•অনুমতি ছাড়া ভিডিও প্রচার করলেই জেল-জরিমানা: কন্টেন্ট ক্রিয়েটরদের জন্যে সংসদে ঘোষণা
•শুল্কমুক্ত গাড়ি ও সরকারি প্লট পাচ্ছেন না এমপিরা, সংসদে বাজেট ঘাটতি ও জনস্বার্থে ঐকমত্য
• সংরক্ষিত আসনের প্রস্তাব ফিরিয়ে দিলেন তাসনিম জারা: সংসদে গেলে জনগণের ভোটেই যাবেন তিনি
• ফতুল্লায় গুদারাঘাটের ইজারা নিয়ে বিএনপি-এনসিপি সংঘর্ষঃ আহত ৫
•অনলাইন প্রতারণার নতুন ফাঁদ: ‘বুলসুক’ কোম্পানির বিরুদ্ধে কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ, নেপথ্যে তৌহিদ-ইমন গং!
•সিন্ডিকেটের হাতে জনগণকে জিম্মি হতে দেবে না সরকার: বাণিজ্যমন্ত্রী
•গ্রাফিতিতে গুপ্ত লেখা’কে কেন্দ্র করে, চট্টগ্রাম সরকারি সিটি কলেজে ছাত্রদল-শিবির সংঘর্ষ
•স্থায়ীভাবে ইরান যুদ্ধ বন্ধের দাবিতে এবার মার্কিন সেনাদের বিক্ষোভ
•বস্ত্র ও পাট খাতে নতুন প্রাণের সঞ্চার, সচল হতে যাচ্ছে বন্ধ মিলগুলোঃ বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী
• মনের মানুষ খুঁজতে কক্সবাজার গেলেন হিরো আলম
•পার্বত্য মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান এমপি’র সাথে কানাডিয়ান হাইকমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাৎকার
•(ঢামেক) ছাত্রী কমন রুম থেকে এপ্রোন ও স্টেথোস্কোপসহ এক ভুয়া শিক্ষার্থীকে আটক
•এসএসসি পরীক্ষার প্রথম দিনে অনুপস্থিত ছিলো প্রায় ২৫ হাজার শিক্ষার্থী
•মুক্তি পাওয়ার আগেই ২৫০ কোটি টাকা আয় করেছে ‘কিং’ সিনেমা
•এই সপ্তাহেই তৈরি হবে এইচএসসি পরীক্ষার রুটিন : শিক্ষামন্ত্রী
•বাংলাদেশের ‘আলী’ জার্মানিতে পুরস্কার জিতল
•ইতালির রাষ্ট্রদূতের সাথে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠক: দক্ষ কর্মী নিতে আগ্রহী ইতালি
• যৌন হয়রানি নিয়ে বিরূপ মন্তব্য করে বিপাকে অভিনেত্রী হানসিকা মোতওয়ানি
•ঠাকুরগাঁওয়ে উৎসবমুখর পরিবেশে শুরু হলো এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা
•মে দিবসে মঞ্চে আসছে আরণ্যকের ‘রাঢ়াঙ’
•অনুমতি ছাড়া ভিডিও প্রচার করলেই জেল-জরিমানা: কন্টেন্ট ক্রিয়েটরদের জন্যে সংসদে ঘোষণা
•শুল্কমুক্ত গাড়ি ও সরকারি প্লট পাচ্ছেন না এমপিরা, সংসদে বাজেট ঘাটতি ও জনস্বার্থে ঐকমত্য
• সংরক্ষিত আসনের প্রস্তাব ফিরিয়ে দিলেন তাসনিম জারা: সংসদে গেলে জনগণের ভোটেই যাবেন তিনি
• ফতুল্লায় গুদারাঘাটের ইজারা নিয়ে বিএনপি-এনসিপি সংঘর্ষঃ আহত ৫
•অনলাইন প্রতারণার নতুন ফাঁদ: ‘বুলসুক’ কোম্পানির বিরুদ্ধে কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ, নেপথ্যে তৌহিদ-ইমন গং!
