পবিত্র হজ পালনের খরচ কমাতে রাষ্ট্রীয় ও কূটনৈতিক উদ্যোগ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, ধর্মপ্রাণ নাগরিকদের জন্য সাশ্রয়ী, সহজলভ্য, মানবিক ও প্রবাসীবান্ধব হজ ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।

বুধবার (১৮ জুন) জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে গাজীপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য সালাহ উদ্দিনের এক প্রশ্নের লিখিত জবাবে প্রধানমন্ত্রী এ তথ্য জানান।

তারেক রহমান বলেন, হজ ব্যবস্থাপনা বাংলাদেশ ও সৌদি আরব সরকারের যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত হয়। হজের মোট ব্যয়ের প্রায় তিন-চতুর্থাংশ সৌদি আরব অংশের, যেখানে মিনা ও আরাফাতের তাঁবু, পরিবহন, আবাসন, কোরবানি, ভিসা ও বিমা ফিসহ বিভিন্ন খরচ অন্তর্ভুক্ত থাকে। বাকি এক-চতুর্থাংশ ব্যয় বাংলাদেশ অংশে হয়, যার বড় অংশই বিমান ভাড়া।

প্রধানমন্ত্রী জানান, চলতি বছরে কোরবানিসহ সর্বনিম্ন হজ প্যাকেজ নির্ধারণ করা হয়েছিল ৪ লাখ ৬৭ হাজার ১৬৭ টাকা। এর মধ্যে সৌদি আরব অংশের খরচ ছিল ৩ লাখ ৭৯৭ টাকা এবং বাংলাদেশ অংশের খরচ ১ লাখ ৬৬ হাজার ৩৬৯ টাকা। শুধু বিমান ভাড়াই ছিল ১ লাখ ৫৪ হাজার ৮৩০ টাকা।

তিনি আরও জানান, গত বছর সর্বনিম্ন হজ প্যাকেজের মূল্য ছিল ৪ লাখ ৭৮ হাজার ২৪২ টাকা। সে হিসাবে চলতি বছর হজের খরচ ১১ হাজার ৭৫ টাকা কমানো সম্ভব হয়েছে, যার সুফল পেয়েছেন হজযাত্রীরা।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি এবং সৌদি আরব অংশের ব্যয় বিবেচনায় নিয়ে আগামী বছরের হজ প্যাকেজের মূল্য আরও কমানো বা যৌক্তিক পর্যায়ে নির্ধারণের চেষ্টা করবে সরকার।

প্রাইমটিভি/এনজি