• সংরক্ষিত আসনের প্রস্তাব ফিরিয়ে দিলেন তাসনিম জারা: সংসদে গেলে জনগণের ভোটেই যাবেন তিনি
• ফতুল্লায় গুদারাঘাটের ইজারা নিয়ে বিএনপি-এনসিপি সংঘর্ষঃ আহত ৫
•অনলাইন প্রতারণার নতুন ফাঁদ: ‘বুলসুক’ কোম্পানির বিরুদ্ধে কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ, নেপথ্যে তৌহিদ-ইমন গং!
•সিন্ডিকেটের হাতে জনগণকে জিম্মি হতে দেবে না সরকার: বাণিজ্যমন্ত্রী
•গ্রাফিতিতে গুপ্ত লেখা’কে কেন্দ্র করে, চট্টগ্রাম সরকারি সিটি কলেজে ছাত্রদল-শিবির সংঘর্ষ
•স্থায়ীভাবে ইরান যুদ্ধ বন্ধের দাবিতে এবার মার্কিন সেনাদের বিক্ষোভ
•বস্ত্র ও পাট খাতে নতুন প্রাণের সঞ্চার, সচল হতে যাচ্ছে বন্ধ মিলগুলোঃ বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী
• মনের মানুষ খুঁজতে কক্সবাজার গেলেন হিরো আলম
•পার্বত্য মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান এমপি’র সাথে কানাডিয়ান হাইকমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাৎকার
•(ঢামেক) ছাত্রী কমন রুম থেকে এপ্রোন ও স্টেথোস্কোপসহ এক ভুয়া শিক্ষার্থীকে আটক
•এসএসসি পরীক্ষার প্রথম দিনে অনুপস্থিত ছিলো প্রায় ২৫ হাজার শিক্ষার্থী
•মুক্তি পাওয়ার আগেই ২৫০ কোটি টাকা আয় করেছে ‘কিং’ সিনেমা
•এই সপ্তাহেই তৈরি হবে এইচএসসি পরীক্ষার রুটিন : শিক্ষামন্ত্রী
•বাংলাদেশের ‘আলী’ জার্মানিতে পুরস্কার জিতল
•ইতালির রাষ্ট্রদূতের সাথে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠক: দক্ষ কর্মী নিতে আগ্রহী ইতালি
• যৌন হয়রানি নিয়ে বিরূপ মন্তব্য করে বিপাকে অভিনেত্রী হানসিকা মোতওয়ানি
•ঠাকুরগাঁওয়ে উৎসবমুখর পরিবেশে শুরু হলো এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা
•মে দিবসে মঞ্চে আসছে আরণ্যকের ‘রাঢ়াঙ’
•অস্ত্র রপ্তানি উন্মুক্ত করল জাপান: যুদ্ধজাহাজ ও ক্ষেপণাস্ত্র যাচ্ছে ১৭ দেশে
•সবচেয়ে বেশি বয়সী মুরগির স্বীকৃতি পেলো ‘গার্টি’
• সংরক্ষিত আসনের প্রস্তাব ফিরিয়ে দিলেন তাসনিম জারা: সংসদে গেলে জনগণের ভোটেই যাবেন তিনি
• ফতুল্লায় গুদারাঘাটের ইজারা নিয়ে বিএনপি-এনসিপি সংঘর্ষঃ আহত ৫
•অনলাইন প্রতারণার নতুন ফাঁদ: ‘বুলসুক’ কোম্পানির বিরুদ্ধে কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ, নেপথ্যে তৌহিদ-ইমন গং!