•সিন্ডিকেটের হাতে জনগণকে জিম্মি হতে দেবে না সরকার: বাণিজ্যমন্ত্রী
•গ্রাফিতিতে গুপ্ত লেখা’কে কেন্দ্র করে, চট্টগ্রাম সরকারি সিটি কলেজে ছাত্রদল-শিবির সংঘর্ষ
•স্থায়ীভাবে ইরান যুদ্ধ বন্ধের দাবিতে এবার মার্কিন সেনাদের বিক্ষোভ
•বস্ত্র ও পাট খাতে নতুন প্রাণের সঞ্চার, সচল হতে যাচ্ছে বন্ধ মিলগুলোঃ বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী
• মনের মানুষ খুঁজতে কক্সবাজার গেলেন হিরো আলম
•পার্বত্য মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান এমপি’র সাথে কানাডিয়ান হাইকমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাৎকার
•(ঢামেক) ছাত্রী কমন রুম থেকে এপ্রোন ও স্টেথোস্কোপসহ এক ভুয়া শিক্ষার্থীকে আটক
•এসএসসি পরীক্ষার প্রথম দিনে অনুপস্থিত ছিলো প্রায় ২৫ হাজার শিক্ষার্থী
•মুক্তি পাওয়ার আগেই ২৫০ কোটি টাকা আয় করেছে ‘কিং’ সিনেমা
•এই সপ্তাহেই তৈরি হবে এইচএসসি পরীক্ষার রুটিন : শিক্ষামন্ত্রী
•বাংলাদেশের ‘আলী’ জার্মানিতে পুরস্কার জিতল
•ইতালির রাষ্ট্রদূতের সাথে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠক: দক্ষ কর্মী নিতে আগ্রহী ইতালি
• যৌন হয়রানি নিয়ে বিরূপ মন্তব্য করে বিপাকে অভিনেত্রী হানসিকা মোতওয়ানি
•ঠাকুরগাঁওয়ে উৎসবমুখর পরিবেশে শুরু হলো এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা
•মে দিবসে মঞ্চে আসছে আরণ্যকের ‘রাঢ়াঙ’


নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় রাজাপুর গুদারাঘাটের ইজারার সিডিউল (দরপত্র) দাখিল করাকে কেন্দ্র করে বিএনপি এবং জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা-কর্মীদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল, ২০২৬) প্রকাশ্য দিবালোকে, সদর উপজেলা পরিষদ চত্বরে সংঘটিত এই ঘটনায় উভয় পক্ষের অন্তত ৫ জন আহত হয়েছেন।
সদর উপজেলা পরিষদ সূত্রে জানা গেছে, রাজাপুর গুদারাঘাটের অস্থায়ী ইজারা প্রদানের জন্য দরপত্র দাখিলের শেষ দিন ছিল মঙ্গলবার। দুপুর নাগাদ দরপত্র জমা দিতে আসেন বক্তাবলী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি নজরুল ইসলাম এবং এনসিপির জেলা আহ্বায়ক যুবাইর আহমেদ সরদার। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সিডিউল দাখিলের সময় পুলিশের উপস্থিতিতেই দুই পক্ষের নেতা-কর্মীদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি ও ধাক্কাধাক্কি শুরু হয়। এক পর্যায়ে তা ব্যাপক সংঘর্ষে রূপ নিলে পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
এনসিপির আহ্বায়ক যুবাইর আহমেদ সরদার অভিযোগ করে বলেন, আমরা নিয়ম অনুযায়ী সিডিউল দাখিল করতে গিয়েছিলাম। কিন্তু বিএনপির নজরুল ও তার লোকজন আমাদের নেতা-কর্মীদের বাধা প্রদান করে। আমরা কেবল নিজেদের রক্ষা করতে তাদের প্রতিহত করেছি।
