গুরুত্ব পেলেন সংখ্যালঘু ও ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী নারীরা: সংরক্ষিত আসনে ৪ নারীকে বেছে নিল বিএনপি

ছবি- সংগৃহীত
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনীত তালিকায় সংখ্যালঘু ও ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর চারজন নারীকে মনোনয়ন দিয়ে অন্তর্ভুক্তিমূলক রাজনীতির বিশেষ দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে দলটি।
সোমবার (২০ এপ্রিল) নিজেদের মনোনীত ৩৬ প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এই তালিকা প্রকাশ করেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী।
বিএনপির মনোনয়ন পাওয়া চার সংখ্যালঘু নারী হলেন— নিপুণ রায় চৌধুরী, আন্না মিঞ্জ, সুবর্ণা শিকদার ও মাধবী মারমা।তালিকায় সবচেয়ে বড় চমক হিসেবে দেখা হচ্ছে উন্নয়নকর্মী আন্না মিঞ্জকে। নাটোরের বাসিন্দা আন্না আদিবাসী ওঁরাও সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি এবং ব্র্যাক ইন্টারন্যাশনালের সিনিয়র ডিরেক্টর হিসেবে কর্মরত। তিনি সুবিধাবঞ্চিত খ্রিস্টান ও ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর কণ্ঠস্বর হিসেবে সংসদে ভূমিকা রাখবেন বলে আশা করা হচ্ছে। এছাড়া বান্দরবানের মাধবী মারমা- আইনজীবী ও মহিলা দল নেত্রী এবং গোপালগঞ্জের সুবর্ণা সিকদার ঠাকুর- শিক্ষক ও মথুয়া সমাজ নেতা স্থান পেয়েছেন এই তালিকায়।
সুবর্ণা সিকদারের মনোনয়ন পাওয়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত বলে গুঞ্জন ওঠে। তবে এই অভিযোগ অস্বীকার করে সুবর্ণা জানান, তিনি বিএনপির একজন কট্টর সমর্থক এবং কোনো রাজনৈতিক কমিটিতে নেই। তার স্বামী পদ্মনাভ ঠাকুর একসময় যুবদলের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
বিএনপির চূড়ান্ত তালিকায় রয়েছেন দলটির প্রবীণ ও তরুণ নেত্রীদের সমন্বয়। হেভিওয়েট প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন— সেলিমা রহমান, শিরিন সুলতানা, রাশেদা বেগম হিরা, রেহানা আক্তার রানু, নিলোফার চৌধুরী মনি, হেলেন জেরিন খান এবং জেবা আমিন খান। এছাড়া আলোচনায় থাকা সানসিলা জেবরিন, নিপুন রায় চৌধুরী এবং সানজিদা ইসলাম তুলিও ঠাঁই পেয়েছেন এই তালিকায়।
বিএনপির শীর্ষ নেতারা জানিয়েছেন, সব ধর্ম ও সম্প্রদায়ের মানুষের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে একটি বৈষম্যহীন রাজনৈতিক পরিবেশ গড়তেই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এর নির্দেশে এই ইনক্লুসিভ তালিকা তৈরি করা হয়েছে।

Desk Report
© 2026 Prime Tv. All rights reserved.









