রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলার রায় দ্রুত কার্যকরে প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেছেন, মামলার ডেথ রেফারেন্সের বিষয়টি সুপ্রিম কোর্টের নজরে আনা হবে এবং আইনানুগ প্রক্রিয়ায় এর শুনানি দ্রুত এগিয়ে নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

রোববার (৮ জুন) সচিবালয়ে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “রামিসার ঘটনায় আদালত ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করেছেন। দেশের বিচারিক ইতিহাস এবং পুলিশের গ্রেফতার ও তদন্ত কার্যক্রমের ক্ষেত্রে এটি একটি মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হবে। জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী আমরা এভাবেই আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে চাই।”

তিনি আরও বলেন, “রামিসা হত্যাকাণ্ড, গোয়ালন্দ ঘাটে আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন এবং গজারিয়ায় কিশোরী ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় পেশাদার ভূমিকা রাখায় সংশ্লিষ্ট পুলিশ সদস্যদের পুরস্কৃত করা হবে।”

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, “ভালো কাজের জন্য পুরস্কার এবং দায়িত্বে অবহেলার ক্ষেত্রে তিরস্কার—দুই ধরনের ব্যবস্থা অব্যাহত থাকবে। সাম্প্রতিক সময়ে পুলিশ বাহিনীর অর্জন প্রশংসার দাবিদার।”

এর আগে একই দিন ঢাকা মহানগর শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালত আলোচিত রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলার রায় ঘোষণা করেন।

রায়ে প্রধান আসামি সোহেল রানা এবং তার স্ত্রী স্বপ্না খাতুনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। একই সঙ্গে সোহেল রানাকে ৫ লাখ টাকা এবং স্বপ্না খাতুনকে ২ লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, আদায়কৃত অর্থ ভুক্তভোগী রামিসার আইনগত উত্তরাধিকারীদের ক্ষতিপূরণ হিসেবে প্রদান করতে হবে।

বহুল আলোচিত এ মামলার রায়ের পর দ্রুত কার্যকরের দাবি জানিয়েছে ভুক্তভোগী পরিবারও।

প্রাইমটিভি/কেআর