•অনুমতি ছাড়া ভিডিও প্রচার করলেই জেল-জরিমানা: কন্টেন্ট ক্রিয়েটরদের জন্যে সংসদে ঘোষণা
•শুল্কমুক্ত গাড়ি ও সরকারি প্লট পাচ্ছেন না এমপিরা, সংসদে বাজেট ঘাটতি ও জনস্বার্থে ঐকমত্য
• সংরক্ষিত আসনের প্রস্তাব ফিরিয়ে দিলেন তাসনিম জারা: সংসদে গেলে জনগণের ভোটেই যাবেন তিনি
• ফতুল্লায় গুদারাঘাটের ইজারা নিয়ে বিএনপি-এনসিপি সংঘর্ষঃ আহত ৫
•অনলাইন প্রতারণার নতুন ফাঁদ: ‘বুলসুক’ কোম্পানির বিরুদ্ধে কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ, নেপথ্যে তৌহিদ-ইমন গং!
•সিন্ডিকেটের হাতে জনগণকে জিম্মি হতে দেবে না সরকার: বাণিজ্যমন্ত্রী
•গ্রাফিতিতে গুপ্ত লেখা’কে কেন্দ্র করে, চট্টগ্রাম সরকারি সিটি কলেজে ছাত্রদল-শিবির সংঘর্ষ
•স্থায়ীভাবে ইরান যুদ্ধ বন্ধের দাবিতে এবার মার্কিন সেনাদের বিক্ষোভ
•বস্ত্র ও পাট খাতে নতুন প্রাণের সঞ্চার, সচল হতে যাচ্ছে বন্ধ মিলগুলোঃ বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী
• মনের মানুষ খুঁজতে কক্সবাজার গেলেন হিরো আলম
•পার্বত্য মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান এমপি’র সাথে কানাডিয়ান হাইকমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাৎকার
•(ঢামেক) ছাত্রী কমন রুম থেকে এপ্রোন ও স্টেথোস্কোপসহ এক ভুয়া শিক্ষার্থীকে আটক
•এসএসসি পরীক্ষার প্রথম দিনে অনুপস্থিত ছিলো প্রায় ২৫ হাজার শিক্ষার্থী
•মুক্তি পাওয়ার আগেই ২৫০ কোটি টাকা আয় করেছে ‘কিং’ সিনেমা
•এই সপ্তাহেই তৈরি হবে এইচএসসি পরীক্ষার রুটিন : শিক্ষামন্ত্রী
•বাংলাদেশের ‘আলী’ জার্মানিতে পুরস্কার জিতল
•ইতালির রাষ্ট্রদূতের সাথে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠক: দক্ষ কর্মী নিতে আগ্রহী ইতালি
• যৌন হয়রানি নিয়ে বিরূপ মন্তব্য করে বিপাকে অভিনেত্রী হানসিকা মোতওয়ানি
•ঠাকুরগাঁওয়ে উৎসবমুখর পরিবেশে শুরু হলো এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা
•মে দিবসে মঞ্চে আসছে আরণ্যকের ‘রাঢ়াঙ’
•অনুমতি ছাড়া ভিডিও প্রচার করলেই জেল-জরিমানা: কন্টেন্ট ক্রিয়েটরদের জন্যে সংসদে ঘোষণা
•শুল্কমুক্ত গাড়ি ও সরকারি প্লট পাচ্ছেন না এমপিরা, সংসদে বাজেট ঘাটতি ও জনস্বার্থে ঐকমত্য
• সংরক্ষিত আসনের প্রস্তাব ফিরিয়ে দিলেন তাসনিম জারা: সংসদে গেলে জনগণের ভোটেই যাবেন তিনি
• ফতুল্লায় গুদারাঘাটের ইজারা নিয়ে বিএনপি-এনসিপি সংঘর্ষঃ আহত ৫
•অনলাইন প্রতারণার নতুন ফাঁদ: ‘বুলসুক’ কোম্পানির বিরুদ্ধে কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ, নেপথ্যে তৌহিদ-ইমন গং!
