সম্পদ নিলাম করে হলেও দিতে হবে ৭ লাখ টাকা, ক্ষতিপূরণ পাবে রামিসার পরিবার

ছবি- সংগৃহীত
রাজধানীর পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর হত্যা মামলায় প্রধান আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না খাতুনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে নিহত শিশুর পরিবারের জন্য মোট সাত লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
রোববার (৮ জুন) ঢাকা মহানগর শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালত বহুল আলোচিত এ মামলার রায় ঘোষণা করেন।
আদালত নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯(২) ধারায় দুই আসামিকে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড প্রদান করেন। পাশাপাশি আসামি সোহেল রানাকে পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্না খাতুনকে দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়।
রায়ে বলা হয়, অর্থদণ্ড হিসেবে আদায় করা মোট সাত লাখ টাকা নিহত রামিসার আইনগত উত্তরাধিকারীদের ক্ষতিপূরণ হিসেবে প্রদান করতে হবে।
আদালত আরও নির্দেশ দেন, নির্ধারিত অর্থদণ্ড পরিশোধে ব্যর্থ হলে আসামিদের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি নিলামে বিক্রি করে সেই অর্থ ভুক্তভোগী পরিবারের কাছে হস্তান্তর করতে হবে। একই সঙ্গে ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণেরও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
রায় ঘোষণাকে কেন্দ্র করে আদালত প্রাঙ্গণে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েনের পাশাপাশি সাদা পোশাকে বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যদেরও দায়িত্ব পালন করতে দেখা যায়।
আদালত সূত্রে জানা যায়, সকাল সাড়ে ৮টার দিকে আসামি স্বপ্না খাতুনকে আদালতে আনা হয়। পরে সকাল ৮টা ৫০ মিনিটে কারাগার থেকে প্রিজনভ্যানে করে প্রধান আসামি সোহেল রানাকে আদালতে হাজির করা হয়। তাদের ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের হাজতখানায় রাখা হয়।
রায় ঘোষণার আগে উভয় আসামিকে আদালতের এজলাসে তোলা হয়। বেলা ১১টার পর বিচারক রায়ের পর্যবেক্ষণ ও আদেশ পাঠ শুরু করেন।
বহুল আলোচিত এ মামলার রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা। তারা দ্রুত রায় কার্যকরেরও দাবি জানিয়েছেন।
প্রাইমটিভি/কেআর

ডেস্ক রিপোর্ট
© 2026 প্রাইম টেলিভিশন, সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।








