মানবতার সেবক মুহাম্মদ রাজের নতুন উদ্যোগ, নবীপ্রেমের ছোঁয়ায় বিশুদ্ধ জাতের বিড়াল আসছে বাংলাদেশে

ছবিঃসংগৃহীত
বিড়াল এমন একটি প্রাণী, যাকে ঘিরে মানুষের ভালোবাসার ইতিহাস বহু পুরোনো। আর সেই ভালোবাসার শিকড় ইসলামের সোনালি ইতিহাসেও গভীরভাবে প্রোথিত। এবার সেই ঐতিহ্য আর ভালোবাসাকে সঙ্গী করে বাংলাদেশের বিড়ালপ্রেমীদের জন্য নতুন এক উদ্যোগ নিয়ে এসেছেন পরিচিত মানবিক ব্যক্তিত্ব মুহাম্মদ রাজ। তাঁর এই উদ্যোগের নাম Meow Meow British Cats, যা ইতিমধ্যেই দেশজুড়ে আলোড়ন তুলেছে।
ইতিহাস বলে, আমাদের প্রিয় নবী হজরত মুহাম্মদ (সাঃ) বিড়ালকে অত্যন্ত স্নেহ করতেন। তিনি বিড়ালকে অপবিত্র মনে করতেন না। বর্ণিত আছে, যে পাত্র থেকে একটি বিড়াল পানি পান করেছিল, সেই পানি দিয়েই তিনি অজু করেছিলেন এবং বলেছিলেন, বিড়াল অপবিত্র নয়, ওরা তো মানুষের আশপাশেই ঘুরে বেড়ায়। তাঁর প্রিয় সাহাবি আবু হুরায়রা (রাঃ), যাঁর নামের অর্থ বিড়ালছানার বাবা, এই উপাধি পেয়েছিলেন বিড়ালের প্রতি গভীর মমতার কারণে। আবার এক নারীর বিড়ালকে বেঁধে রেখে কষ্ট দেওয়ার কারণে শাস্তি পাওয়ার ঘটনাও নবীজি (সাঃ) উল্লেখ করেছেন, যা প্রাণীর প্রতি দয়ার গুরুত্ব স্পষ্ট করে দেয়। এই ভালোবাসার পথ ধরেই এগিয়ে এসেছেন মুহাম্মদ রাজ।
মুহাম্মদ রাজের পরিচিতি অবশ্য কেবল একজন বিড়ালপ্রেমী হিসেবে নয়। তিনি বাংলাদেশের সুপরিচিত হাফেজ্জী চ্যারিটেবল সোসাইটি অব বাংলাদেশের মহাপরিচালক। পাশাপাশি তিনি দক্ষিণ এশিয়ার সর্ববৃহৎ মানবাধিকার সংস্থা সার্ক হিউম্যান রাইটস ফাউন্ডেশনের ডিরেক্টর অব ইন্টারন্যাশনাল হিউম্যান রাইটস হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন। দীর্ঘদিন ধরে তিনি এতিম, অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের কল্যাণে নিরলসভাবে কাজ করে আসছেন। তাঁর সেবা শুধু দেশের সীমানায় সীমাবদ্ধ নেই। যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজা থেকে শুরু করে দুর্ভিক্ষপীড়িত সুদান পর্যন্ত পৌঁছেছে তাঁর মানবিক কাজের ছোঁয়া।
এই কাজ আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও ব্যাপকভাবে প্রশংসিত হয়েছে। বিখ্যাত আল জাজিরা, ফিলিস্তিনের জাতীয় টেলিভিশন, সুদানের জাতীয় টেলিভিশন ও মিশর টাইমসসহ দেশ ও বিদেশের বহু স্বনামধন্য সংবাদমাধ্যম তাঁর মানবিক কর্মকাণ্ড নিয়ে প্রতিবেদন ও ডকুমেন্টারি প্রকাশ করেছে। মানবিক নানা বিষয়ে তাঁর অসংখ্য লেখাও বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে। গুগলে তাঁর নাম অনুসন্ধান করলেই উঠে আসে অসংখ্য মানবিক সংবাদের পাতা, যা তাঁর কাজের ব্যাপ্তিরই প্রমাণ।