•সিন্ডিকেটের হাতে জনগণকে জিম্মি হতে দেবে না সরকার: বাণিজ্যমন্ত্রী
•গ্রাফিতিতে গুপ্ত লেখা’কে কেন্দ্র করে, চট্টগ্রাম সরকারি সিটি কলেজে ছাত্রদল-শিবির সংঘর্ষ
•স্থায়ীভাবে ইরান যুদ্ধ বন্ধের দাবিতে এবার মার্কিন সেনাদের বিক্ষোভ
•বস্ত্র ও পাট খাতে নতুন প্রাণের সঞ্চার, সচল হতে যাচ্ছে বন্ধ মিলগুলোঃ বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী
• মনের মানুষ খুঁজতে কক্সবাজার গেলেন হিরো আলম
•পার্বত্য মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান এমপি’র সাথে কানাডিয়ান হাইকমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাৎকার
•(ঢামেক) ছাত্রী কমন রুম থেকে এপ্রোন ও স্টেথোস্কোপসহ এক ভুয়া শিক্ষার্থীকে আটক
•এসএসসি পরীক্ষার প্রথম দিনে অনুপস্থিত ছিলো প্রায় ২৫ হাজার শিক্ষার্থী
•মুক্তি পাওয়ার আগেই ২৫০ কোটি টাকা আয় করেছে ‘কিং’ সিনেমা
•এই সপ্তাহেই তৈরি হবে এইচএসসি পরীক্ষার রুটিন : শিক্ষামন্ত্রী
•বাংলাদেশের ‘আলী’ জার্মানিতে পুরস্কার জিতল
•ইতালির রাষ্ট্রদূতের সাথে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠক: দক্ষ কর্মী নিতে আগ্রহী ইতালি
• যৌন হয়রানি নিয়ে বিরূপ মন্তব্য করে বিপাকে অভিনেত্রী হানসিকা মোতওয়ানি
•ঠাকুরগাঁওয়ে উৎসবমুখর পরিবেশে শুরু হলো এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা
•মে দিবসে মঞ্চে আসছে আরণ্যকের ‘রাঢ়াঙ’
•অস্ত্র রপ্তানি উন্মুক্ত করল জাপান: যুদ্ধজাহাজ ও ক্ষেপণাস্ত্র যাচ্ছে ১৭ দেশে
•সবচেয়ে বেশি বয়সী মুরগির স্বীকৃতি পেলো ‘গার্টি’


তিনি বলেন, ‘কক্সবাজারে এত সুন্দর পরিবেশ, এত মানুষ আসে। ভাবলাম যদি ভাগ্যে থাকে, তাহলে এখান থেকেই হয়তো জীবনসঙ্গী পেয়ে যাব।জানা গেছে, ২১ দিন জেল খাটার অজানা গল্প নিয়ে ওয়েব সিরিজ বানাচ্ছেন হিরো আলম। নিজের জেল জীবনের ২৪ ঘণ্টার অভিজ্ঞতা এবং কারাগারের ভেতরের বাস্তব চিত্রই তুলে ধরা হবে এ সিরিজে।
এ বিষয়ে হিরো আলম বলেন, সাধারণ মানুষ বাইরে থেকে জেলের ভেতরের জীবন সম্পর্কে খুব বেশি জানেন না। কিন্তু ভেতরে ঢুকলে বোঝা যায় সেখানে প্রতিটি মুহূর্ত কতটা ভিন্ন বাস্তবতার মধ্যে দিয়ে কাটে। কারাগারের প্রতিদিনের রুটিন, বন্দিদের জীবনসংগ্রাম, নিরাপত্তা ব্যবস্থা, এমনকি রাতের বেলার পরিবেশ-সবকিছুই এই সিরিজে দেখানোর পরিকল্পনা রয়েছে।
এ ওয়েব সিরিজে তার নিজের অভিজ্ঞতার পাশাপাশি জেলের ভেতরে দেখা নানা চরিত্র এবং ঘটনার প্রতিফলন থাকবে। বাস্তবতার সঙ্গে মিল রেখে গল্প সাজানো হবে, যাতে দর্শকরা কারাগারের ভেতরের ২৪ ঘণ্টার জীবনযাত্রা সম্পর্কে একটি স্পষ্ট ধারণা পান।

