নতুন বছর মানেই নতুন আশা, নতুন স্বপ্ন আর নতুন করে শুরু করার আনন্দ। ১৪ এপ্রিল পহেলা বৈশাখের মাধ্যমে নতুন বছরকে বরণ করে নেয় বাঙালি।

ইসলামি চিন্তাবিদরা বলছেন, একজন প্রকৃত মুসলমানে শোভাযাত্রায় বিভিন্ন প্রাণীর প্রতিকৃতি বা মুখোশ প্রদর্শনের মাধ্যমে অমঙ্গল দূর হওয়ার বিশ্বাস প্রচার করা হয়। অথচ ইসলামি আকিদা অনুযায়ী কল্যাণ ও অকল্যাণের ক্ষমতা একমাত্র আল্লাহর হাতেই। এছাড়া পহেলা বৈশাখে খুব ভোরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাইন্স ইনস্টিটিউট থেকে রমনা পার্কে গিয়ে সূর্যোদয় দেখার রীতি রয়েছে। সেখানে অগ্নিস্নানে শুচি হোক ধরা এমন বিশ্বাস প্রচলিত। অর্থাৎ সূর্যের প্রখর আলোয় বা আগুনে স্নান প্রকৃতির জীর্ণতা, পুরোনো বছরের সব ব্যর্থতা ও ক্লান্তি দূর করে র উচিত নিজের ধর্মীয় বিশ্বাস ও মূল্যবোধের আলোকে যে-কোনো সাংস্কৃতিক আয়োজন মূল্যায়ন করা।


তারা তরুণদের বিশেষভাবে সচেতন থাকার আহ্বান জানিয়েছেন। যাতে কোনো আয়োজনের কারণে ধর্মীয় বিশ্বাস বা নৈতিকতা ক্ষতিগ্রস্ত না হয় সংস্কৃতি চর্চা থাকতে পারে। তবে তা যেন ইসলামের মূল বিশ্বাস ও নৈতিকতার সঙ্গে বিরোধ সৃষ্টি না করে। সেদিকে সবারই নজর দেওয়া প্রয়োজন। 

ইসলামি চিন্তাবিদদের মতে, পহেলা বৈশাখের কিছু প্রচলিত আয়োজন ইসলামের বিশ্বাসের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হতে পারে। তাদের মতে, মঙ্গলনতুন বছরকে স্বাগত জানানোর প্রতীক।

এ নিয়ে কোরআনে উল্লেখ আছে, ''আমি তাকে ও তার কওমকে দেখতে পেলাম তারা আল্লাহর পরিবর্তে সূর্যকে সিজদা করছে। আর শয়তান তাদের কার্যাবলীকে তাদের জন্য সৌন্দর্যমণ্ডিত করে দিয়েছে এবং তাদেরকে সৎপথ থেকে নিবৃত করেছে, ফলে তারা হিদায়াত পায় না।''সুরা নামল: ২৪