প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেছেন, দেশের অর্থনীতির টেকসই উত্তরণে বিনিয়োগকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে। একই সঙ্গে জবাবদিহিতার সংস্কৃতি গড়ে তুলতে সমালোচনার চর্চাও প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।

বুধবার (১৭ জুন) রাজধানীতে মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এমসিসিআই) আয়োজিত বাজেট পরবর্তী আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেন, ১৯৭৫ সালের পর দেশের অর্থনীতি সংকটের মুখে পড়লেও বিভিন্ন কৌশলের মাধ্যমে নতুন ধরনের অর্থনৈতিক উত্তরণ সম্ভব হয়েছে। দেশের স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার পাশাপাশি বিনিয়োগ বৃদ্ধিকেও অগ্রাধিকার দিতে হবে।

তিনি বলেন, বিনিয়োগকে কীভাবে আরও গতিশীল করা যায়, সে বিষয়ে গুরুত্ব দিতে হবে। একই সঙ্গে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে সমালোচনার সংস্কৃতি গড়ে তোলাও জরুরি।

অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা জানান, বাংলাদেশের ইতিহাসে এই প্রথমবারের মতো পাঁচ বছরের জন্য করকাঠামো নির্ধারণ করা হয়েছে। এতে দেশি ও বিদেশি বিনিয়োগকারীরা দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণে সুবিধা পাবেন।

তিনি আরও জানান, অর্থনীতিতে গতি আনতে ৬০ হাজার কোটি টাকার একটি অর্থায়ন প্যাকেজ ঘোষণা করা হয়েছে। এর মধ্যে ৪১ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব ব্যবস্থাপনার আওতায় এবং বাকি ১৯ হাজার কোটি টাকা বাংলাদেশ ব্যাংকের মাধ্যমে পরিচালিত হবে।

জ্বালানি খাত প্রসঙ্গে তিতুমীর বলেন, সরকার ধীরে ধীরে নবায়নযোগ্য জ্বালানির দিকে এগিয়ে যাবে এবং এ বিষয়ে একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ রয়েছে।

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতের প্রভাবের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, জ্বালানি খাতে আগামী জুলাই পর্যন্ত প্রায় ৩ দশমিক ৪৬ বিলিয়ন ডলার ভর্তুকি দিতে হবে। তবে দীর্ঘমেয়াদে পুরো জাতির জন্য একটি জ্বালানি হাব গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।

প্রাইমটিভি/এনজি