•সিন্ডিকেটের হাতে জনগণকে জিম্মি হতে দেবে না সরকার: বাণিজ্যমন্ত্রী
•গ্রাফিতিতে গুপ্ত লেখা’কে কেন্দ্র করে, চট্টগ্রাম সরকারি সিটি কলেজে ছাত্রদল-শিবির সংঘর্ষ
•স্থায়ীভাবে ইরান যুদ্ধ বন্ধের দাবিতে এবার মার্কিন সেনাদের বিক্ষোভ
•বস্ত্র ও পাট খাতে নতুন প্রাণের সঞ্চার, সচল হতে যাচ্ছে বন্ধ মিলগুলোঃ বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী
• মনের মানুষ খুঁজতে কক্সবাজার গেলেন হিরো আলম
•পার্বত্য মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান এমপি’র সাথে কানাডিয়ান হাইকমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাৎকার
•(ঢামেক) ছাত্রী কমন রুম থেকে এপ্রোন ও স্টেথোস্কোপসহ এক ভুয়া শিক্ষার্থীকে আটক
•এসএসসি পরীক্ষার প্রথম দিনে অনুপস্থিত ছিলো প্রায় ২৫ হাজার শিক্ষার্থী
•মুক্তি পাওয়ার আগেই ২৫০ কোটি টাকা আয় করেছে ‘কিং’ সিনেমা
•এই সপ্তাহেই তৈরি হবে এইচএসসি পরীক্ষার রুটিন : শিক্ষামন্ত্রী
•বাংলাদেশের ‘আলী’ জার্মানিতে পুরস্কার জিতল
•ইতালির রাষ্ট্রদূতের সাথে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠক: দক্ষ কর্মী নিতে আগ্রহী ইতালি
• যৌন হয়রানি নিয়ে বিরূপ মন্তব্য করে বিপাকে অভিনেত্রী হানসিকা মোতওয়ানি
•ঠাকুরগাঁওয়ে উৎসবমুখর পরিবেশে শুরু হলো এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা
•মে দিবসে মঞ্চে আসছে আরণ্যকের ‘রাঢ়াঙ’


এর আগে, সংরক্ষিত নারী আসনের মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছিলেন সংগীতশিল্পী বেবী নাজনীন, রিজিয়া পারভীন, কনকচাঁপা, নৃত্যশিল্পী ফারহানা চৌধুরী বেবী এবং মডেল ও অভিনেত্রী রুকাইয়া জাহান চমক। রাজপথে তাদের সক্রিয় উপস্থিতি থাকলেও শেষ পর্যন্ত দলের পরীক্ষিত নেত্রীদের ওপরই আস্থা রেখেছে বিএনপির মনোনয়ন বোর্ড। আর তারকাদের বাদ পড়ার এই বিষয়টি নিয়েই এবার নিজের স্বভাবসুলভ ভঙ্গিতে খোঁচা দিলেন শাহরিয়ার নাজিম জয়।
বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কটাক্ষ করেছেন অভিনেতা ও উপস্থাপক শাহরিয়ার নাজিম জয়। চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের পর নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি লেখেন, ‘বিএনপি বুঝিয়ে দিল বন্যেরা বনে সুন্দর শিশুরা মাতৃক্রোড়ে।’
জয়ের এই মন্তব্য প্রকাশের পরই তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। তার বক্তব্য ঘিরে তৈরি হয়েছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া। অনেকেই জয়ের এই রূপক মন্তব্যের সঙ্গে একমত পোষণ করছেন, আবার কেউ কেউ বিষয়টিকে শিল্পীদের জন্য অবমাননাকর বলেও মনে করছেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে নোয়াখালী-৬ থেকে নির্বাচন করে জয়লাভ করেন হান্নান মাসউদ।তার বিজয় মিছিলে হার্ট অ্যাটাক করেন স্থানীয় বাসিন্দা রাকিব।তিনি পেশায় ছিলেন একজন জেলে।তার পরিবার তারে হাসপাতালে ভর্তি করায়।