মানুষের সেবার পাশাপাশি প্রাণীর প্রতিও মুহাম্মদ রাজের ভালোবাসা গভীর। জানা গেছে, তাঁর রয়েছে প্রাণী আমদানি ও রপ্তানির বৈধ এক্সপোর্ট ইমপোর্ট লাইসেন্স। তবে তিনি স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, তিনি কেবল পৃথিবীর অন্যতম সেরা বিড়াল ব্রিড ব্রিটিশ শর্ট হেয়ার নিয়েই কাজ করবেন, তাও পুরোপুরি অবসর সময়ে, শখের বশে। তাঁর ভাষায়, এটি তাঁর কাছে ব্যবসার চেয়ে অনেক বেশি একটি ভালোবাসার জায়গা।
তাঁর পরিকল্পনা অনুযায়ী, রাশিয়া, ইংল্যান্ড ও আমেরিকার মতো দেশ থেকে সরাসরি বিশুদ্ধ জাতের ব্রিটিশ শর্ট হেয়ার আনা হবে, যাতে দেশের মানুষ প্রতারণার ভয় ছাড়াই নিশ্চিন্তে আসল ব্রিড সংগ্রহ করতে পারেন। আনন্দের খবর হলো, খুব শিগগিরই, সম্ভবত এক সপ্তাহের মধ্যেই রাশিয়া থেকে আসছে তাঁর দুটি নতুন বিড়াল, যাদের রয়েছে পূর্ণাঙ্গ পেডিগ্রি ও প্রয়োজনীয় সব কাগজপত্র।
মুহাম্মদ রাজের পরিকল্পনা কেবল বিড়াল সংগ্রহেই থেমে নেই। আগামী ১০ই জুলাই ২০২৬ তারিখে আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হতে যাচ্ছে তাঁর নিজস্ব ওয়েবসাইট, যেখানে বিড়ালপ্রেমীরা বিভিন্ন জাত, যত্ন, স্বাস্থ্য ও সংগ্রহ নিয়ে সব তথ্য সহজেই পেয়ে যাবেন। এই ওয়েবসাইট ঘিরে এরই মধ্যে আগ্রহী মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে দারুণ উৎসাহ।
আরও উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, তিনি বিড়ালের পাশাপাশি রাস্তায় কষ্ট পাওয়া যেকোনো প্রাণীর সেবায় একটি রেসকিউ টিম গড়ে তোলার পরিকল্পনা করেছেন। এই দল অসুস্থ, আহত ও অবহেলিত প্রাণীদের উদ্ধার করে তাদের চিকিৎসা ও যত্নের ব্যবস্থা করবে। শুধু সুন্দর জাতের বিড়াল ঘরে আনাই নয়, পথের অসহায় প্রাণীর পাশে দাঁড়ানোও যে প্রকৃত ভালোবাসা, সেই বার্তাই যেন দিতে চান তিনি।
পরিকল্পনায় রয়েছে একটি ক্যাট হোস্টেলও, যেখানে মালিকরা প্রয়োজনে তাঁদের আদরের বিড়ালকে নিরাপদে রেখে যেতে পারবেন। কেউ ভ্রমণে গেলে বা ব্যস্ততার কারণে বিড়ালের যত্ন নিতে না পারলে, এই হোস্টেলে পেশাদার তত্ত্বাবধানে বিড়াল থাকবে সম্পূর্ণ নিরাপদ ও আদরে। পাশাপাশি বিড়ালের খাবারসহ নানা প্রাণীর জন্য মানসম্মত খাদ্যসামগ্রী সরবরাহের পরিকল্পনাও তিনি হাতে নিয়েছেন। অর্থাৎ একটি জায়গাতেই মিলবে বিড়াল, তার যত্নের তথ্য, খাবার আর নিরাপদ আশ্রয়, সব একসঙ্গে।
জনমনে এই উদ্যোগ ঘিরে আগ্রহও তুঙ্গে। মুহাম্মদ রাজের ফেসবুক পেজে অনুসারীর সংখ্যা ইতিমধ্যেই কুড়ি লাখ ছাড়িয়েছে। আর তাঁর নতুন এই পেজটি মাত্র কয়েক দিনেই পেয়েছে প্রায় চল্লিশ হাজার লাইক, যা প্রমাণ করে দেশের মানুষ কতটা আন্তরিকভাবে উদ্যোগটিকে গ্রহণ করছে।
যে প্রাণীটিকে স্বয়ং নবীজি (সাঃ) এত ভালোবাসতেন, সেই প্রাণীর সেবায় একজন মানবিক ব্যক্তিত্বের এমন এগিয়ে আসা নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়। মানুষ থেকে শুরু করে পথের নিরীহ প্রাণী, সবার প্রতি তাঁর এই মমতা যেন একই সুতোয় গাঁথা। Meow Meow British Cats তাই কেবল একটি ক্যাটারি নয়, বরং ভালোবাসা, বিশ্বাস আর সুন্নাহর প্রতি শ্রদ্ধার এক নতুন ঠিকানা হয়ে উঠছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
