শহরের অলিগলি থেকে শুরু করে রাজপথ—সবখানেই এখন অটোরিকশার দাপট। একদিকে সস্তা আর সহজলভ্য যাতায়াত, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের জন্য চরম ভোগান্তির নাম এই বাহন। যত্রতত্র পার্কিং, উল্টোপথে চলা আর অদক্ষ চালকদের কারণে প্রতিনিয়ত বাড়ছে যানজট। কিন্তু এর শেষ কোথায়? আমরা কি তবে এই বিশৃঙ্খলার মধ্যেই আটকে থাকব, নাকি আসবে কোনো পরিকল্পিত সমাধান?

​"রাস্তায় বের হলেই এক অজানা আতঙ্ক! চারদিকে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার মেলা। ব্রেক নেই, নেই কোনো ট্রাফিক আইনের তোয়াক্কা। ছোট ছোট চাকার এই বাহনগুলো যখন দ্রুতগতিতে মোড় নেয়, তখন যেকোনো মুহূর্তেই ঘটে যেতে পারে বড় দুর্ঘটনা। প্রতিদিন কত প্রাণ ঝরছে এই রাস্তায়, তার হিসাব কি আমরা রাখছি? জীবন কি এতটাই সস্তা যে একটি অনিয়ন্ত্রিত বাহনের হাতে আমরা জিম্মি হয়ে থাকব?"

​সাধারন জনগনও সম্মুখে অটোরিকশা নিয়ে সত্যতা তুলে ধরতে ভয় পায়, এতটাই বেপরওয়া হয়ে উঠেছে এই অটোরিকশার চালকরা।

"যাতায়াতের আরাম নাকি পথের কাঁটা? অটোরিকশা এখন আমাদের শহরের নতুন মাথাব্যথা। অপরিকল্পিত রুটে চলা আর অলিগলিতে জ্যাম পাকানোই যেন এদের কাজ। জনজীবন অতিষ্ঠ, কিন্তু প্রতিকার নেই।

মেহেদি হাসান অনুর প্রতিবেদনে উঠে এসেছে বাস্তব চিত্র।