সম্প্রতি এ-বিষয়ে হান্নান মাউসুদের ঘনিষ্ঠ মিরাজ নামের একজন ফেসবুক পোস্ত করেছেন।তিনি বলেছে,রাকিব অসুস্থ হওয়ার পরে তারে হাসপাতালে ভর্তি করালে ওটি পাচ্ছিলো না।তখন রাকিব তারে এমপিকে জানাতে বলছে।এমপিকে জানানো হলেও তিনি কোনো পদক্ষেপ নেয়নি।
মিরাজ নামের ঐ যুবক বলেন, আমি মিরাজ তারে অনুরোধ করেও তার মূল্য পাই নাই।তাহলে সাধারণ মানুষের কি অবস্থা আপনারা ভালো বুঝেন।তারে বারবার অনুরোধ করা হলেও তিনি একবার আসার সময় পাননি।
মিরাজ বলেন,এখন আর আসতে হবে না।মিরাজ আর আমাদের মাঝে নেই তিনি অসুস্থা আর আক্ষেপ নিয়েই মৃত্যু বরণ করেছেন।
এ নিয়ে নেটিজেনদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে।একজন বলেছেন ক্ষমতায় গেলে কেহ অতীত মনে রাখে না।
সজিব বলেছেন,একটা বিষয় প্রমাণ হলো রাজনীতিতে জনগণের মূল্য শুধু নির্বাচন পর্যন্ত।এরপর আর জনগণের কোনো দাবি থাকে না কোনো মূল্য থাকে না।

বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনের তালিকা প্রকাশের পর ফের আলোচনায় কণ্ঠশিল্পী কনকচাঁপা।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংরক্ষিত নারী আসনের ৩৬ জনের নাম ঘোষণা করেছে বিএনপি। সোমবার দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে তালিকা প্রকাশ করেন সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তালিকায় স্থান পেয়েছেন তরুণ, ত্যাগী ও অভিজ্ঞ নেত্রীরা। তবে মনোনয়ন না পেয়ে বাদ পড়েছেন আলোচনায় থাকা অনেকেই। তাদের মধ্যে অন্যতম কণ্ঠশিল্পী কনকচাঁপা।
মনোনয়ন প্রত্যাশী এই শিল্পী সরাসরি নির্বাচনে অংশ নিতে চেয়েছিলেন আগে থেকেই। পরে সংরক্ষিত নারী আসনে সুযোগ পাওয়ার আশাও করেছিলেন তিনি। তবে শেষ পর্যন্ত মনোনয়ন না পেয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে এক আবেগঘন প্রতিক্রিয়া জানান। নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে কনকচাঁপা বলেন, জীবনের সব পরিস্থিতিতেই তিনি আল্লাহর সিদ্ধান্ত মেনে নিয়েছেন। জাতীয় নির্বাচন কিংবা সংরক্ষিত আসন কোথাও মনোনয়ন না পেলেও তিনি হতাশ নন।
তিনি আরও বলেন, গ্রামের মানুষের চাহিদা থেকেই রাজনীতিতে আসার চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু দল তাকে মূল্যায়ন করেনি বলে ইঙ্গিত দেন তিনি। পোস্টে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে এই শিল্পী বলেন, তিনি দেশের জন্য কাজ করতে চান। গান ছাড়াও দেশের প্রতি তার অনেক দায়বদ্ধতা রয়েছে। শেষে দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়ে কনকচাঁপা জানান, দেশের জন্য, মানুষের জন্য তিনি কাজ করে যেতে চান।
