•অনুমতি ছাড়া ভিডিও প্রচার করলেই জেল-জরিমানা: কন্টেন্ট ক্রিয়েটরদের জন্যে সংসদে ঘোষণা
•শুল্কমুক্ত গাড়ি ও সরকারি প্লট পাচ্ছেন না এমপিরা, সংসদে বাজেট ঘাটতি ও জনস্বার্থে ঐকমত্য
• সংরক্ষিত আসনের প্রস্তাব ফিরিয়ে দিলেন তাসনিম জারা: সংসদে গেলে জনগণের ভোটেই যাবেন তিনি
• ফতুল্লায় গুদারাঘাটের ইজারা নিয়ে বিএনপি-এনসিপি সংঘর্ষঃ আহত ৫
•অনলাইন প্রতারণার নতুন ফাঁদ: ‘বুলসুক’ কোম্পানির বিরুদ্ধে কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ, নেপথ্যে তৌহিদ-ইমন গং!
•সিন্ডিকেটের হাতে জনগণকে জিম্মি হতে দেবে না সরকার: বাণিজ্যমন্ত্রী
•গ্রাফিতিতে গুপ্ত লেখা’কে কেন্দ্র করে, চট্টগ্রাম সরকারি সিটি কলেজে ছাত্রদল-শিবির সংঘর্ষ
•স্থায়ীভাবে ইরান যুদ্ধ বন্ধের দাবিতে এবার মার্কিন সেনাদের বিক্ষোভ
•বস্ত্র ও পাট খাতে নতুন প্রাণের সঞ্চার, সচল হতে যাচ্ছে বন্ধ মিলগুলোঃ বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী
• মনের মানুষ খুঁজতে কক্সবাজার গেলেন হিরো আলম
•পার্বত্য মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান এমপি’র সাথে কানাডিয়ান হাইকমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাৎকার
•(ঢামেক) ছাত্রী কমন রুম থেকে এপ্রোন ও স্টেথোস্কোপসহ এক ভুয়া শিক্ষার্থীকে আটক
•এসএসসি পরীক্ষার প্রথম দিনে অনুপস্থিত ছিলো প্রায় ২৫ হাজার শিক্ষার্থী
•মুক্তি পাওয়ার আগেই ২৫০ কোটি টাকা আয় করেছে ‘কিং’ সিনেমা
•এই সপ্তাহেই তৈরি হবে এইচএসসি পরীক্ষার রুটিন : শিক্ষামন্ত্রী
•বাংলাদেশের ‘আলী’ জার্মানিতে পুরস্কার জিতল
•ইতালির রাষ্ট্রদূতের সাথে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠক: দক্ষ কর্মী নিতে আগ্রহী ইতালি
• যৌন হয়রানি নিয়ে বিরূপ মন্তব্য করে বিপাকে অভিনেত্রী হানসিকা মোতওয়ানি
•ঠাকুরগাঁওয়ে উৎসবমুখর পরিবেশে শুরু হলো এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা
•মে দিবসে মঞ্চে আসছে আরণ্যকের ‘রাঢ়াঙ’
•অনুমতি ছাড়া ভিডিও প্রচার করলেই জেল-জরিমানা: কন্টেন্ট ক্রিয়েটরদের জন্যে সংসদে ঘোষণা
•শুল্কমুক্ত গাড়ি ও সরকারি প্লট পাচ্ছেন না এমপিরা, সংসদে বাজেট ঘাটতি ও জনস্বার্থে ঐকমত্য
• সংরক্ষিত আসনের প্রস্তাব ফিরিয়ে দিলেন তাসনিম জারা: সংসদে গেলে জনগণের ভোটেই যাবেন তিনি
• ফতুল্লায় গুদারাঘাটের ইজারা নিয়ে বিএনপি-এনসিপি সংঘর্ষঃ আহত ৫
•অনলাইন প্রতারণার নতুন ফাঁদ: ‘বুলসুক’ কোম্পানির বিরুদ্ধে কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ, নেপথ্যে তৌহিদ-ইমন গং!