প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাওয়ার আগেই ২৫০ কোটি টাকার বিশাল অঙ্ক ঘরে তুলেছে ছবিটি। সিনেমাটির সর্বভারতীয় থিয়েট্রিক্যাল রাইটস বা প্রেক্ষাগৃহ পরিবেশনার স্বত্ব রেকর্ড ২৫০ কোটি টাকায় বিক্রি হয়েছে। পেন মারুধার নামের একটি সংস্থা এই স্বত্ব কিনে নিয়েছে। শাহরুখ ও গৌরী খানের প্রযোজনা সংস্থা ‘রেড চিলিজ এন্টারটেইনমেন্ট’-এর সঙ্গে এই বড় অংকের চুক্তিটি সম্পন্ন হয়েছে।
২০২৬সালেরজন্যএটিঅন্যতমবড়ব্যবসায়িকচুক্তিহিসেবেধরাহচ্ছে। ‘কিং’ সিনেমাটিশাহরুখখানেরকাছেব্যক্তিগতভাবেওঅত্যন্তগুরুত্বপূর্ণ।কারণএইসিনেমারমাধ্যমেইবড়পর্দায়অভিষেকহতেযাচ্ছেতারকন্যাসুহানাখানের।এরআগে২০২৩সালেজয়াআখতারেরওটিটিভিত্তিকসিনেমা ‘দ্যআর্চিস’-এতাকেদেখাগেলেও, প্রেক্ষাগৃহেমুক্তিপেতেযাওয়াসুহানারপ্রথমসিনেমাএটিই।

ফিল্মফেস্ট ব্রেমেন ইউরোপের একটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব। ‘ডাইভার্সিটি অ্যাওয়ার্ড’ বিভাগটি মূলত সেসব চলচ্চিত্রকে দেওয়া হয়, যেগুলো সমাজের ভিন্নতা, পরিচয় এবং প্রান্তিক মানুষের গল্পকে সৃজনশীলভাবে তুলে ধরে। এর আগে চলচ্চিত্রটি ইউরোপের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ আসর কান চলচ্চিত্র উৎসব ২০২৫ এ ইতিহাস গড়ে। ২০২৫ সালের কান চলচ্চিত্র উৎসবে শর্ট ফিল্ম প্রতিযোগিতা বিভাগে এটি স্পেশাল মেনশন অর্জন করে, যা বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি হিসেবে বিবেচিত হয়।
পুরস্কার গ্রহণের পর মঞ্চে উপস্থিত থেকে বক্তব্যে আবেগ প্রকাশ করেন নির্মাতা। তিনি বলেন, ‘যে কোনো স্বীকৃতি কাজের আনন্দকে বাড়িয়ে দেয়। এই স্বীকৃতি আমাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, আমি সবার প্রতি কৃতজ্ঞ। এই চলচ্চিত্রটি তাদের জন্য, যাদের কণ্ঠ অনেক সময় শোনা যায় না। আমি এই অর্জন আমার টিম এবং আমার দেশকে উৎসর্গ করছি।

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে হানসিকাকে প্রশ্ন করা হয়, ক্যারিয়ারের শুরু থেকে কাজ করতে গিয়ে কখনও ‘কাস্টিং কাউচ’-এর মতো অস্বস্তিকর পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়েছে কি না।
জবাবে অভিনেত্রী জানান, তার জীবনে এমন কোনও অভিজ্ঞতা হয়নি। এরপরই তিনি বলেন, ‘যারা শুধুই কাজ করতে আসেন, তাদের সঙ্গে এ ধরনের ঘটনা ঘটে না। আমি কাজ করতেই এসেছিলাম, তাই আমার সঙ্গে হয়নি।
এই মন্তব্যের পর অনেকেই মনে করছেন, হানসিকা এই বক্তব্যে পরোক্ষভাবে অন্যদের অভিজ্ঞতাকে খাটো করা হয়েছে। সঞ্চালক বিষয়টি তুলে ধরে জানতে চাইলে, অন্যদের অভিজ্ঞতা সম্পর্কে তার মত কী সে প্রশ্নে হানসিকা বলেন, ‘আমার সঙ্গে যা হয়নি, তা নিয়ে আমি মন্তব্য করতে পারব না।
সাক্ষাৎকারের এই অংশটিই সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়। নেটিজেনদের একাংশের দাবি, একজন নারী হয়ে এমন মন্তব্য করা সংবেদনশীলতার অভাবের পরিচয়। কেউ কেউ কটাক্ষ করে বলেন, নিজের অভিজ্ঞতা না থাকলেই কোনও সমস্যার অস্তিত্ব অস্বীকার করা যায় না। তবে বিতর্ক ঘিরে এখনও পর্যন্ত প্রকাশ্যে আর কোনও প্রতিক্রিয়া জানাননি হানসিকা। তার এই মন্তব্য ঘিরে বিনোদন জগতে ‘কাস্টিং কাউচ’ ইস্যুটি নতুন করে আলোচনায় উঠে এসেছে।