অন্যদিকে অভিযোগ অস্বীকার করে বিএনপি নেতা নজরুল ইসলাম বলেন, আমরা কাউকে বাধা দেইনি। তারা উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে পরিস্থিতি কে উত্তপ্ত করে আমাদের ওপর চড়াও হয়েছে এবং মারামারির পরিবেশ তৈরি করেছে।
ফতুল্লা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাহবুব আলম এ বিষয়ে জানান, সিডিউল দাখিল নিয়ে দুই গ্রুপের মধ্যে উত্তেজনার খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ব্যবস্থা নেয়। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।
সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) এসএম ফয়েজ উদ্দিন জানান, রাজাপুর গুদারাঘাটের অস্থায়ী ইজারার জন্য ৩১ লাখ ৭০ হাজার ৭৫০ টাকা প্রাক্কলিত মূল্যে দরপত্র আহ্বান করা হয়েছিল। অফিসের বাইরের উত্তেজনার বিষয়ে তিনি বলেন, অফিসের বাইরে কারা বিরোধে জড়িয়েছে তা আমাদের দেখার বিষয় নয়।
এইদিকে নির্ধারিত সময়ে ইজারার সিডিউল (দরপত্র) মোট ৪ জন সিডিউল দাখিল করেছেন। মূল্যায়ন কমিটি আগামী ৩ কার্যদিবসের মধ্যে সর্বোচ্চ দরদাতার নাম ঘোষণা করবে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের জন্য জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের ১৩ সদস্যের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে।
সোমবার (২০ এপ্রিল) সন্ধ্যায় জোটের পক্ষ থেকে এ তালিকা চূড়ান্ত করা হয়।
দলভিত্তিক হিসাবে জামায়াতে ইসলামী পেয়েছে নয়টি আসন, এনসিপি দুটি, জাগপা একটি এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস একটি আসন পেয়েছে। জামায়াতে ইসলামী থেকে জুলাই শহীদ পরবার থেকে একজনকে রাখা হয়েছে।
১। কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের সেক্রেটারি নূরুন্নিসা সিদ্দীকা
২। সহকারী সেক্রেটারি মারজিয়া বেগম
৩। আইন ও মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক সাবিকুন নাহার মুন্নি
৪। ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির শিক্ষক ও মহিলা বিভাগের সদস্য মারদিয়া মমতাজ
৫। মহিলা বিভাগের সদস্য নাজমুন নাহার নীলু
৬। সিলেটের নেত্রী মাহফুজা সিদ্দিকা
৭। বগুড়ার নেত্রী ও সাবেক উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান সাজেদা সামাদ
৮। খুলনা মহানগরীর সেক্রেটারি সামসুন নাহার
৯। এনসিপির নারী সংগঠন ‘জাতীয় নারীশক্তি’র আহ্বায়ক মনিরা শারমিন
১০। নারীশক্তির সদস্য সচিব মাহমুদা আলম মিতু
১১। জাগপার চেয়ারম্যান তাসমিয়া প্রধান
১২। বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের নারী মজলিসের সদস্য মাহবুবা হাকিম
১৩। জুলাই শহীদ শিশু জাবির ইব্রাহিমের মা রোকেয়া বেগম

রাজনৈতিক অতীতের চেয়ে বর্তমান আদর্শ ও পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তিকে প্রাধান্য দিয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টিতে (এনসিপি) যোগদানের সুযোগ রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন দলের আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। এমনকি যারা ছাত্রলীগে ছিলেন কিন্তু কোনো অপরাধে জড়াননি, তাদের জন্য এনসিপির দরজা খোলা থাকবে বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।