•সিন্ডিকেটের হাতে জনগণকে জিম্মি হতে দেবে না সরকার: বাণিজ্যমন্ত্রী
•গ্রাফিতিতে গুপ্ত লেখা’কে কেন্দ্র করে, চট্টগ্রাম সরকারি সিটি কলেজে ছাত্রদল-শিবির সংঘর্ষ
•স্থায়ীভাবে ইরান যুদ্ধ বন্ধের দাবিতে এবার মার্কিন সেনাদের বিক্ষোভ
•বস্ত্র ও পাট খাতে নতুন প্রাণের সঞ্চার, সচল হতে যাচ্ছে বন্ধ মিলগুলোঃ বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী
• মনের মানুষ খুঁজতে কক্সবাজার গেলেন হিরো আলম
•পার্বত্য মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান এমপি’র সাথে কানাডিয়ান হাইকমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাৎকার
•(ঢামেক) ছাত্রী কমন রুম থেকে এপ্রোন ও স্টেথোস্কোপসহ এক ভুয়া শিক্ষার্থীকে আটক
•এসএসসি পরীক্ষার প্রথম দিনে অনুপস্থিত ছিলো প্রায় ২৫ হাজার শিক্ষার্থী
•মুক্তি পাওয়ার আগেই ২৫০ কোটি টাকা আয় করেছে ‘কিং’ সিনেমা
•এই সপ্তাহেই তৈরি হবে এইচএসসি পরীক্ষার রুটিন : শিক্ষামন্ত্রী
•বাংলাদেশের ‘আলী’ জার্মানিতে পুরস্কার জিতল
•ইতালির রাষ্ট্রদূতের সাথে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠক: দক্ষ কর্মী নিতে আগ্রহী ইতালি
• যৌন হয়রানি নিয়ে বিরূপ মন্তব্য করে বিপাকে অভিনেত্রী হানসিকা মোতওয়ানি
•ঠাকুরগাঁওয়ে উৎসবমুখর পরিবেশে শুরু হলো এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা
•মে দিবসে মঞ্চে আসছে আরণ্যকের ‘রাঢ়াঙ’


ভারতের লোকসভায় নারী আসন সংরক্ষণ ও আসন পুনর্বিন্যাস নিয়ে প্রস্তাবিত সংশোধনী বিল পাস না হওয়ায় বড় ধাক্কা খেল নরেন্দ্র মোদি সরকার। গত ১২ বছরের মধ্যে এই প্রথম কোনো আইন সরাসরি সংসদে পরাজয়ের মুখ দেখলো তাদের সরকার।
শুক্রবার একজোটে বিরোধী দলগুলো প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির শেষ মুহূর্তের ‘বিবেক অনুযায়ী ভোট’ দেওয়ার আহ্বান প্রত্যাখ্যান করে। একই সঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর প্রস্তাবও নাকচ করে দেওয়া হয়, যেখানে প্রতিটি রাজ্যে লোকসভা আসন ৫০ শতাংশ বাড়ানোর বিষয়টি যুক্ত করার কথা ছিল। ভোটাভুটিতে বিলটির পক্ষে পড়ে ২৯৮ ভোট, বিপক্ষে ২৩২। তবে পাস হতে প্রয়োজন ছিল অন্তত ৩৫২টি সমর্থন। ফলে সংবিধানের ১৩১তম সংশোধনী বিলটি শেষ পর্যন্ত পাস হয়নি।
বিরোধীদের অভিযোগ, ২০২৯ সাল থেকে নারী সংরক্ষণের প্রতিশ্রুতি দেওয়া এই বিল আসলে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তাদের দাবি, এর মাধ্যমে দক্ষিণ ভারতের প্রতিনিধিত্ব কমিয়ে বিজেপির পক্ষে নির্বাচনি মানচিত্র পুনর্গঠন এবং জাতিগত গণনা বিলম্বিত করার চেষ্টা করা হয়েছে। যদিও অমিত শাহ দাবি করেছেন, প্রস্তাবিত পদ্ধতিতে দক্ষিণের রাজ্যগুলোর প্রতিনিধিত্ব কমবে না, বরং সামান্য বাড়বে। পাশাপাশি সরকার জাতিগত গণনা করতেও প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলে জানান তিনি।
এদিকে বিলটি পাস না হওয়ায় সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী কিরেন রিজিজু জানিয়েছেন, সংশ্লিষ্ট আরও দুটি বিল প্রত্যাহার করা হবে। এর মধ্যে ডিলিমিটেশন সংক্রান্ত একটি বিলও রয়েছে। ভোটের আগে আবেগঘন বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সংসদ সদস্যদের উদ্দেশ্যে বলেন, নিজের বিবেকের কথা ভাবুন এবং পরিবারের নারীদের কথা স্মরণ করে এই বিলের পক্ষে দাঁড়ান। তিনি বলেন, বহু বছর ধরে নারীদের প্রতিনিধিত্ব কম থাকা উচিত নয়।
অন্যদিকে বিরোধী দলীয় নেতা রাহুল গান্ধী এই বিলের তীব্র সমালোচনা করে বলেন, এটি নারী সংরক্ষণের বিল নয়, বরং দেশের নির্বাচনি কাঠামো বদলের একটি চেষ্টা। দক্ষিণ ভারত, উত্তর-পূর্বাঞ্চল এবং ছোট রাজ্যগুলোর প্রতিনিধিত্ব কেড়ে নেওয়ার এই উদ্যোগকে তিনি দেশবিরোধী কর্মকাণ্ড বলে উল্লেখ করেন। বাজেট অধিবেশনের বর্ধিত সময়সীমার শেষ দিনে সংসদ অনির্দিষ্টকালের জন্য মুলতবি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

আগামী বুধবার, ২২ এপ্রিলের মধ্যে কোনো চুক্তি না হলে ইরানে আবারও বোমা হামলা শুরু হতে পারে বলে সতর্ক করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প।