ইতিহাস বলে, আমাদের প্রিয় নবী হজরত মুহাম্মদ (সাঃ) বিড়ালকে অত্যন্ত স্নেহ করতেন। তিনি বিড়ালকে অপবিত্র মনে করতেন না। বর্ণিত আছে, যে পাত্র থেকে একটি বিড়াল পানি পান করেছিল, সেই পানি দিয়েই তিনি অজু করেছিলেন এবং বলেছিলেন, বিড়াল অপবিত্র নয়, ওরা তো মানুষের আশপাশেই ঘুরে বেড়ায়। তাঁর প্রিয় সাহাবি আবু হুরায়রা (রাঃ), যাঁর নামের অর্থ বিড়ালছানার বাবা, এই উপাধি পেয়েছিলেন বিড়ালের প্রতি গভীর মমতার কারণে। আবার এক নারীর বিড়ালকে বেঁধে রেখে কষ্ট দেওয়ার কারণে শাস্তি পাওয়ার ঘটনাও নবীজি (সাঃ) উল্লেখ করেছেন, যা প্রাণীর প্রতি দয়ার গুরুত্ব স্পষ্ট করে দেয়। এই ভালোবাসার পথ ধরেই এগিয়ে এসেছেন মুহাম্মদ রাজ।
মুহাম্মদ রাজের পরিচিতি অবশ্য কেবল একজন বিড়ালপ্রেমী হিসেবে নয়। তিনি বাংলাদেশের সুপরিচিত হাফেজ্জী চ্যারিটেবল সোসাইটি অব বাংলাদেশের মহাপরিচালক। পাশাপাশি তিনি দক্ষিণ এশিয়ার সর্ববৃহৎ মানবাধিকার সংস্থা সার্ক হিউম্যান রাইটস ফাউন্ডেশনের ডিরেক্টর অব ইন্টারন্যাশনাল হিউম্যান রাইটস হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন। দীর্ঘদিন ধরে তিনি এতিম, অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের কল্যাণে নিরলসভাবে কাজ করে আসছেন। তাঁর সেবা শুধু দেশের সীমানায় সীমাবদ্ধ নেই। যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজা থেকে শুরু করে দুর্ভিক্ষপীড়িত সুদান পর্যন্ত পৌঁছেছে তাঁর মানবিক কাজের ছোঁয়া।
এই কাজ আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও ব্যাপকভাবে প্রশংসিত হয়েছে। বিখ্যাত আল জাজিরা, ফিলিস্তিনের জাতীয় টেলিভিশন, সুদানের জাতীয় টেলিভিশন ও মিশর টাইমসসহ দেশ ও বিদেশের বহু স্বনামধন্য সংবাদমাধ্যম তাঁর মানবিক কর্মকাণ্ড নিয়ে প্রতিবেদন ও ডকুমেন্টারি প্রকাশ করেছে। মানবিক নানা বিষয়ে তাঁর অসংখ্য লেখাও বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে। গুগলে তাঁর নাম অনুসন্ধান করলেই উঠে আসে অসংখ্য মানবিক সংবাদের পাতা, যা তাঁর কাজের ব্যাপ্তিরই প্রমাণ।
মানুষের সেবার পাশাপাশি প্রাণীর প্রতিও মুহাম্মদ রাজের ভালোবাসা গভীর। জানা গেছে, তাঁর রয়েছে প্রাণী আমদানি ও রপ্তানির বৈধ এক্সপোর্ট ইমপোর্ট লাইসেন্স। তবে তিনি স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, তিনি কেবল পৃথিবীর অন্যতম সেরা বিড়াল ব্রিড ব্রিটিশ শর্ট হেয়ার নিয়েই কাজ করবেন, তাও পুরোপুরি অবসর সময়ে, শখের বশে। তাঁর ভাষায়, এটি তাঁর কাছে ব্যবসার চেয়ে অনেক বেশি একটি ভালোবাসার জায়গা।