চম্পা বলেন, ‘ববিতা আপা, সুচন্দা আপা হজ করে ফেলেছেন। আমি তখন পারিনি। আমার সুযোগ এসেছে। আল্লাহ যদি আমার কপালে রাখেন হজ করবো এই বছর। সঙ্গে আমার ভাইকেও নিয়ে যাব।
চম্পা ক্যারিয়ার শুরু করেন মডেল হিসেবে। এরপর টেলিভিশন নাটকে অভিনয়ের মাধ্যমে দর্শকের নজর কাড়েন তিনি। পরবর্তীতে ১৯৮৫ সালে শিবলী সাদিক পরিচালিত চলচ্চিত্র ‘তিন কন্যা’ দিয়ে বড় পর্দায় নায়িকা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন চম্পা। প্রথম সিনেমাতেই তিনি দর্শক ও ইন্ডাস্ট্রির দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।
এরপর ধীরে ধীরে তিনি দেশের চলচ্চিত্রে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন। একের পর এক সফল সিনেমায় অভিনয় করেন। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে তিনি শতাধিক চলচ্চিত্রে কাজ করেছেন।
উল্লেখযোগ্য সিনেমার মধ্যে রয়েছে- তিন কন্যা, ভেজা চোখ, কাসেম মালার প্রেম, পদ্মা মেঘনা যমুনা, টপ রংবাজ, শঙ্খনীল কারাগার, পদ্মা নদীর মাঝি, প্রেম দিওয়ানা, ত্যাগ, ডিসকো ড্যান্সার, দেশপ্রেমিক, অন্য জীবন, টার্গেট, খলনায়ক, লাল দরজা, চন্দ্রকথা, শাস্তি, চন্দ্রগ্রহণ, মনের মানুষ ও ইনস্পেক্টর নটিকে।
দীর্ঘ অভিনয় জীবনে অসাধারণ পারফরম্যান্সের জন্য চম্পা বহুবার দর্শক ও সমালোচকদের প্রশংসা অর্জন করেছেন। তিনি চলচ্চিত্রে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মান জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছেন পাঁচবার। তার মধ্য তিনবার পেয়েছেন সেরা অভিনেত্রী হিসেবে। দুইবার পেয়েছেন পার্শ্ব চরিত্রে।

এর আগে, সংরক্ষিত নারী আসনের মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছিলেন সংগীতশিল্পী বেবী নাজনীন, রিজিয়া পারভীন, কনকচাঁপা, নৃত্যশিল্পী ফারহানা চৌধুরী বেবী এবং মডেল ও অভিনেত্রী রুকাইয়া জাহান চমক। রাজপথে তাদের সক্রিয় উপস্থিতি থাকলেও শেষ পর্যন্ত দলের পরীক্ষিত নেত্রীদের ওপরই আস্থা রেখেছে বিএনপির মনোনয়ন বোর্ড। আর তারকাদের বাদ পড়ার এই বিষয়টি নিয়েই এবার নিজের স্বভাবসুলভ ভঙ্গিতে খোঁচা দিলেন শাহরিয়ার নাজিম জয়।
বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কটাক্ষ করেছেন অভিনেতা ও উপস্থাপক শাহরিয়ার নাজিম জয়। চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের পর নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি লেখেন, ‘বিএনপি বুঝিয়ে দিল বন্যেরা বনে সুন্দর শিশুরা মাতৃক্রোড়ে।’
জয়ের এই মন্তব্য প্রকাশের পরই তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। তার বক্তব্য ঘিরে তৈরি হয়েছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া। অনেকেই জয়ের এই রূপক মন্তব্যের সঙ্গে একমত পোষণ করছেন, আবার কেউ কেউ বিষয়টিকে শিল্পীদের জন্য অবমাননাকর বলেও মনে করছেন।