এই ঘটনায় রাজনৈতিক অঙ্গনের পাশাপাশি সামাজিক মাধ্যমেও শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা।

২০১৮ সালের ঐতিহাসিক কোটা সংস্কার আন্দোলনের অন্যতম আলোচিত নেত্রী লুৎফুন্নাহার লুমা গন অধিকার পরিষদ এবং এনসিপিকে নিয়ে সম্প্রতি একটা ফেসবুক পোস্ট করেছেন।তিনি আক্ষেপ করে বলেছেন খারাপ সময়ে দল ত্যাগ করে সুবিধামতো যায়গা বেচে নেওয়া বিশ্বাসঘাতকতা ছাড়া কিছু না।
তিনি আওয়ামীলীগের সময়ে গন অধিকার পরিষদের লড়াই-সংগ্রাম করে টিকে থাকা নিয়েও বলেছেন।তরুণদের এই দুই দলের বেশীরভাগ নেতাকর্মী গন অধিকার পরিষদের রাজনীতিতে জড়িত ছিলো।৫ ই আগষ্টের পর অনেকেই এনসিপিতে যুক্ত হয়েছেন।
লুমা আরও বলেছেন, এখন জোট না হলেও ভবিষ্যতে এই দুই দলের জোট হতে পারে।তবে তাদের মধ্যে বিভাজন এবং একে অপরকে যে ভাষায় আক্রমণ করে সমালোচনা করেছে তা নিয়ে লুমা হতাশা প্রাকাশ করেছেন তবে তিনি বিশ্বাস করেন গন অধিকার পরিষদ খারাপ সময় পার করলেও দ্রুতই দল গুছিয়ে নিতে পারবেন এবং বাংলাদেশের রাজনীতিতে গন অধিকার পরিষদ এখনো প্রাসঙ্গিক।
তার ফেসবুক পোস্টের কিছু অংশ তুলে ধরা হলো,
২৮ ফেব্রুয়ারি রাজনৈতিক দল হিসেবে নাগরিক পার্টি আত্মপ্রকাশ করে।
সেই দিন টা ছিলো গণঅধিকার পরিষদের জন্য সব থেকে ট্রাজেডির একটা দিন।
অনেক নেতাকর্মী আমজনতা পার্টি এবং গণঅধিকার পরিষদ থেকে নাগরিক পার্টিতে যোগ দেয়।
ইতিহাসের স্বাক্ষী হতে আমিও মানিকমিঞায় গিয়েছিলাম।
ভেতরে ঢুকতে আতা ভাই কে লাস্ট কল দিলে সে তখন ও বলেছিল চলে আসো কমিটিতে নাম দিয়ে দেই।
শহীদ পরিবারের পাশাপাশি ১৮ তে কোটা আন্দোলনের অনেক সহযোদ্ধার সাথে দেখা হয়েছিল।
সবাই দেখতে এসেছে।
কেউ বা যোগ দিতে।
সেদিনের মতো হতাশ কখনো লাগেনি আমার।
এমন অনেকের নাম দেখেছিলাম যারা তার লিস্ট প্রকাশের কয়েক মিনিট আগেও স্বীকার পর্যন্ত করেনি NCP তে যোগ দিচ্ছে।
সুদিন দেখে NCP তে যোগ দেওয়া দেখে মনে হচ্ছিলো, এর চাইতে বড় বিশ্বাসঘাতকতা আর কিছু হতে পারে না।
যদিও রাজনীতি তে এগুলো স্বাভাবিক।
১৮ এর আন্দোলনের মাধ্যমে যে পরিচিত পেয়েছিলাম।
সেই পরিচিত নিয়ে রাজনীতি করলেই জাতীয় নেতা থাকতাম।
যেহেতু কোন রাজনৈতিক দলের সাথে ছিলাম না,সেহেতু ১৮ এর আন্দোলনের মাধ্যমে গড়ে ওঠা দল ই আমার শেকড় ছিলো।
সবাই শেকড় ছাড়তে পারে না।
রাজনীতি তে যুক্ত না হলেও কখনো গণঅধিকারের বাইরে অন্য কোন দলের রাজনীতি করবো,
এই সিদ্ধান্ত আমি ভবিষ্যতে ও নিতে পারবো না।
১৮ কিংবা ২৪ কোন আন্দোলনের পরেই আমার সিদ্ধান্তের পরিবর্তন হয়নি।
বরং এক সময় যারা আমাকে গণঅধিকারের রাজনীতি তে যুক্ত হতে পা ধরা বাদ রেখেছিল।
তারা এখন অন্য রাজনৈতিক দলে যুক্ত হয়ে সারাদিন এদের গালাগালি করে।