রোববার (১৯ এপ্রিল) রাজধানীর বাংলামোটরে দলের অস্থায়ী কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সংগঠন থেকে নেতাকর্মীদের এনসিপিতে যোগদান উপলক্ষে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
নাহিদ ইসলাম স্পষ্ট করে বলেন, অতীতে কে ছাত্রদল, ছাত্রশিবির, ছাত্র অধিকার পরিষদ বা ছাত্রলীগ করেছে, সেটি আমাদের কাছে মুখ্য নয়। আজ থেকে যারা এনসিপিতে আসবে, তারা দলের নতুন আদর্শ ধারণ করে কাজ করবে। তবে দলে অন্তর্ভুক্তির ক্ষেত্রে কঠোর সতর্কবার্তা দিয়ে তিনি জানান, যারা ফ্যাসিবাদে সরাসরি অংশগ্রহণ করেছে, গণহত্যার সঙ্গে জড়িত বা সমর্থনকারী এবং চাঁদাবাজি ও দুর্নীতিতে অভিযুক্ত, তাদের কোনোভাবেই এনসিপিতে জায়গা দেওয়া হবে না।
বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতির সমালোচনা করে এনসিপি’র আহ্বায়ক বলেন, সরকার সংস্কার ও গণভোটের মাধ্যমে প্রাপ্ত সম্ভাবনাগুলোকে নষ্ট করে দিচ্ছে। তিনি অভিযোগ করেন, নির্বাচনের মাধ্যমে কেবল ক্ষমতার হাতবদল হয়েছে, কিন্তু কাঠামোগত কোনো পরিবর্তন আসেনি। দেশে সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজি বাড়ছে দাবি করে তিনি জনগণের রায় প্রতিষ্ঠায় একটি শক্তিশালী বিকল্প রাজনৈতিক শক্তি গড়ে তোলার ওপর জোর দেন।

রাজধানীতে জ্বালানি তেলের সংকট নিয়ে সরকারকে কঠোর ভাষায় সমালোচনা করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।
রোববার দুপুরে বাংলামোটরে দলের অস্থায়ী কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি অভিযোগ করেন, সরকার পরিকল্পিতভাবে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে তেলের দাম বাড়িয়েছে। নাহিদ ইসলাম বলেন, শুরু থেকেই সরকার জানিয়েছে দেশে পর্যাপ্ত তেলের মজুত রয়েছে। কিন্তু বাস্তবে তেল পেতে পাম্পগুলোতে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়াতে হয়েছে সাধারণ মানুষকে। এমনকি তেল সংকট দেখিয়ে গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রমও বন্ধ করা হয়েছে।
তিনি দাবি করেন, মানুষের ভোগান্তি বাড়িয়ে এমন এক পরিস্থিতি তৈরি করা হয়েছে, যেখানে বেশি দাম হলেও মানুষ তেল কিনতে বাধ্য হয়। এর পেছনে সিন্ডিকেটের ভূমিকা রয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। তার ভাষায়, সরকারের প্রশ্রয় বা অংশগ্রহণ ছাড়া এমন ঘটনা সম্ভব নয়। সংবাদ সম্মেলনে সরকারে স্বচ্ছতার অভাবের কথাও তুলে ধরেন নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেন, বর্তমান সরকার বিভিন্ন ইস্যুতে প্রতিক্রিয়াশীল আচরণ করছে এবং জবাবদিহিমূলক শাসন নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হচ্ছে।বাক্স্বাধীনতা নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি। অভিযোগ করেন, সমালোচনামূলক মত প্রকাশের কারণে মানুষকে গ্রেপ্তার করা হচ্ছে, যা গণতান্ত্রিক পরিবেশের জন্য হুমকি।