গত বছর নির্মাতা মেজবাউর রহমান সুমনের ‘রইদ’ সিনেমার জন্য একটি গানে কণ্ঠ দিয়েছেন কানাই দাস। কোনো সিনেমায় এটাই তার প্রথম ও শেষ প্লেব্যাক। তবে সিনেমায় নিজের প্লেব্যাক শুনে যেতে পারলেন না কানাই দাস বাউল। এ নিয়ে মন খারাপ নির্মাতা মেজবাউর রহমান সুমনের। এ নিয়ে ফেসবুকে একটি পোস্টও দিয়েছেন তিনি।
‘হাওয়া’ সিনেমায় মেজবাউর রহমান সুমন ব্যবহার করেন বাসুদেব দাস বাউলের গাওয়া ‘আটটা বাজে দেরি করিস না’ গানটি। মুক্তির অপেক্ষায় থাকা ‘রইদ’ সিনেমায় থাকছে কানাই দাস বাউলের একটি গান। তবে কোন গান, তা এখনই বলতে চাইলেন না নির্মাতা। জানালেন, শিগগিরই প্রকাশ পাবে গানটি।
সুমন জানান, গত বছর ‘রইদ’ সিনেমার জন্য গানটি রেকর্ড করেন কানাই দাস বাউল। গানটি প্রস্তুত হওয়ার পর শুনতে চেয়েছিলেন তিনি। কিন্তু সেটা আর হলো না। সুমন বলেন, ‘কানাই দাস বাউল চলে গেলেন, আমাদের কাছে রেখে গেলেন তার গাওয়া শেষ গান! গত বছর “রইদ” এর গান রেকর্ডিংয়ের সময় তার সঙ্গে কথা হচ্ছিল। বললাম, আপনি কি সিনেমায় আগে গান করেছেন? বললেন, কেউ ডাকেনি তো! মাতান চাঁদ গোঁসাইয়ের এই গান তার কণ্ঠে বহুবার শুনেছি। কিছুদিন পর গানটি প্রকাশ পাবে। শেষ হওয়ার পর শুনতে চেয়েছিলেন। আর শোনা হলো না তার।

ব্রাজিলের প্রধান পর্যটন শহর রিও ডি জেনিরোর উপকণ্ঠে ‘সিটি অব গড’ নামে একটি বস্তি রয়েছে। বস্তির সেই অপরাধী দল নিয়ে ২০০২ সালে সিনেমাটি তৈরি করেন ব্রাজিলের চলচ্চিত্র পরিচালক ফের্নান্দো ফেরেইরা মেইরেলেস ও কাতিয়া লুন্দ। বিচার ও আইনের শাসন নিশ্চিত করতে না পারায় ব্রাজিলের রিও ডি জেনিরোর বস্তি ‘সিটি অব গড’ এখনো অপরাধপ্রবণ। বাংলাদেশের মোহাম্মদপুরও যেন ‘সিটি অব গড’ দশকের পর দশক ধরে সেখানে অপরাধী দল নিজেদের মধ্যে পাল্টাপাল্টি খুন করছে। মাদক ব্যবসা করছে। ছিনতাই, চাঁদাবাজি করছে। কিন্তু তাদের দমন করা যাচ্ছে না।
বস্তির গল্প, মানুষের গল্প
রিও ডি জেনিরোর এক বস্তি ‘সিটি অব গড’। নাম শুনলে মনে হতে পারে স্বপ্নের কোনো জায়গা, কিন্তু বাস্তবে এটি ছিল অপরাধ, দারিদ্র্য আর সহিংসতার এক দহনক্ষেত্র। ফের্নান্দো ফেরেইরা মেইরেলেস ও কাতিয়া লুন্দ পরিচালিত এই ছবি সেই বস্তির কয়েক দশকের বিবর্তনের গল্প বলে, যেখানে শিশুদের হাতেই বন্দুক উঠে যায়, আর স্বপ্নগুলো গুলির শব্দে হারিয়ে যায়। ছবির কেন্দ্রীয় চরিত্র রকেট এক কিশোর, যে এই সহিংস বাস্তবতার ভেতর থেকেও অন্য এক জীবন খুঁজে পেতে চায়। ফটোগ্রাফির প্রতি ভালোবাসা তাকে আলাদা করে দেয়। অপর দিকে আছে লিল’জে শৈশব থেকেই নির্মম, যে বড় হয়ে এলাকার সবচেয়ে ভয়ংকর মাদক সম্রাট হয়ে ওঠে। এই দুই চরিত্রের বিপরীত জীবনধারা আসলে একই সমাজের দুই দিক।