এই সাইন্স টা ই বুঝিনা আমি।
স্বার্থ শেষ হলে সম্ভবত মানুষ এমন ই হয়।
এনসিপি আর গণঅধিকার আলাদা জোটে গেছে।
তাদের নেতাকর্মীদের মধ্যে অনেক কথা-কাটাকাটি সমালোচনা হয়।
কিন্তু রাজনীতি তে শেষ বলে কোন কথা নেই।
ভবিষ্যতে এরা যে এক সাথে জোট করবে না, তার কোন নিশ্চয়তা নেই।
নইলে দীর্ঘ ২৪ বছর রাজনৈতিক জোটে থেকে এখন বিএনপি জামাত একে অন্যের শত্রু।
অথচ ২০০৮,২০১৪,২০১৮,২০২৪ বিএনপি জামাত জোট হয়ে নির্বাচনে অংশ নিয়েছে।
নির্বাচন বয়কট ও করেছে।
২০১৮ সালে ধানেরশীষ প্রতীকে জামাত নির্বাচনে অংশ নিয়েছিল।
অথচ এখন এই দুই দলের দিকে তাকালে মনে হয় সাপে নেউলে সম্পর্ক।
অথচ এত বড় দলের সাথে দীর্ঘ সময়ের রাজনৈতিক জোট বাংলাদেশের ইতিহাসে বিরল ঘটনা ।
যে সময়ে কেউ কথা বলতে সাহস পেত না।
সেই সময় টা গণঅধিকার কথা বলতো।
তাদের সাথে অন্যান্য রাজনৈতিক দল মিলে আন্দোলন সংগ্রাম করতো।
গণঅধিকার পরিষদের নেতারা ও যে ভুলের ঊর্ধ্বে না সেটাও জানি।
তাদের ও রাজনৈতিক অনেক ভুল আছে।
কিন্তু যে দল টা শেখ হাসিনার আমলে টিকে গেছে আর শেষ এনসিপির আত্মপ্রকাশেও টিকে গেছে।
এদের সহজে কেউ চাইলেই ধ্বংস করে দিতে পারবে না।
হয়তো গণঅধিকারের সময় টা এখন ভালো যাচ্ছে না।
কিন্তু আজীবন এমন থাকবে তাও না।
নতুন করে দল গুছিয়ে নেওয়া যাবে।
সুসময়ে দল কে বিপদে ফেলে যারা চলে গেছে।
তারাও জানে গণঅধিকার শেষ হয়ে যাবে না।
একদিন ঠিক ই আবার ঘুরে দাঁড়াবে।
৫ আগষ্টের পরে নুরুল হক নুরের উপর হা/মলা করে তাকে হ/ত্যা চেষ্টা ও দলের নেতাকর্মীদের মনে থাকবে।
আর যারা এখন আওয়ামিলীগ স্টাইলে ট্রল করে, গা/লা/গা/লি করে।
এরা ৫ আগষ্টের আগে সেম কাজ আওয়ামিলীগের সাথে করলে ওরা এতদিন মানুষ কে জিম্মি করে রাখতে পারত না।
সেই সময় প্রকাশ্যে রাজনীতি করতে হলে জান হাতে নিয়েই করা লাগতো।
প্রত্যেক টা বক্তব্য আর কথার জন্য জবাবদিহি করতে হতো।
অথচ ৫ আগষ্টের পরে কথা বলা মানুষদের সাথে এটা ঘটছে না।
বরং ৫ আগষ্টের রাজনীতি তে গালাগালি আর অন্যের সম্মানহানি ঘটানোর সংস্কৃতি তৈরি হয়েছে।
কারো রাজনৈতিক মতাদর্শের বাইরে গেলেই দালাল।
আপনার রাজনৈতিক মতাদর্শ থাকতে পারলে অন্যের কেন থাকবে না?
কেউ জামাত পছন্দ করবে কেউ বিএনপি,কেউ গণঅধিকার আবার কেউ এনসিপি।
ঠিক সেভাবে ই কেউ আওয়ামিলীগ।
গা/লা/গা/লি আর নোংরামি করে তো কারো রাজনৈতিক মতাদর্শ পরিবর্তন করা যাবে না।
তাহলে এত ঘৃণা ছড়িয়ে লাভ কি?
আমার আসলেই আশ্চর্য লাগে দুইটা দল এত দীর্ঘ দিন জোটে থেকে। আন্দোলন সংগ্রাম করে মাত্র বছর খানেক আগ থেকে, আওয়ামিলীগের অনুপস্থিতিতে নিজেদের প্রতিপক্ষ হয়ে গেছে ।
পাশাপাশি তরুণ রাজনৈতিক দল যারা তাদের সাথে জোটে যায়নি,তাদের বিশ্রী ভাষায়
গা/লা/গা/লি করে, হেয় করতে সব রকম চেষ্টা করে।
এসব দেখে আমার মাঝেমধ্যে ই হতাশ লাগে।
