রংপুর বিভাগের সমাজসেবা কার্যালয়ে “জলবায়ু পরিবর্তন ও জেন্ডার সংবেদনশীল কর্মপরিকল্পনা" বিষয়ে একটি অ্যাডভোকেসি ডায়ালগ অনুষ্ঠিত হয়েছে। নারী ক্ষমতায়ন ভিত্তিক ও পরিবেশবাদী সংগঠন WEAVE Bangladesh এই সংলাপ আয়োজন করে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সমাজসেবা অধিদপ্তরের পরিচালক জিলুফা সুলতানা, সমাজসেবা অধিদপ্তর, বিভাগীয় সমাজসেবা কার্যালয়, রংপুর। নুর আলম, পরিচালক, পরিবেশ অধিদপ্তর, বিভাগীয় পরিবেশ অধিদপ্তর কার্যালয়, রংপুর। অনিরুদ্ধ কুমার রয়, উপ-পরিচালক, সমাজসেবা অধিদপ্তর, জেলা সমাজসেবা কার্যালয়,রংপুর। আব্দুস সালাম সরকার। উপ-পরিচালক, পরিবেশ অধিদপ্তর, জেলা পরিবেশ অধিদপ্তর কার্যালয়, রংপুর।

সংলাপে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, কারমাইকেল কলেজ, দিনাজপুর কলেজ, রংপুর মেডিকেল, রংপুর সরকারি কলেজ, বেগম রোকেয়া কলেজ সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ছাত্র প্রতিনিধী ও ইয়ুথ-লিড সংগঠনের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।

আলোচনায় রংপুর অঞ্চলের জলবায়ু সংকট নারী ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর ওপর কীভাবে বেশি প্রভাব ফেলছে তা তুলে ধরা হয় এ প্রেক্ষাপটে জেন্ডার-সংবেদনশীল কার্যকর কর্মপরিকল্পনার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

WhatsApp Image 2026-05-01 at 6.35.11 PM

অনুষ্ঠানে “WEAVE Youth Commitment Board”-এর মাধ্যমে যুব প্রতিনিধিরা জলবায়ু ও জেন্ডার ন্যায্যতা বিষয়ে তাদের অঙ্গীকার তুলে ধরেন, যা WEAVE Bangladesh ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার জন্য সংরক্ষণ করেছে। এছাড়া অংশগ্রহনকারীদের সাথে WEAVE Bangladesh একটা জেন্ডার রেসপন্সিভ কর্মপরিকল্পনা তৈরি করেন রংপুর কেন্দ্রীক।

এছাড়াও সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে অংশগ্রহণকারীদের মাঝে গাছের চারা বিতরণ করা হয়।

সংলাপের এই ইভেন্টে একটি “জেন্ডার কর্নার” স্থাপন করা হয়, যেখানে রাইট-বেইজড ইনিশিয়েটিভ প্রদর্শন এবং জেন্ডার-ফ্রেন্ডলি ওয়াশরুমের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়। কর্নারে মেনস্ট্রুয়াল কিটস রাখা ছিল, যা নারীদের স্বাস্থ্য ও মর্যাদা নিশ্চিতকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

WEAVE Bangladesh এর রংপুর বিভাগীয় টিম মূলত এই এডভোক্যাসি সংলাপটি আয়োজন ও বাস্তবায়ন করেন। যেখানে WEAVE Bangladesh-এর সভাপতি ফারজানা হাবীব লাবণ্য ও প্রজেক্ট প্রয়াসের কোঅর্ডিনেটর আহসান হাবীব লিংকন উপস্থিত ছিলেন। আয়োজকরা জানান, জলবায়ু ও জেন্ডার ন্যায্যতা নিশ্চিত করতে যুব সমাজের সক্রিয় অংশগ্রহণ অত্যন্ত জরুরি। WEAVE Bangladesh বিশ্বাস করে সরকার (নীতিনির্ধারক), যুব সমাজ, দূর্যোগে ক্ষতিগ্রস্থ মানুষের মধ্যে একটি সংযোগ তৈরি করে, সকলের সার্বিক অংশগ্রহনের আর কর্মপ্রচেষ্টার মাধ্যমে জলবায়ু ন্যায়বিচার ও জেন্ডার ন্যায়বিচার সম্ভব।