বাস্তবতার নির্মমতা ও সিনেমার ভাষা
এই ছবির সবচেয়ে বড় শক্তি এর নির্মাণশৈলী। দ্রুতগতির এডিটিং, ডকুমেন্টারি ধাচের ক্যামেরা, আর অপ্রফেশনাল অভিনেতাদের ব্যবহার ছবিটিকে দিয়েছে এক অদ্ভুত বাস্তবতা। মনে হয় যেন কোনো গল্প দেখছি না, বরং প্রত্যক্ষ করছি জীবন্ত এক ইতিহাস। ছবিটি তৈরি হয়েছে পাউলো লিন্সের একই নামের উপন্যাস অবলম্বনে। লেখক নিজেই সেই বস্তির বাসিন্দা ছিলেন, ফলে গল্পে বাস্তবতার গভীরতা এসেছে স্বাভাবিকভাবেই।
সহিংসতা, কিন্তু উদ্দেশ্যহীন নয়
‘সিটি অব গড’-এ সহিংসতা আছে অনেকটাই। কিন্তু তা কখনোই বিনোদনের জন্য নয়, বরং প্রতিটি গুলির শব্দ, প্রতিটি হত্যাকাণ্ড আমাদের সামনে তুলে ধরে এক নিষ্ঠুর বাস্তবতা: যখন রাষ্ট্র ব্যর্থ হয়, তখন অপরাধই হয়ে ওঠে বেঁচে থাকার একমাত্র পথ।বিশেষ করে শিশুদের জড়িয়ে পড়ার দৃশ্যগুলো দর্শককে অস্বস্তিতে ফেলে। লিল’জে যখন ছোট শিশুদের বন্দুক ধরিয়ে তাদের দিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য করে, কাকে গুলি করা হবে, তখন সিনেমা আর শুধু গল্প থাকে না, হয়ে ওঠে নির্মম বাস্তবতার প্রতিচ্ছবি।এই সহিংসতা কোনো অতিরঞ্জন নয়, বরং একটি ভেঙে পড়া সমাজব্যবস্থার প্রতিফলন। যেখানে দারিদ্র্য, মাদক আর রাষ্ট্রীয় অবহেলা মিলে তৈরি করে এক ভয়ংকর চক্র।
গ্যাংস্টার সিনেমা, কিন্তু ভিন্ন স্বাদে
‘সিটি অব গড’ অনেকাংশে গ্যাংস্টার সিনেমার কাঠামো অনুসরণ করে। ‘গুডফেলোজ’-এর মতোই এখানে একজন বর্ণনাকারী আমাদের নিয়ে যায় অপরাধের ভেতরের জগতে। আবার দ্রুতগতির সম্পাদনা, অধ্যায়ভিত্তিক গল্প বলা এসবের মধ্যে খুঁজে পাওয়া যায় কোয়েন্টিক ট্যারান্টিনোর প্রভাব। কিন্তু পার্থক্য হলো এখানে গ্ল্যামার নেই। বন্দুক, টাকা আর ক্ষমতা সবই আছে, কিন্তু সেগুলো কখনোই আকর্ষণীয় করে দেখানো হয়নি। বরং প্রতিটি দৃশ্যই মনে করিয়ে দেয়, এই জীবন বেছে নেওয়া নয়, বরং বাধ্য হয়ে তাতে জড়িয়ে পড়া।
ছবিটির আরেকটি বড় বৈশিষ্ট্য এর অভিনেতারা। অধিকাংশই ছিলেন ফাভেলা থেকে উঠে আসা নতুন মুখ। অভিনয়ের আগে তাদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয় ওয়ার্কশপে, দীর্ঘ প্রস্তুতির মাধ্যমে গড়ে তোলা হয় চরিত্র।
এই পদ্ধতির ফলে ছবির প্রতিটি চরিত্রে এসেছে এক অদ্ভুত স্বাভাবিকতা। মনে হয় না তারা অভিনয় করছে, বরং যেন নিজেদের জীবনই বাঁচছে।
ব্রাজিলিয়ান সিনেমার মোড় ঘোরানো মুহূর্ত
‘সিটি অব গড’-এর আগে ব্রাজিলের চলচ্চিত্র আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃতি পেলেও তা ছিল মূলত শিল্পঘেঁষা ড্রামা। যেমন ‘সেন্ট্রাল স্টেশন’ বা ‘ফোর ডেজ ইন সেপ্টেম্বর’, যেগুলো সমালোচকদের প্রশংসা পেলেও মূলধারার দর্শকের কাছে পৌঁছাতে পারেনি।কিন্তু ‘সিটি অব গড’ সেই সীমা ভেঙে দেয়। এটি একই সঙ্গে শিল্পমান বজায় রেখে জনপ্রিয়তাও অর্জন করে। কান উৎসবে প্রদর্শিত হওয়া থেকে শুরু করে বিশ্বজুড়ে বক্স অফিস সাফল্য সব মিলিয়ে এটি হয়ে ওঠে এক বৈশ্বিক ঘটনা।