তাঁর পরিকল্পনা অনুযায়ী, রাশিয়া, ইংল্যান্ড ও আমেরিকার মতো দেশ থেকে সরাসরি বিশুদ্ধ জাতের ব্রিটিশ শর্ট হেয়ার আনা হবে, যাতে দেশের মানুষ প্রতারণার ভয় ছাড়াই নিশ্চিন্তে আসল ব্রিড সংগ্রহ করতে পারেন। আনন্দের খবর হলো, খুব শিগগিরই, সম্ভবত এক সপ্তাহের মধ্যেই রাশিয়া থেকে আসছে তাঁর দুটি নতুন বিড়াল, যাদের রয়েছে পূর্ণাঙ্গ পেডিগ্রি ও প্রয়োজনীয় সব কাগজপত্র।
মুহাম্মদ রাজের পরিকল্পনা কেবল বিড়াল সংগ্রহেই থেমে নেই। আগামী ১০ই জুলাই ২০২৬ তারিখে আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হতে যাচ্ছে তাঁর নিজস্ব ওয়েবসাইট, যেখানে বিড়ালপ্রেমীরা বিভিন্ন জাত, যত্ন, স্বাস্থ্য ও সংগ্রহ নিয়ে সব তথ্য সহজেই পেয়ে যাবেন। এই ওয়েবসাইট ঘিরে এরই মধ্যে আগ্রহী মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে দারুণ উৎসাহ।
আরও উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, তিনি বিড়ালের পাশাপাশি রাস্তায় কষ্ট পাওয়া যেকোনো প্রাণীর সেবায় একটি রেসকিউ টিম গড়ে তোলার পরিকল্পনা করেছেন। এই দল অসুস্থ, আহত ও অবহেলিত প্রাণীদের উদ্ধার করে তাদের চিকিৎসা ও যত্নের ব্যবস্থা করবে। শুধু সুন্দর জাতের বিড়াল ঘরে আনাই নয়, পথের অসহায় প্রাণীর পাশে দাঁড়ানোও যে প্রকৃত ভালোবাসা, সেই বার্তাই যেন দিতে চান তিনি।
পরিকল্পনায় রয়েছে একটি ক্যাট হোস্টেলও, যেখানে মালিকরা প্রয়োজনে তাঁদের আদরের বিড়ালকে নিরাপদে রেখে যেতে পারবেন। কেউ ভ্রমণে গেলে বা ব্যস্ততার কারণে বিড়ালের যত্ন নিতে না পারলে, এই হোস্টেলে পেশাদার তত্ত্বাবধানে বিড়াল থাকবে সম্পূর্ণ নিরাপদ ও আদরে। পাশাপাশি বিড়ালের খাবারসহ নানা প্রাণীর জন্য মানসম্মত খাদ্যসামগ্রী সরবরাহের পরিকল্পনাও তিনি হাতে নিয়েছেন। অর্থাৎ একটি জায়গাতেই মিলবে বিড়াল, তার যত্নের তথ্য, খাবার আর নিরাপদ আশ্রয়, সব একসঙ্গে।
জনমনে এই উদ্যোগ ঘিরে আগ্রহও তুঙ্গে। মুহাম্মদ রাজের ফেসবুক পেজে অনুসারীর সংখ্যা ইতিমধ্যেই কুড়ি লাখ ছাড়িয়েছে। আর তাঁর নতুন এই পেজটি মাত্র কয়েক দিনেই পেয়েছে প্রায় চল্লিশ হাজার লাইক, যা প্রমাণ করে দেশের মানুষ কতটা আন্তরিকভাবে উদ্যোগটিকে গ্রহণ করছে।
যে প্রাণীটিকে স্বয়ং নবীজি (সাঃ) এত ভালোবাসতেন, সেই প্রাণীর সেবায় একজন মানবিক ব্যক্তিত্বের এমন এগিয়ে আসা নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়। মানুষ থেকে শুরু করে পথের নিরীহ প্রাণী, সবার প্রতি তাঁর এই মমতা যেন একই সুতোয় গাঁথা। Meow Meow British Cats তাই কেবল একটি ক্যাটারি নয়, বরং ভালোবাসা, বিশ্বাস আর সুন্নাহর প্রতি শ্রদ্ধার এক নতুন ঠিকানা হয়ে উঠছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
প্রাইমটিভি/এমএইচ

ডেস্ক রিপোর্ট
© 2026 প্রাইম টেলিভিশন, সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।





