চর কাজলে চিকিৎসা সংকট: হাসপাতাল নেই ,অবহেলায় ভুগছে সাধারণ মানুষ

ছবিঃসংগৃহীত
পটুয়াখালী জেলার অন্তর্গত গলাচিপা উপজেলার চর কাজল এবং চর বিশ্বাস ইউনিয়নে চিকিৎসা সেবার তিব্র সংকট চলছে।
গলাচিপার মুল ভূখণ্ড থেকে বিছিন্ন এই দুই ইউনিয়নে কোনো সরকারি -বেসরকারি চিকিৎসা সেবা নেই।উপজেলা শহর থেকে আলাদা করেছে বুড়াগৌরাঙ্গ নদী এবং বিপরীত পাশে রয়েছে চর ফ্যাশন নদী।যার ফলে জেলা বা উপজেলা শহরে সহজেই যাতায়াত করা যায় না।
এই দ্বীপে মানুষ বসবাসের শুরু থেকেই চিকিৎসা সেবা নেই।এমনকি জরুরী চিকিৎসা সেবার জন্য নূন্যতম কোনো ক্লিনিক বা হাসপাতাল না থাকায় প্রতিনিয়ত ঝুঁকির মধ্য দিয়ে জীবন পার করতেছে এই দ্বীপের হাজারও মানুষ।
সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতে রয়েছে প্রসূতি মহিলারা।এসময়ে মহিলাদের নিয়মিত চিকিৎসার প্রয়োজন হয়।কিন্তু কোনো ক্লিনিক বা হাসপাতাল না থাকায় তারা চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।
যার ফলে বেড়ে যাচ্ছে অকাল গর্বপাত এবং প্রসবকালে মৃত্যুর হারও বেড়ে যাচ্ছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়,চর কাজল ও চর বিশ্বাসে বসবাসরত মানুষদের চিকিৎসার জন্য উপজেলা বা জেলা শহরে যেতে হয়।যাতায়াত ব্যবস্তা খারাপ হওয়াতে অসুস্থ রোগীদের সময়মতো উপজেলা বা জেলা শহরের হাসপাতালে নেওয়া সম্ভব হয় না।ফলে অনেক সময় সাধারন রোগী খারাপ অবস্থায় পড়ে এবং অনেক সময় মারাও যায়।
এলাকাবাসীর অভিযোগ,বহুবার স্থানীয় প্রশাসন এবং জনপ্রতিনিধির জানানো হলেও এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ দেখা যায় নাই।বিশেষ করে গর্ববতী নারী,শিশু এবং বয়স্কদের জন্য এই পরিস্থিতি ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থা তৈরি করেছেন।
স্থানীয় বাসিন্দা রাজিব খান বলেছেন, হঠাৎ কোনো সময় রোগী অসুস্থ হলে আমাদের কিছু করার থাকে না।নৌকাতে করে নিতে নিতে রোগীর অবস্থা আরও খারাপ হয়ে যায়।
স্বাস্থ্য সেবার এমন বেহাল অবস্থার জন্য দ্বীপবাসী নিজেদেরকে অসহায় মনে করেন।তারা যতদ্রুত সম্ভব একটা কমিউনিটি ক্লিনিক বা হাসপাতাল স্থাপনের দাবী জানায়।
এ বিষয়ে ছাত্র অধিকার পরিষদের নেতা মেহেদী হাসানের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি জানান ,আমরাও এই পরিস্থিতি জানি আমিও এই এলাকার বাসিন্দা।আমরা মাননীয় প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর ভাইকেও জানিয়েছি তিনিও বিষয়টি জানেন যেহেতু তিনিও এই এলাকা।
আমরা খুব দ্রুতই দৃশ্যমান কিছু দেখতে পারবো।তিনি সাধারন মানুষকে আরও কিছুদিন ধৈর্য ধরার অনুরোধ করেন।

Mehedi Hasan
© 2026 Prime Tv. All rights reserved.