মনে হয় এদেশের রাজনৈতিক পরিবেশ সুস্থ হবে না।
অসুস্থ ই থেকে যাবে।২০১৮ সালের ঐতিহাসিক কোটা সংস্কার আন্দোলনের অন্যতম আলোচিত নেত্রী লুৎফুন্নাহার লুমা গন অধিকার পরিষদ এবং এনসিপিকে নিয়ে সম্প্রতি একটা ফেসবুক পোস্ট করেছেন।তিনি আক্ষেপ করে বলেছেন খারাপ সময়ে দল ত্যাগ করে সুবিধামতো যায়গা বেচে নেওয়া বিশ্বাসঘাতকতা ছাড়া কিছু না।
তিনি আওয়ামীলীগের সময়ে গন অধিকার পরিষদের লড়াই-সংগ্রাম করে টিকে থাকা নিয়েও বলেছেন।তরুণদের এই দুই দলের বেশীরভাগ নেতাকর্মী গন অধিকার পরিষদের রাজনীতিতে জড়িত ছিলো।৫ ই আগষ্টের পর অনেকেই এনসিপিতে যুক্ত হয়েছেন।
লুমা আরও বলেছেন, এখন জোট না হলেও ভবিষ্যতে এই দুই দলের জোট হতে পারে।তবে তাদের মধ্যে বিভাজন এবং একে অপরকে যে ভাষায় আক্রমণ করে সমালোচনা করেছে তা নিয়ে লুমা হতাশা প্রাকাশ করেছে।তবে তিনি বিশ্বাস করেন গন অধিকার পরিষদ খারাপ সময় পার করলেও দ্রুতই দল গুছিয়ে নিতে পারবেন এবং বাংলাদেশের রাজনীতিতে গন অধিকার পরিষদ এখনো প্রাসঙ্গিক।
তার ফেসবুক পোস্টের কিছু অংশ তিলে ধরা হলো,
২৮ ফেব্রুয়ারি রাজনৈতিক দল হিসেবে নাগরিক পার্টি আত্মপ্রকাশ করে।
সেই দিন টা ছিলো গণঅধিকার পরিষদের জন্য সব থেকে ট্রাজেডির একটা দিন।
অনেক নেতাকর্মী আমজনতা পার্টি এবং গণঅধিকার পরিষদ থেকে নাগরিক পার্টিতে যোগ দেয়।
ইতিহাসের স্বাক্ষী হতে আমিও মানিকমিঞায় গিয়েছিলাম।
ভেতরে ঢুকতে আতা ভাই কে লাস্ট কল দিলে সে তখন ও বলেছিল চলে আসো কমিটিতে নাম দিয়ে দেই।
শহীদ পরিবারের পাশাপাশি ১৮ তে কোটা আন্দোলনের অনেক সহযোদ্ধার সাথে দেখা হয়েছিল।
সবাই দেখতে এসেছে।
কেউ বা যোগ দিতে।
সেদিনের মতো হতাশ কখনো লাগেনি আমার।
এমন অনেকের নাম দেখেছিলাম যারা তার লিস্ট প্রকাশের কয়েক মিনিট আগেও স্বীকার পর্যন্ত করেনি NCP তে যোগ দিচ্ছে।
সুদিন দেখে NCP তে যোগ দেওয়া দেখে মনে হচ্ছিলো, এর চাইতে বড় বিশ্বাসঘাতকতা আর কিছু হতে পারে না।
যদিও রাজনীতি তে এগুলো স্বাভাবিক।
১৮ এর আন্দোলনের মাধ্যমে যে পরিচিত পেয়েছিলাম।
সেই পরিচিত নিয়ে রাজনীতি করলেই জাতীয় নেতা থাকতাম।
যেহেতু কোন রাজনৈতিক দলের সাথে ছিলাম না,সেহেতু ১৮ এর আন্দোলনের মাধ্যমে গড়ে ওঠা দল ই আমার শেকড় ছিলো।
সবাই শেকড় ছাড়তে পারে না।
রাজনীতি তে যুক্ত না হলেও কখনো গণঅধিকারের বাইরে অন্য কোন দলের রাজনীতি করবো,
এই সিদ্ধান্ত আমি ভবিষ্যতে ও নিতে পারবো না।
১৮ কিংবা ২৪ কোন আন্দোলনের পরেই আমার সিদ্ধান্তের পরিবর্তন হয়নি।
বরং এক সময় যারা আমাকে গণঅধিকারের রাজনীতি তে যুক্ত হতে পা ধরা বাদ রেখেছিল।
তারা এখন অন্য রাজনৈতিক দলে যুক্ত হয়ে সারাদিন এদের গালাগালি করে।
এই সাইন্স টা ই বুঝিনা আমি।
স্বার্থ শেষ হলে সম্ভবত মানুষ এমন ই হয়।
