যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটনে এক দফা আলোচনার পর ইসরায়েল ও লেবানন শর্তসাপেক্ষ যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে। তবে এই যুদ্ধবিরতি পুরোপুরি কার্যকর হবে কিনা তা নির্ভর করছে ইরান সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর হামলা সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করার ওপর।

যৌথ বিবৃতিতে জানানো হয়, যুদ্ধবিরতি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে কিছু “পাইলট জোন” বা পরীক্ষামূলক এলাকা তৈরি করা হবে। এসব এলাকায় কোনো অরাষ্ট্রীয় সশস্ত্র গোষ্ঠীর উপস্থিতি থাকবে না। এসব অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণ সম্পূর্ণভাবে থাকবে লেবাননের সশস্ত্র বাহিনীর হাতে।

যুদ্ধবিরতি নিয়ে সমঝোতার দিনেও সীমান্তে সংঘর্ষ থেমে থাকেনি। হিজবুল্লাহ দাবি করেছে, তারা ইসরায়েলি সেনাদের লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে। অন্যদিকে দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি বিমান হামলায় অন্তত নয়জন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

যৌথ বিবৃতিতে আরও বলা হয়, হিজবুল্লাহকে সব ধরনের হামলা বন্ধ করতে হবে এবং দক্ষিণ লেবানন থেকে সংগঠনটির সদস্যদের সরিয়ে নিতে হবে, তবেই যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকবে।

চলমান এই সংঘাতের প্রেক্ষাপটে ২২ জুনের পর দুই পক্ষ আবারও আলোচনায় বসবে বলে জানানো হয়েছে। এটি হবে ইসরায়েল ও লেবাননের মধ্যে চলমান কূটনৈতিক প্রক্রিয়ার পরবর্তী ধাপ।

ওয়াশিংটন, ডি.সি. এ অনুষ্ঠিত এই বৈঠককে দুই দেশের মধ্যে চলমান উত্তেজনা কমানোর একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

তথ্যসূত্র: দ্য ডন