•পুলিশের ইউনিফর্ম পরিবর্তন স্থগিতের দাবি, সরকারকে আইনি নোটিশ
•১৩ বছর পর নিউজিল্যান্ডকে সিরিজ হারাল বাংলাদেশ
•রাঙ্গামাটির বরকল উপজেলা জামাতের সেক্রেটারির বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির মামলা
•জ্বালানি সংকট কাটাতে এক টেবিলে সরকারি ও বিরোধী দল
•পিরোজপুরে শিক্ষকের বাড়িতে ডাকাতি; চক্রের সর্দার গ্রেপ্তার
•বনানীতে ভূঁইয়া পরিবহনের বাস দুর্ঘটনায় দুইজন নিহত
•সীমান্তে চোরাচালান রোধে কঠোর অবস্থানে বিজিবি: সিলেটে বিপুল পরিমাণ মালামাল উদ্ধার
•পিআরআইয়ের দাবি মার্চে ২০ হাজার কোটি টাকা ছাপিয়েছে সরকার
•মৃত্যুভয় নিয়েই কাফনের কাপড়ে কথা বললেন কাওয়ালী শিল্পী
•সিলেটে জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহের উদ্বোধন, পুষ্টি নিশ্চিত করতে সম্মিলিত উদ্যোগের আহ্বান
•বাংলাদেশের শিল্পী হওয়া একটা অভিশাপ- রিনা খান
•ভৈরবে পিতার বিরুদ্ধে সাত মাস বয়সী শিশুর হত্যার অভিযোগ
•জয় চৌধুরী শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক পদে লড়বেন
•নেতানিয়াহুর প্রস্তাব ফিরিয়েছিলেন সাবেক তিন মার্কিন প্রেসিডেন্ট: জন কেরি
•আজ সত্যজিৎ রায়ের প্রয়াণ দিবস
•নাজমুলের সেঞ্চুরিতে ২০০ পার করলো বাংলাদেশ
•রাঙ্গামাটির কাপ্তাইয়ে বিরল প্রজাতির লজ্জাবতী বানর উদ্ধার
•মনোনয়ন বাতিল: মনিরা শারমিনকে ঘিরে নতুন বিতর্ক
•এই জীবনটা আসলে কিছুই না, সবকিছু আসলে পরকাল-তৌসিফ মাহবুব
•দূরপাল্লা ও আন্তঃজেলায় বাড়লো বাসের ভাড়া,আজ থেকেই কার্যকর
•পুলিশের ইউনিফর্ম পরিবর্তন স্থগিতের দাবি, সরকারকে আইনি নোটিশ
•১৩ বছর পর নিউজিল্যান্ডকে সিরিজ হারাল বাংলাদেশ
•রাঙ্গামাটির বরকল উপজেলা জামাতের সেক্রেটারির বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির মামলা
•জ্বালানি সংকট কাটাতে এক টেবিলে সরকারি ও বিরোধী দল
•পিরোজপুরে শিক্ষকের বাড়িতে ডাকাতি; চক্রের সর্দার গ্রেপ্তার
•বনানীতে ভূঁইয়া পরিবহনের বাস দুর্ঘটনায় দুইজন নিহত
•সীমান্তে চোরাচালান রোধে কঠোর অবস্থানে বিজিবি: সিলেটে বিপুল পরিমাণ মালামাল উদ্ধার
•পিআরআইয়ের দাবি মার্চে ২০ হাজার কোটি টাকা ছাপিয়েছে সরকার
•মৃত্যুভয় নিয়েই কাফনের কাপড়ে কথা বললেন কাওয়ালী শিল্পী
•সিলেটে জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহের উদ্বোধন, পুষ্টি নিশ্চিত করতে সম্মিলিত উদ্যোগের আহ্বান
•বাংলাদেশের শিল্পী হওয়া একটা অভিশাপ- রিনা খান
•ভৈরবে পিতার বিরুদ্ধে সাত মাস বয়সী শিশুর হত্যার অভিযোগ
•জয় চৌধুরী শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক পদে লড়বেন