আন্তর্জাতিক কূটনীতি নিয়েও প্রশ্ন তোলেন এনসিপির আহ্বায়ক। ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মৃত্যুর পর বাংলাদেশের পক্ষ থেকে যথাযথ প্রতিক্রিয়া না থাকায় তিনি অসন্তোষ প্রকাশ করেন। একইসঙ্গে দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি অবনতির দিকেও ইঙ্গিত করে নাহিদ ইসলাম বলেন, জাতীয় ঐক্য ও রাজনৈতিক সমঝোতা ছাড়া এ সংকট মোকাবিলা সম্ভব নয়।
সংবাদ সম্মেলনে আরও জানানো হয়, বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সংগঠনের ৪৪ জন নেতা কর্মী এনসিপিতে যোগ দিয়েছেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দলের মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া এবং উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম।

২০১৮ সালের ঐতিহাসিক কোটা সংস্কার আন্দোলনের অন্যতম আলোচিত নেত্রী লুৎফুন্নাহার লুমা গন অধিকার পরিষদ এবং এনসিপিকে নিয়ে সম্প্রতি একটা ফেসবুক পোস্ট করেছেন।তিনি আক্ষেপ করে বলেছেন খারাপ সময়ে দল ত্যাগ করে সুবিধামতো যায়গা বেচে নেওয়া বিশ্বাসঘাতকতা ছাড়া কিছু না।
তিনি আওয়ামীলীগের সময়ে গন অধিকার পরিষদের লড়াই-সংগ্রাম করে টিকে থাকা নিয়েও বলেছেন।তরুণদের এই দুই দলের বেশীরভাগ নেতাকর্মী গন অধিকার পরিষদের রাজনীতিতে জড়িত ছিলো।৫ ই আগষ্টের পর অনেকেই এনসিপিতে যুক্ত হয়েছেন।
লুমা আরও বলেছেন, এখন জোট না হলেও ভবিষ্যতে এই দুই দলের জোট হতে পারে।তবে তাদের মধ্যে বিভাজন এবং একে অপরকে যে ভাষায় আক্রমণ করে সমালোচনা করেছে তা নিয়ে লুমা হতাশা প্রাকাশ করেছেন তবে তিনি বিশ্বাস করেন গন অধিকার পরিষদ খারাপ সময় পার করলেও দ্রুতই দল গুছিয়ে নিতে পারবেন এবং বাংলাদেশের রাজনীতিতে গন অধিকার পরিষদ এখনো প্রাসঙ্গিক।
তার ফেসবুক পোস্টের কিছু অংশ তুলে ধরা হলো,
২৮ ফেব্রুয়ারি রাজনৈতিক দল হিসেবে নাগরিক পার্টি আত্মপ্রকাশ করে।
সেই দিন টা ছিলো গণঅধিকার পরিষদের জন্য সব থেকে ট্রাজেডির একটা দিন।
অনেক নেতাকর্মী আমজনতা পার্টি এবং গণঅধিকার পরিষদ থেকে নাগরিক পার্টিতে যোগ দেয়।
ইতিহাসের স্বাক্ষী হতে আমিও মানিকমিঞায় গিয়েছিলাম।
ভেতরে ঢুকতে আতা ভাই কে লাস্ট কল দিলে সে তখন ও বলেছিল চলে আসো কমিটিতে নাম দিয়ে দেই।
শহীদ পরিবারের পাশাপাশি ১৮ তে কোটা আন্দোলনের অনেক সহযোদ্ধার সাথে দেখা হয়েছিল।
সবাই দেখতে এসেছে।
কেউ বা যোগ দিতে।
সেদিনের মতো হতাশ কখনো লাগেনি আমার।
এমন অনেকের নাম দেখেছিলাম যারা তার লিস্ট প্রকাশের কয়েক মিনিট আগেও স্বীকার পর্যন্ত করেনি NCP তে যোগ দিচ্ছে।
সুদিন দেখে NCP তে যোগ দেওয়া দেখে মনে হচ্ছিলো, এর চাইতে বড় বিশ্বাসঘাতকতা আর কিছু হতে পারে না।
যদিও রাজনীতি তে এগুলো স্বাভাবিক।
১৮ এর আন্দোলনের মাধ্যমে যে পরিচিত পেয়েছিলাম।
সেই পরিচিত নিয়ে রাজনীতি করলেই জাতীয় নেতা থাকতাম।
