গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্বাচনী ইশতেহারের বড় প্রতিশ্রুতির একটিকৃষক কার্ড দেশের কৃষি খাতে নতুন এক যুগের সূচনা হিসেবে আজ টাঙ্গাইলে উদ্বোধন হলো বহুল আলোচিত সেইকৃষক কার্ডএর  প্রি-পাইলটিং প্রকল্প। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উদ্বোধনের মাধ্যমে শুরু হওয়া এই কার্যক্রমের প্রথম ধাপে প্রাক-পাইলটিং পর্যায়ে ২০ হাজার ৬৭১ জন কৃষকের হাতে পৌঁছে দেওয়া হবে ডিজিটাল কৃষক কার্ড।


সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, ধাপে ধাপে দেশের সব কৃষককে এই ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের আওতায় আনা হবে। পাশাপাশি মৎস্যজীবী, প্রাণিসম্পদ খামারি এবং লবণ চাষিরাও ভবিষ্যতে এই ব্যবস্থার অন্তর্ভুক্ত হবেন। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর বলছে, এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে কৃষি খাতে স্বচ্ছতা নিশ্চিত হবে এবং দীর্ঘদিনের অনিয়ম দুর্নীতি অনেকাংশে কমে আসবে। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হবে দেশের সব কৃষকের জন্য একটি নির্ভুল নিরপেক্ষ ডিজিটাল ডাটাবেস তৈরি করা ।


নতুন এই উদ্যোগকে কেন্দ্র করে কৃষকদের মধ্যে তৈরি হয়েছে আশার সঞ্চার। কৃষকরা জানিয়েছেন, এই কার্ডের মাধ্যমে তারা সহজে সরকারি সহায়তা পাবেন এবং প্রয়োজনীয় কৃষি উপকরণ কিনতে সক্ষম হবেন, যা উৎপাদন বাড়াতে সহায়ক হবে। সরকারি হিসাব অনুযায়ী, কৃষকদের তিনটি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়েছে ভূমিহীন, প্রান্তিক এবং ক্ষুদ্র কৃষক। শুরুতে এই তিন শ্রেণির কৃষককেই অগ্রাধিকার দেওয়া হলেও ধাপে ধাপে সবাইকে এই কার্ডের আওতায় আনা হবে।  


নবান্নের এই সময়ে নতুন উদ্যোগকে ঘিরে কৃষি খাতে এসেছে এক নতুন সম্ভাবনার বার্তা।