাছের প্রতি মানুষের ভালোবাসা থেকে শুরু করে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা, উন্নয়ন কর্মকাণ্ড এবং ক্রীড়াক্ষেত্রে ন্যায্যতা ও সমতার মূল্যবোধেও রয়েছে সাদৃশ্য।

দূতাবাস আরও উল্লেখ করে, বাংলাদেশ ভৌগোলিকভাবে ছোট হলেও বৈশ্বিক পরিসরে বড় স্বপ্ন দেখে। একইভাবে জনসংখ্যার দিক থেকে ছোট নরওয়েও বিশ্বমঞ্চে নিজেদের শক্ত অবস্থান গড়ে তুলেছে। এ ছাড়া বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম তারকা আর্লিং হালান্ডের উপস্থিতিকেও নরওয়েকে সমর্থনের একটি বড় কারণ হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে।

বার্তার শেষাংশে নরওয়ে দূতাবাস লিখেছে, “কী বলো, বাংলাদেশ? আন্ডারডগদের পাশে দাঁড়ানোর সময় এসেছে। একসঙ্গে বড় স্বপ্ন দেখার সময় হয়েছে।”

বিশ্বকাপকে ঘিরে নরওয়ের এই ব্যতিক্রমী আহ্বান ইতোমধ্যেই ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে আলোচনা তৈরি করেছে।

প্রাইমটিভি/এনজি