এনসিপি আর গণঅধিকার আলাদা জোটে গেছে।
তাদের নেতাকর্মীদের মধ্যে অনেক কথা-কাটাকাটি সমালোচনা হয়।
কিন্তু রাজনীতি তে শেষ বলে কোন কথা নেই।
ভবিষ্যতে এরা যে এক সাথে জোট করবে না, তার কোন নিশ্চয়তা নেই।
নইলে দীর্ঘ ২৪ বছর রাজনৈতিক জোটে থেকে এখন বিএনপি জামাত একে অন্যের শত্রু।
অথচ ২০০৮,২০১৪,২০১৮,২০২৪ বিএনপি জামাত জোট হয়ে নির্বাচনে অংশ নিয়েছে।
নির্বাচন বয়কট ও করেছে।
২০১৮ সালে ধানেরশীষ প্রতীকে জামাত নির্বাচনে অংশ নিয়েছিল।
অথচ এখন এই দুই দলের দিকে তাকালে মনে হয় সাপে নেউলে সম্পর্ক।
অথচ এত বড় দলের সাথে দীর্ঘ সময়ের রাজনৈতিক জোট বাংলাদেশের ইতিহাসে বিরল ঘটনা ।
যে সময়ে কেউ কথা বলতে সাহস পেত না।
সেই সময় টা গণঅধিকার কথা বলতো।
তাদের সাথে অন্যান্য রাজনৈতিক দল মিলে আন্দোলন সংগ্রাম করতো।
গণঅধিকার পরিষদের নেতারা ও যে ভুলের ঊর্ধ্বে না সেটাও জানি।
তাদের ও রাজনৈতিক অনেক ভুল আছে।
কিন্তু যে দল টা শেখ হাসিনার আমলে টিকে গেছে আর শেষ এনসিপির আত্মপ্রকাশেও টিকে গেছে।
এদের সহজে কেউ চাইলেই ধ্বংস করে দিতে পারবে না।
হয়তো গণঅধিকারের সময় টা এখন ভালো যাচ্ছে না।
কিন্তু আজীবন এমন থাকবে তাও না।
নতুন করে দল গুছিয়ে নেওয়া যাবে।
সুসময়ে দল কে বিপদে ফেলে যারা চলে গেছে।
তারাও জানে গণঅধিকার শেষ হয়ে যাবে না।
একদিন ঠিক ই আবার ঘুরে দাঁড়াবে।
৫ আগষ্টের পরে নুরুল হক নুরের উপর হা/মলা করে তাকে হ/ত্যা চেষ্টা ও দলের নেতাকর্মীদের মনে থাকবে।
আর যারা এখন আওয়ামিলীগ স্টাইলে ট্রল করে, গা/লা/গা/লি করে।
এরা ৫ আগষ্টের আগে সেম কাজ আওয়ামিলীগের সাথে করলে ওরা এতদিন মানুষ কে জিম্মি করে রাখতে পারত না।
সেই সময় প্রকাশ্যে রাজনীতি করতে হলে জান হাতে নিয়েই করা লাগতো।
প্রত্যেক টা বক্তব্য আর কথার জন্য জবাবদিহি করতে হতো।
অথচ ৫ আগষ্টের পরে কথা বলা মানুষদের সাথে এটা ঘটছে না।
বরং ৫ আগষ্টের রাজনীতি তে গালাগালি আর অন্যের সম্মানহানি ঘটানোর সংস্কৃতি তৈরি হয়েছে।
কারো রাজনৈতিক মতাদর্শের বাইরে গেলেই দালাল।
আপনার রাজনৈতিক মতাদর্শ থাকতে পারলে অন্যের কেন থাকবে না?
কেউ জামাত পছন্দ করবে কেউ বিএনপি,কেউ গণঅধিকার আবার কেউ এনসিপি।
ঠিক সেভাবে ই কেউ আওয়ামিলীগ।
গা/লা/গা/লি আর নোংরামি করে তো কারো রাজনৈতিক মতাদর্শ পরিবর্তন করা যাবে না।
তাহলে এত ঘৃণা ছড়িয়ে লাভ কি?
আমার আসলেই আশ্চর্য লাগে দুইটা দল এত দীর্ঘ দিন জোটে থেকে। আন্দোলন সংগ্রাম করে মাত্র বছর খানেক আগ থেকে, আওয়ামিলীগের অনুপস্থিতিতে নিজেদের প্রতিপক্ষ হয়ে গেছে ।
পাশাপাশি তরুণ রাজনৈতিক দল যারা তাদের সাথে জোটে যায়নি,তাদের বিশ্রী ভাষায়
গা/লা/গা/লি করে, হেয় করতে সব রকম চেষ্টা করে।
এসব দেখে আমার মাঝেমধ্যে ই হতাশ লাগে।
মনে হয় এদেশের রাজনৈতিক পরিবেশ সুস্থ হবে না।
অসুস্থ ই থেকে যাবে।