ডিএনএ পরীক্ষায় তনুর পোশাকে পাওয়া গেছে আরও একজনের রক্ত

সোহাগী জাহান তনু । ছবিঃ সংগ্রিহিত
কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী ও নাট্যকর্মী সোহাগী জাহান তনু হত্যাকাণ্ডের তদন্তে নতুন তথ্য সামনে এসেছে।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, তনুর পোশাক থেকে সংগ্রহ করা নমুনার ডিএনএ পরীক্ষায় তিনজন পুরুষের শুক্রাণুর পাশাপাশি আরও একজনের রক্তের অস্তিত্ব পাওয়া গেছে। ফলে ঘটনাটির সঙ্গে মোট চারজন ব্যক্তির জৈবিক নমুনার উপস্থিতি নিশ্চিত হওয়ার তথ্য পাওয়া যাচ্ছে।
পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের তদন্ত কর্মকর্তা জানিয়েছেন, সিআইডির ফরেনসিক রিপোর্টে আগেই তিনজন পুরুষের শুক্রাণুর তথ্য পাওয়া গিয়েছিল।
সম্প্রতি নতুন করে পাওয়া তথ্যে আরও একজনের রক্তের নমুনা যুক্ত হয়েছে। তদন্ত কর্মকর্তা বলেন, এটি নতুন কোনো সন্দেহভাজন যোগ হওয়া নয়, বরং আগের ডিএনএ বিশ্লেষণের একটি পরিপূরক তথ্য।
২০১৬ সালের ২০ মার্চ কুমিল্লা সেনানিবাস এলাকায় নিখোঁজ হন সোহাগী জাহান তনু। পরদিন পাওয়ার হাউসের পাশে ঝোপ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
প্রাথমিকভাবে তাকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে বলে ধারণা করা হলেও দুই দফা ময়নাতদন্তে মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ নির্ধারণ করা যায়নি।
ঘটনার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে ২০১৭ সালে সিআইডির ডিএনএ পরীক্ষায় তিনজন পুরুষের শুক্রাণুর উপস্থিতি পাওয়া যায়। দীর্ঘদিন পর নতুন এই তথ্য তদন্তে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।
সম্প্রতি মামলায় নতুন অগ্রগতি হিসেবে সন্দেহভাজন অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্য হাফিজুর রহমানকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
তাকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন। তার ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে এবং তা তনুর পোশাকে পাওয়া নমুনার সঙ্গে মিলিয়ে দেখা হচ্ছে।
তদন্ত কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, মামলাটি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে পুনরায় বিশ্লেষণ করা হচ্ছে এবং ডিএনএ পরীক্ষার পূর্ণাঙ্গ ফলাফলের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
প্রাইমটিভি/এনজি