যেহেতু কোন রাজনৈতিক দলের সাথে ছিলাম না,সেহেতু ১৮ এর আন্দোলনের মাধ্যমে গড়ে ওঠা দল ই আমার শেকড় ছিলো।
সবাই শেকড় ছাড়তে পারে না।
রাজনীতি তে যুক্ত না হলেও কখনো গণঅধিকারের বাইরে অন্য কোন দলের রাজনীতি করবো,
এই সিদ্ধান্ত আমি ভবিষ্যতে ও নিতে পারবো না।
১৮ কিংবা ২৪ কোন আন্দোলনের পরেই আমার সিদ্ধান্তের পরিবর্তন হয়নি।
বরং এক সময় যারা আমাকে গণঅধিকারের রাজনীতি তে যুক্ত হতে পা ধরা বাদ রেখেছিল।
তারা এখন অন্য রাজনৈতিক দলে যুক্ত হয়ে সারাদিন এদের গালাগালি করে।
এই সাইন্স টা ই বুঝিনা আমি।
স্বার্থ শেষ হলে সম্ভবত মানুষ এমন ই হয়।
এনসিপি আর গণঅধিকার আলাদা জোটে গেছে।
তাদের নেতাকর্মীদের মধ্যে অনেক কথা-কাটাকাটি সমালোচনা হয়।
কিন্তু রাজনীতি তে শেষ বলে কোন কথা নেই।
ভবিষ্যতে এরা যে এক সাথে জোট করবে না, তার কোন নিশ্চয়তা নেই।
নইলে দীর্ঘ ২৪ বছর রাজনৈতিক জোটে থেকে এখন বিএনপি জামাত একে অন্যের শত্রু।
অথচ ২০০৮,২০১৪,২০১৮,২০২৪ বিএনপি জামাত জোট হয়ে নির্বাচনে অংশ নিয়েছে।
নির্বাচন বয়কট ও করেছে।
২০১৮ সালে ধানেরশীষ প্রতীকে জামাত নির্বাচনে অংশ নিয়েছিল।
অথচ এখন এই দুই দলের দিকে তাকালে মনে হয় সাপে নেউলে সম্পর্ক।
অথচ এত বড় দলের সাথে দীর্ঘ সময়ের রাজনৈতিক জোট বাংলাদেশের ইতিহাসে বিরল ঘটনা ।
যে সময়ে কেউ কথা বলতে সাহস পেত না।
সেই সময় টা গণঅধিকার কথা বলতো।
তাদের সাথে অন্যান্য রাজনৈতিক দল মিলে আন্দোলন সংগ্রাম করতো।
গণঅধিকার পরিষদের নেতারা ও যে ভুলের ঊর্ধ্বে না সেটাও জানি।
তাদের ও রাজনৈতিক অনেক ভুল আছে।
কিন্তু যে দল টা শেখ হাসিনার আমলে টিকে গেছে আর শেষ এনসিপির আত্মপ্রকাশেও টিকে গেছে।
এদের সহজে কেউ চাইলেই ধ্বংস করে দিতে পারবে না।
হয়তো গণঅধিকারের সময় টা এখন ভালো যাচ্ছে না।
কিন্তু আজীবন এমন থাকবে তাও না।
নতুন করে দল গুছিয়ে নেওয়া যাবে।
সুসময়ে দল কে বিপদে ফেলে যারা চলে গেছে।
তারাও জানে গণঅধিকার শেষ হয়ে যাবে না।
একদিন ঠিক ই আবার ঘুরে দাঁড়াবে।
৫ আগষ্টের পরে নুরুল হক নুরের উপর হা/মলা করে তাকে হ/ত্যা চেষ্টা ও দলের নেতাকর্মীদের মনে থাকবে।
আর যারা এখন আওয়ামিলীগ স্টাইলে ট্রল করে, গা/লা/গা/লি করে।
এরা ৫ আগষ্টের আগে সেম কাজ আওয়ামিলীগের সাথে করলে ওরা এতদিন মানুষ কে জিম্মি করে রাখতে পারত না।
সেই সময় প্রকাশ্যে রাজনীতি করতে হলে জান হাতে নিয়েই করা লাগতো।
প্রত্যেক টা বক্তব্য আর কথার জন্য জবাবদিহি করতে হতো।
অথচ ৫ আগষ্টের পরে কথা বলা মানুষদের সাথে এটা ঘটছে না।
বরং ৫ আগষ্টের রাজনীতি তে গালাগালি আর অন্যের সম্মানহানি ঘটানোর সংস্কৃতি তৈরি হয়েছে।
কারো রাজনৈতিক মতাদর্শের বাইরে গেলেই দালাল।
আপনার রাজনৈতিক মতাদর্শ থাকতে পারলে অন্যের কেন থাকবে না?
কেউ জামাত পছন্দ করবে কেউ বিএনপি,কেউ গণঅধিকার আবার কেউ এনসিপি।
ঠিক সেভাবে ই কেউ আওয়ামিলীগ।
গা/লা/গা/লি আর নোংরামি করে তো কারো রাজনৈতিক মতাদর্শ পরিবর্তন করা যাবে না।
তাহলে এত ঘৃণা ছড়িয়ে লাভ কি?