•নেতানিয়াহুর প্রস্তাব ফিরিয়েছিলেন সাবেক তিন মার্কিন প্রেসিডেন্ট: জন কেরি
•আজ সত্যজিৎ রায়ের প্রয়াণ দিবস
•নাজমুলের সেঞ্চুরিতে ২০০ পার করলো বাংলাদেশ
•রাঙ্গামাটির কাপ্তাইয়ে বিরল প্রজাতির লজ্জাবতী বানর উদ্ধার
•মনোনয়ন বাতিল: মনিরা শারমিনকে ঘিরে নতুন বিতর্ক
•এই জীবনটা আসলে কিছুই না, সবকিছু আসলে পরকাল-তৌসিফ মাহবুব
•দূরপাল্লা ও আন্তঃজেলায় বাড়লো বাসের ভাড়া,আজ থেকেই কার্যকর


প্রতিটি মানুষের জন্য পর্যাপ্ত ঘুম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ । অনেক সময় রাত জেগে মোবাইল ব্যবহার, সিরিজ দেখা বা অতিরিক্ত কাজ করার কারণে শরীর পর্যাপ্ত বিশ্রাম পায় না। এই কারনেই অফিসে গিয়ে ঘুম ঘুম ভাব দেখা দেয়। প্রতিদিন অন্তত ৭–৮ ঘণ্টা ঘুম নিশ্চিত করলে এই সমস্যা অনেকটাই কমে যাবে।
মাঝেমধ্যে কাজের মাঝে ছোট বিরতি নেওয়া কার্যকর একটি উপায়। একটানা অনেকক্ষণ কাজ করলে মস্তিষ্ক ক্লান্ত হয়ে পড়ে। প্রতি ১–২ ঘণ্টা পর ৫–১০ মিনিটের জন্য উঠে হাঁটা, স্ট্রেচিং করা বা একটু ফ্রেশ হওয়া ঘুম দূর করতে সাহায্য করে।
তাছাড়া চাইলে অনেকেই ক্যাফেইন গ্রহণ করতে পারেন। চা বা কফি সাময়িকভাবে ঘুম দূর করতে সহায়ক। তবে এটি সীমিত পরিমাণে গ্রহণ করা উচিত, কারণ অতিরিক্ত ক্যাফেইন শরীরের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে এবং রাতে ঘুমের ব্যাঘাত ঘটাতে পারে। তাছাড়া পরিমান মতো সব কিছুই গ্রহন করা উচিত।
কাজের পরিবেশ পরিবর্তন করা যেতে পারে। যদি সম্ভব হয়, জানালার কাছে বসা বা এমন জায়গায় কাজ করুন যেখানে আলো-বাতাস ভালো আসে। প্রাকৃতিক আলো মস্তিষ্ককে সতেজ রাখতে সাহায্য করে এবং ঘুম ঘুম ভাব কমায়।
মনোযোগ ধরে রাখতে কাজের ধরনের পরিবর্তন আনুন। একঘেয়ে কাজ করলে ঘুম পেতে পারে, তাই মাঝে মাঝে ভিন্ন ধরনের কাজ করার চেষ্টা করুন। এতে মস্তিষ্ক সক্রিয় থাকে এবং ক্লান্তি কমে। হালকা ব্যায়াম বা স্ট্রেচিং করতে পারেন। অফিসের মধ্যেই হাত-পা নড়াচড়া, ঘাড় ঘোরানো বা দাঁড়িয়ে একটু হাঁটা শরীরকে সক্রিয় করে তোলে। এতে রক্ত সঞ্চালন বাড়ে এবং ঘুম দূর হয়। প্রয়োজন হলে হালকা ব্যায়াম বা স্ট্রেচিং করতে পারেন।
খাবারের দিকে খেয়াল রাখা জরুরি। ভারী বা অতিরিক্ত তেলযুক্ত খাবার খেলে শরীর অলস হয়ে পড়ে এবং ঘুম পেতে পারে। তাই দুপুরে হালকা ও পুষ্টিকর খাবার যেমন—সবজি, সালাদ, ডাল বা প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার খাওয়ার চেষ্টা করা উচিত। এছাড়া অতিরিক্ত চিনি বা কার্বোহাইড্রেট এড়িয়ে চলা ভালো।