চারটি বিভাগে অস্কার মনোনয়ন পায় সেরা পরিচালক, সেরা চিত্রনাট্য, সেরা সিনেমাটোগ্রাফি ও সেরা এডিটিং। যদিও কোনো পুরস্কার জেতেনি, তবু এটি ইতিমধ্যেই নিজেকে প্রতিষ্ঠা করেছে আধুনিক ক্ল্যাসিক হিসেবে। বিশ্বের নানা চলচ্চিত্র নির্মাতা ও সমালোচকেরা এই ছবিকে উল্লেখ করেন অপরাধভিত্তিক সিনেমার নতুন ভাষা হিসেবে। হলিউডেও এর প্রভাব স্পষ্টভাবে দেখা যায়।
বিতর্ক ও প্রশ্ন
ছবিটি যেমন প্রশংসা পেয়েছে, তেমনি বিতর্কও কম হয়নি। কেউ কেউ মনে করেন, এটি ফাভেলার মানুষের জীবনকে একপক্ষীয়কভাবে সহিংস হিসেবে তুলে ধরেছে। আবার অনেকে বলেন, এটি বাস্তবতাকে তুলে ধরার সাহসী প্রচেষ্টা।
পরিকল্পনা নয়, আবেগ
পরিচালক ফের্নান্দো ফেরেইরা মেইরেলেস নিজেই স্বীকার করেছেন, এই ছবি তিনি বানিয়েছিলেন কোনো ‘মাস্টারপিস’ তৈরির উদ্দেশ্যে নয়, বরং একদল তরুণ নির্মাতা, সীমিত বাজেট, অচেনা অভিনেতা সব মিলিয়ে এটি ছিল এক আবেগঘন উদ্যোগ। এমনকি অর্থের সংকটে পড়ে ছবির অর্থায়নও তিনি নিজেই করেছিলেন। এই অকৃত্রিমতা, এই স্বাধীনতা সম্ভবত ছবিটির সবচেয়ে বড় শক্তি। কারণ, এতে কোনো স্টুডিওর চাপ, বাজারের হিসাব বা তারকাখ্যাতির বোঝা ছিল না। ফলে গল্পটি হয়েছে নির্মমভাবে সৎ।
‘সিটি অব গড’ শুধু আন্তর্জাতিক দর্শককেই নয়, ব্রাজিলের মানুষকেও নতুনভাবে তাদের সমাজকে দেখতে বাধ্য করেছিল। মেইরেলেসের ভাষায়, এই ছবি ‘ব্রাজিলকে ব্রাজিলের কাছেই উন্মোচন করেছে।’
রিও ডি জেনিরোর ‘সিদাদে দে দেউস’ ফাভেলা, যেখানে দারিদ্র্য, অপরাধ, পুলিশের দুর্নীতি আর মাদক চক্র এক জটিল বাস্তবতা তৈরি করেছে, সেটি আগে খুব কমই সিনেমায় এভাবে উঠে এসেছে। ছবিটি সেই অদেখা বাস্তবতাকে সামনে এনে দেয়।
কেন এখনো প্রাসঙ্গিক
আজও যখন বিশ্বের নানা প্রান্তে দারিদ্র্য, বৈষম্য আর অপরাধ একই সুতোয় গাঁথা, তখন ‘সিটি অব গড’ নতুন করে প্রশ্ন তোলে সমস্যাটা কোথায়? ব্যক্তি, না সমাজ? ছবিটি দেখার পর দর্শক শুধু একটি গল্প দেখে না, বরং একটা বাস্তবতার মুখোমুখি দাঁড়ায়। রকেটের ক্যামেরা যেন আমাদের চোখ হয়ে ওঠে, আর লিল’জে আমাদের ভয়। আমেরিকান সিনেমায় বয়েজ এন দ্য হুড যেমন দক্ষিণ লস অ্যাঞ্জেলেসের কৃষ্ণাঙ্গ সমাজের বাস্তবতা তুলে ধরে ‘হুড ফিল্ম’ধারার জন্ম দিয়েছিল, তেমনি ‘সিটি অব গড’ সেই ধারাকে নিয়ে যায় ব্রাজিলের ফাভেলা সংস্কৃতিতে। এখানে ‘হুড’ বদলে হয়ে যায় ‘ফাভেলা’, কিন্তু দারিদ্র্য, বঞ্চনা আর সহিংসতার ভাষা একই থাকে।

বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে ওটিটি প্ল্যাটফর্ম বিঞ্জে প্রকাশের পর থেকেই ওয়েব ফিল্মটি ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চলছে আলোচনা-সমালোচনা, প্রশংসা আর ব্যক্তিগত অনুভূতির ভাগাভাগি। মুক্তির আগে টিজার-ট্রেলার ঘিরে যে কৌতূহল তৈরি হয়েছিল, মুক্তির পর অনেকটাই তা পূরণ করতে পেরেছে, মনে করছেন অনেক দর্শক।
