সর্বজনশ্রদ্ধেয় ব্যক্তিদের নিয়ে আপত্তিকর শব্দচয়নকে ‘গুপ্ত স্বৈরাচারী’ মানসিকতার বহিঃপ্রকাশ বলে মন্তব্য করেছেন ড. মাহদী আমিন, যিনি তারেক রহমান-এর উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) বিকেলে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন।

ড. মাহদী আমিন লেখেন, যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার পর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া জানানোর আগে পূর্ণাঙ্গ তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ ও যাচাই করা জরুরি। তার মতে, অনেক সময় স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী আংশিক ভিডিও বা ছবি ছড়িয়ে বিভ্রান্তিকর অপপ্রচার চালায়।

তিনি আরও বলেন, গণঅভ্যুত্থানের পরও যারা অশালীন আচরণ ও অশ্রাব্য ভাষাকে রাজনৈতিক কৌশল হিসেবে ব্যবহার করছে, তারা মূলত জনমানস থেকে বিচ্ছিন্ন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের আলোচনার সঙ্গে বাস্তব নির্বাচনি ফলাফলের পার্থক্যেই তা স্পষ্ট হয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

পোস্টে তিনি লিখেছেন, সর্বজনশ্রদ্ধেয় ব্যক্তিদের নিয়ে নামে-বেনামে বা ভিন্ন পরিচয়ে ধারাবাহিকভাবে আপত্তিকর মন্তব্য করা এক ধরনের ‘গুপ্ত স্বৈরাচারী’ প্রবণতারই বহিঃপ্রকাশ।

গঠনমূলক রাজনীতির স্বার্থে সংযত ভাষা, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ এবং ইতিবাচক আলোচনা সংস্কৃতি গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, মতভিন্নতা থাকলেও তা প্রকাশে শালীনতা ও দায়িত্ববোধ বজায় রাখা প্রয়োজন।

ড. মাহদী আমিন আরও বলেন, ন্যায়সঙ্গত অবস্থান ও সুস্থ রাজনৈতিক চর্চাই একটি গণতান্ত্রিক সমাজকে শক্তিশালী করে।