আমার আসলেই আশ্চর্য লাগে দুইটা দল এত দীর্ঘ দিন জোটে থেকে। আন্দোলন সংগ্রাম করে মাত্র বছর খানেক আগ থেকে, আওয়ামিলীগের অনুপস্থিতিতে নিজেদের প্রতিপক্ষ হয়ে গেছে ।
পাশাপাশি তরুণ রাজনৈতিক দল যারা তাদের সাথে জোটে যায়নি,তাদের বিশ্রী ভাষায়
গা/লা/গা/লি করে, হেয় করতে সব রকম চেষ্টা করে।
এসব দেখে আমার মাঝেমধ্যে ই হতাশ লাগে।
মনে হয় এদেশের রাজনৈতিক পরিবেশ সুস্থ হবে না।
অসুস্থ ই থেকে যাবে।২০১৮ সালের ঐতিহাসিক কোটা সংস্কার আন্দোলনের অন্যতম আলোচিত নেত্রী লুৎফুন্নাহার লুমা গন অধিকার পরিষদ এবং এনসিপিকে নিয়ে সম্প্রতি একটা ফেসবুক পোস্ট করেছেন।তিনি আক্ষেপ করে বলেছেন খারাপ সময়ে দল ত্যাগ করে সুবিধামতো যায়গা বেচে নেওয়া বিশ্বাসঘাতকতা ছাড়া কিছু না।
তিনি আওয়ামীলীগের সময়ে গন অধিকার পরিষদের লড়াই-সংগ্রাম করে টিকে থাকা নিয়েও বলেছেন।তরুণদের এই দুই দলের বেশীরভাগ নেতাকর্মী গন অধিকার পরিষদের রাজনীতিতে জড়িত ছিলো।৫ ই আগষ্টের পর অনেকেই এনসিপিতে যুক্ত হয়েছেন।
লুমা আরও বলেছেন, এখন জোট না হলেও ভবিষ্যতে এই দুই দলের জোট হতে পারে।তবে তাদের মধ্যে বিভাজন এবং একে অপরকে যে ভাষায় আক্রমণ করে সমালোচনা করেছে তা নিয়ে লুমা হতাশা প্রাকাশ করেছে।তবে তিনি বিশ্বাস করেন গন অধিকার পরিষদ খারাপ সময় পার করলেও দ্রুতই দল গুছিয়ে নিতে পারবেন এবং বাংলাদেশের রাজনীতিতে গন অধিকার পরিষদ এখনো প্রাসঙ্গিক।
তার ফেসবুক পোস্টের কিছু অংশ তিলে ধরা হলো,
২৮ ফেব্রুয়ারি রাজনৈতিক দল হিসেবে নাগরিক পার্টি আত্মপ্রকাশ করে।
সেই দিন টা ছিলো গণঅধিকার পরিষদের জন্য সব থেকে ট্রাজেডির একটা দিন।
অনেক নেতাকর্মী আমজনতা পার্টি এবং গণঅধিকার পরিষদ থেকে নাগরিক পার্টিতে যোগ দেয়।
ইতিহাসের স্বাক্ষী হতে আমিও মানিকমিঞায় গিয়েছিলাম।
ভেতরে ঢুকতে আতা ভাই কে লাস্ট কল দিলে সে তখন ও বলেছিল চলে আসো কমিটিতে নাম দিয়ে দেই।
শহীদ পরিবারের পাশাপাশি ১৮ তে কোটা আন্দোলনের অনেক সহযোদ্ধার সাথে দেখা হয়েছিল।
সবাই দেখতে এসেছে।
কেউ বা যোগ দিতে।
সেদিনের মতো হতাশ কখনো লাগেনি আমার।
এমন অনেকের নাম দেখেছিলাম যারা তার লিস্ট প্রকাশের কয়েক মিনিট আগেও স্বীকার পর্যন্ত করেনি NCP তে যোগ দিচ্ছে।
সুদিন দেখে NCP তে যোগ দেওয়া দেখে মনে হচ্ছিলো, এর চাইতে বড় বিশ্বাসঘাতকতা আর কিছু হতে পারে না।
যদিও রাজনীতি তে এগুলো স্বাভাবিক।
১৮ এর আন্দোলনের মাধ্যমে যে পরিচিত পেয়েছিলাম।
সেই পরিচিত নিয়ে রাজনীতি করলেই জাতীয় নেতা থাকতাম।
যেহেতু কোন রাজনৈতিক দলের সাথে ছিলাম না,সেহেতু ১৮ এর আন্দোলনের মাধ্যমে গড়ে ওঠা দল ই আমার শেকড় ছিলো।
সবাই শেকড় ছাড়তে পারে না।
রাজনীতি তে যুক্ত না হলেও কখনো গণঅধিকারের বাইরে অন্য কোন দলের রাজনীতি করবো,
এই সিদ্ধান্ত আমি ভবিষ্যতে ও নিতে পারবো না।
১৮ কিংবা ২৪ কোন আন্দোলনের পরেই আমার সিদ্ধান্তের পরিবর্তন হয়নি।
বরং এক সময় যারা আমাকে গণঅধিকারের রাজনীতি তে যুক্ত হতে পা ধরা বাদ রেখেছিল।