যদি নিয়মিত এই সমস্যা দেখা দেয়, তবে জীবনযাত্রার দিকে নজর দেওয়া জরুরি। সঠিক ঘুম, স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস এবং নিয়মিত ব্যায়াম এই সমস্যার দীর্ঘমেয়াদি সমাধান দিতে পারে। অফিসে ঘুম পেয়ে যাওয়া একটি সাধারণ বিষয় হলেও সঠিক অভ্যাস গড়ে তুললে এটি সহজেই নিয়ন্ত্রণ করা যায়। নিয়মিত যত্ন ও সচেতনতার মাধ্যমে আপনি আপনার কাজের দক্ষতা ও মনোযোগ উভয়ই বাড়াতে পারবেন।
নিয়মিত পানি পান করা প্রয়োজন। শরীরে পানির ঘাটতি থাকলে ক্লান্তি ও ঘুম ঘুম ভাব বাড়তে পারে। তাই কাজের ফাঁকে ফাঁকে পানি পান করলে শরীর সতেজ থাকে এবং মনোযোগ বাড়ে।

ত্রয়োদশ সংসদ অধিবেশনে গতোকালকে (মঙ্গলবার) এমপিদের নিজ উপজেলায় অফিস বরাদ্দের বিল উ পাস হয়।তার সাথে হাসনাত আব্দুল্লাহ চলাচলের জন্য গাড়ির আবেদনও করেন।
তবে এতে স্থানীয় পর্যায়ে এমপিদের রাজনৈতিক প্রভাবের বলয় তৈরি হবে এবং স্থানীয় বিরোধীদলীয় রাজনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা করেছেন অনলাইন অ্যাক্টিভিস্টস লুৎফুন্নাহার লুমা।
তিনি এ-বিষয়ে একটি ফেসবুক পোস্ট করেছেন।তার ফেসবুক পোস্ট নিছে দেওয়া হলো,
এমপিদের জন্য উপজেলায় অফিস দেওয়ার যে সূদুর প্রসারি কুফল আছে, তা নিয়ে সংসদে বিল পাশ করানোর আগে কেউ ভেবে দেখেনি?
একজন এমপি কখনো তার আসনে বিরোধী দল কে শক্তিশালী হতে দেয় না।
হামলা, মামলা দিয়ে দমনের উপরেই রাখে।
সেখানে উপজেলা চেয়ারম্যান,চেয়ারম্যান, মেম্বার প্রত্যেক টা নির্বাচন এখন দলীয়করণ হবে।
নির্বাচিত এমপির লোকজন ছাড়া অন্য দলের বা মতের আর কেউ নির্বাচনে দাঁড়িয়ে জিততে পারবে না।
জেতা তো দূরের কথা নির্বাচনে দাঁড়ালেই একগাদা মামলা খেয়ে এলাকা ছাড়া হতে হবে।
উপজেলা চেয়ারম্যান কিংবা স্থানীয় প্রতিনিধিরা এমপির দাপটে স্বাধীন ভাবে কাজ করতে পারবে না।
করতেও দেওয়া হবে না।
এভাবে ই তো দলীয়করণ শুরু হয়।
ফ্যাসিস্টের যাত্রা শুরু হয়।
এমন ফ্যাস্টিস্ট তৈরির জঘন্য একটা বিল,সরকারি দল এবং বিরোধী দলের সর্বসম্মতিক্রমে পাশ হয়ে গেল।
আজ স্বার্থের জন্য কেউ এই বিলের নুন্যতম সমালোচনা পর্যন্ত করলো না৷
বাহ নয়া বন্দোবস্ত দারুণ ভাবেই শুরু হয়েছে
আগামীতে স্থানীয় সকল নির্বাচনে জয়ী হবে এমপির দ্বারা মনোনীত প্রার্থী।
তার বাইরে সরকারি বা বিরোধী দল যেখানে আসন পায়নি,সেখানে ভিন্ন মতাদর্শের জেতার সম্ভাবনা কে কবর দিয়ে দেওয়া হলো।
পাশাপাশি নির্বাচনে প্রার্থিতা নিশ্চিতের জন্য এমপিদের কামাইয়ের আরেকটা দোয়ার খুলে দেওয়া হলো।