গল্পের কেন্দ্রে আছে একটি ‘ভুল’ ভুল ঠিকানায় পৌঁছে যায় একটি ফুড ডেলিভারি। সেই ছোট্ট ঘটনাই বদলে দেয় দুই অচেনা মানুষের জীবন। একদিকে তানভীর (প্রীতম হাসান)আবেগপ্রবণ, হঠাৎ সিদ্ধান্ত নিতে অভ্যস্ত, যে বিশ্বাস করে জীবনের সবকিছুই কোনো না কোনো কারণে ঘটে। অন্যদিকে সুবাহ (জেফার রহমান) সংযত, যুক্তিনির্ভর, সম্পর্কের আগে প্রশ্ন করতে ভালোবাসে। এই দুই বিপরীত মানসিকতার মানুষের পথ এক হওয়া, তাদের মধ্যে অদৃশ্য টান তৈরি হওয়া এসব নিয়েই এগিয়েছে গল্প। প্রশ্নটি তাই থেকেই যায়—বারবার ঘটে যাওয়া ঘটনাগুলো কি নিছক কাকতালীয়, নাকি এর পেছনে রয়েছে অদৃশ্য কোনো যোগসূত্র? এই দোলাচলের মধ্যেই সম্পর্কের নতুন সংজ্ঞা খুঁজে নেয় সিনেমা তুমি আমি শুধু।
এ সিনেমায় অভিনয় প্রসঙ্গে প্রীতম হাসান বলেন, ‘গল্পটা প্রথম থেকেই আমার খুব পছন্দের ছিল। এক বছর আগে যখন শুনি, তখন থেকেই কাজটা নিয়ে এক্সাইটেড ছিলাম। বিশ্বাস করেছিলাম, কাজটার ভালো রেসপন্স আসবে এবং সেটাই হচ্ছে। চরিত্রটা এমনভাবে করার চেষ্টা করেছি, যাতে শহরের তরুণেরা সহজেই আমার সঙ্গে রিলেট করতে পারে। গল্পটা আমাদের সমাজের খুব বেসিক জায়গা থেকে নেওয়া, তাই এটাকে সহজভাবে উপস্থাপন করাটাই ছিল মূল লক্ষ্য।’ তিনি আরও বলেন, ‘প্রোডাকশন খুব কম সময়ের মধ্যে হয়েছে, কিন্তু শিহাব ভাই এক সপ্তাহের মধ্যেই যেভাবে আউটপুট দিয়েছেন, সেটা সত্যিই চমকপ্রদ। এখন দর্শকদের কাছ থেকে অনেক ভালো সাড়া পাচ্ছি অনেকে একাধিকবার দেখছেন, এটা আমাদের জন্য বড় আনন্দ।

ইতনি শিদ্দত সে ম্যায়নে তুঝে পানে কি কোশিশ কি হ্যায় …. এই সংলাপ যেন আবারও জীবন্ত হয়ে উঠল বিশ্বমঞ্চে। বলিউডের বাদশা শাহরুখ খানের জনপ্রিয় সিনেমা ‘ওম শান্তি ওম’ জায়গা করে নিল অস্কারের অফিসিয়াল সোশ্যাল মিডিয়ায়।
বিশ্ব চলচ্চিত্রের সর্বোচ্চ মঞ্চে ভারতীয় সিনেমার এই উপস্থিতি নিঃসন্দেহে বলিউডপ্রেমীদের জন্য বড় অর্জন আরেকবার প্রমাণ করে দিল, শাহরুখের জাদু সময়ের গণ্ডি পেরিয়েও সমান প্রাসঙ্গিক।
সম্প্রতি সম্প্রতি অ্যাকাডেমি অব মোশন পিকচার আর্টস অ্যান্ড সায়েন্সেস (অস্কার) তাদের ভেরিফায়েড ইনস্টাগ্রাম হ্যান্ডেলে ছবিটির একটি আইকনিক দৃশ্য শেয়ার করে।সেখানে দেখা যায়, শাহরুখ খানের সেই বিখ্যাত সংলাপ, যা একসময় দর্শকের হৃদয়ে ঝড় তুলেছিল, আজও একই আবেগে ছুঁয়ে যাচ্ছে আন্তর্জাতিক দর্শকদের।
এই স্বীকৃতিতে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন শাহরুখ নিজেও। পুরনো দিনের স্মৃতিতে ভেসে গিয়ে তিনি ভিডিওটি নিজের সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করেন। অন্যদিকে ছবির নির্মাতা ফারহা খান জানান, এত বছর পর আন্তর্জাতিক মঞ্চে এমন সম্মান পাওয়া একজন পরিচালকের জন্য গর্বের।