তারা এখন অন্য রাজনৈতিক দলে যুক্ত হয়ে সারাদিন এদের গালাগালি করে।
এই সাইন্স টা ই বুঝিনা আমি।
স্বার্থ শেষ হলে সম্ভবত মানুষ এমন ই হয়।
এনসিপি আর গণঅধিকার আলাদা জোটে গেছে।
তাদের নেতাকর্মীদের মধ্যে অনেক কথা-কাটাকাটি সমালোচনা হয়।
কিন্তু রাজনীতি তে শেষ বলে কোন কথা নেই।
ভবিষ্যতে এরা যে এক সাথে জোট করবে না, তার কোন নিশ্চয়তা নেই।
নইলে দীর্ঘ ২৪ বছর রাজনৈতিক জোটে থেকে এখন বিএনপি জামাত একে অন্যের শত্রু।
অথচ ২০০৮,২০১৪,২০১৮,২০২৪ বিএনপি জামাত জোট হয়ে নির্বাচনে অংশ নিয়েছে।
নির্বাচন বয়কট ও করেছে।
২০১৮ সালে ধানেরশীষ প্রতীকে জামাত নির্বাচনে অংশ নিয়েছিল।
অথচ এখন এই দুই দলের দিকে তাকালে মনে হয় সাপে নেউলে সম্পর্ক।
অথচ এত বড় দলের সাথে দীর্ঘ সময়ের রাজনৈতিক জোট বাংলাদেশের ইতিহাসে বিরল ঘটনা ।
যে সময়ে কেউ কথা বলতে সাহস পেত না।
সেই সময় টা গণঅধিকার কথা বলতো।
তাদের সাথে অন্যান্য রাজনৈতিক দল মিলে আন্দোলন সংগ্রাম করতো।
গণঅধিকার পরিষদের নেতারা ও যে ভুলের ঊর্ধ্বে না সেটাও জানি।
তাদের ও রাজনৈতিক অনেক ভুল আছে।
কিন্তু যে দল টা শেখ হাসিনার আমলে টিকে গেছে আর শেষ এনসিপির আত্মপ্রকাশেও টিকে গেছে।
এদের সহজে কেউ চাইলেই ধ্বংস করে দিতে পারবে না।
হয়তো গণঅধিকারের সময় টা এখন ভালো যাচ্ছে না।
কিন্তু আজীবন এমন থাকবে তাও না।
নতুন করে দল গুছিয়ে নেওয়া যাবে।
সুসময়ে দল কে বিপদে ফেলে যারা চলে গেছে।
তারাও জানে গণঅধিকার শেষ হয়ে যাবে না।
একদিন ঠিক ই আবার ঘুরে দাঁড়াবে।
৫ আগষ্টের পরে নুরুল হক নুরের উপর হা/মলা করে তাকে হ/ত্যা চেষ্টা ও দলের নেতাকর্মীদের মনে থাকবে।
আর যারা এখন আওয়ামিলীগ স্টাইলে ট্রল করে, গা/লা/গা/লি করে।
এরা ৫ আগষ্টের আগে সেম কাজ আওয়ামিলীগের সাথে করলে ওরা এতদিন মানুষ কে জিম্মি করে রাখতে পারত না।
সেই সময় প্রকাশ্যে রাজনীতি করতে হলে জান হাতে নিয়েই করা লাগতো।
প্রত্যেক টা বক্তব্য আর কথার জন্য জবাবদিহি করতে হতো।
অথচ ৫ আগষ্টের পরে কথা বলা মানুষদের সাথে এটা ঘটছে না।
বরং ৫ আগষ্টের রাজনীতি তে গালাগালি আর অন্যের সম্মানহানি ঘটানোর সংস্কৃতি তৈরি হয়েছে।
কারো রাজনৈতিক মতাদর্শের বাইরে গেলেই দালাল।
আপনার রাজনৈতিক মতাদর্শ থাকতে পারলে অন্যের কেন থাকবে না?
কেউ জামাত পছন্দ করবে কেউ বিএনপি,কেউ গণঅধিকার আবার কেউ এনসিপি।
ঠিক সেভাবে ই কেউ আওয়ামিলীগ।
গা/লা/গা/লি আর নোংরামি করে তো কারো রাজনৈতিক মতাদর্শ পরিবর্তন করা যাবে না।
তাহলে এত ঘৃণা ছড়িয়ে লাভ কি?
আমার আসলেই আশ্চর্য লাগে দুইটা দল এত দীর্ঘ দিন জোটে থেকে। আন্দোলন সংগ্রাম করে মাত্র বছর খানেক আগ থেকে, আওয়ামিলীগের অনুপস্থিতিতে নিজেদের প্রতিপক্ষ হয়ে গেছে ।
পাশাপাশি তরুণ রাজনৈতিক দল যারা তাদের সাথে জোটে যায়নি,তাদের বিশ্রী ভাষায়
গা/লা/গা/লি করে, হেয় করতে সব রকম চেষ্টা করে।
এসব দেখে আমার মাঝেমধ্যে ই হতাশ লাগে।
মনে হয় এদেশের রাজনৈতিক পরিবেশ সুস্থ হবে না।
অসুস্থ ই থেকে যাবে।