স্থানীয় সময় শুক্রবার, এয়ার ফোর্স ওয়ানে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই হুঁশিয়ারি দেন। ট্রাম্প বলেন, তিনি হয়তো যুদ্ধবিরতির মেয়াদ আর বাড়াবেন না। একই সঙ্গে ইরানি বন্দরগুলোর ওপর অবরোধও বহাল থাকবে। তার ভাষায়, একদিকে অবরোধ চলবে, অন্যদিকে পরিস্থিতি অনুকূলে না এলে আবারও হামলা শুরু করতে হতে পারে।
বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে দুই সপ্তাহের একটি যুদ্ধবিরতি চলছে, যার মেয়াদ শেষ হচ্ছে আগামী বুধবার। এই সময়ের মধ্যেই সমঝোতায় পৌঁছাতে পরোক্ষ আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে দুই দেশ। কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে, চলতি সপ্তাহেই পাকিস্তানে উভয় পক্ষের প্রতিনিধিরা আলোচনায় বসতে পারেন।
এর মধ্যেই নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে। ইরান জানিয়েছে, শর্তসাপেক্ষে এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ খুলে দেওয়া হয়েছে। তবে মার্কিন অবরোধ অব্যাহত থাকলে আবারও এটি বন্ধ করে দেওয়া হতে পারে। ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক পোস্টে বলেন, হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল পুরোপুরি ইরানের অনুমতির ওপর নির্ভর করবে।
এদিকে ইরানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ও জানিয়েছে, বর্তমান যুদ্ধবিরতির পরিস্থিতির ওপর ভিত্তি করেই প্রণালিটি খোলা রাখা হয়েছে। সব মিলিয়ে, সময়সীমা ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আবারও বাড়ছে। এখন দেখার বিষয়, শেষ মুহূর্তের আলোচনায় দুই দেশ কোনো সমঝোতায় পৌঁছাতে পারে কিনা, নাকি আবারও সংঘাতের পথে এগোয় পরিস্থিতি।

ইরানের এক ঘোষণায় বিশ্ব জ্বালানি বাজারে মিলেছে স্বস্তির ইঙ্গিত। যুদ্ধবিরতির মধ্যেই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালি বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের জন্য ‘সম্পূর্ণ উন্মুক্ত’ রাখার কথা জানিয়েছে ইরান।
এই ঘোষণার পরপরই বিশ্ববাজারে তেলের দামে বড় ধরনের পতন দেখা গেছে। ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি নেমে এসেছে ৮৮ ডলারে, যা একদিন আগেও ছিল ৯৮ ডলারের ওপরে। বিশ্বের মোট তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এই প্রণালি দিয়ে পরিবাহিত হয়। ফলে এই পথ সচল থাকাটা বৈশ্বিক অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
ডোনাল্ড ট্রাম্প এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন। অন্যদিকে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি জানিয়েছেন, যুদ্ধবিরতির অবশিষ্ট সময় পর্যন্ত সব ধরনের বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল অব্যাহত থাকবে। এই ঘোষণার ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে বিশ্ববাজারেও। যুক্তরাষ্ট্রের এসঅ্যান্ডপি ৫০০ সূচক বেড়েছে ১ দশমিক ২ শতাংশ, ইউরোপের বিভিন্ন শেয়ারবাজারেও দেখা গেছে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা। তবে পুরো পরিস্থিতি এখনো ঝুঁকিমুক্ত নয় বলে সতর্ক করছেন বিশ্লেষকরা।
আন্তর্জাতিক শিপিং সংস্থাগুলো বলছে, সমুদ্রপথে মাইন বিস্ফোরণের ঝুঁকি পুরোপুরি দূর হয়নি। ফলে জাহাজ চলাচল কতটা নিরাপদ, তা এখনো নিশ্চিত নয়। এর আগে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক হামলার পর এই প্রণালিতে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হয়। ফলে বিশ্ববাজারে তেল ও গ্যাসের সরবরাহে চাপ তৈরি হয়ে দাম একসময় ১১৯ ডলার পর্যন্ত উঠে যায়।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক হতে সময় লাগবে কয়েক মাস। তাই আপাতত তেলের দাম কমলেও, ভোক্তা পর্যায়ে এর প্রভাব দ্রুত পড়বে এমন আশা কম। সব মিলিয়ে, হরমুজ প্রণালি উন্মুক্ত করার এই ঘোষণা বিশ্ববাজারে স্বস্তি আনলেও, অনিশ্চয়তা এখনো পুরোপুরি কাটেনি।

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান ভূরাজনৈতিক অস্থিরতা ও যুদ্ধের প্রভাবে বিশ্বজুড়ে কমোডিটি ট্রেডিং বা পণ্য বাণিজ্য খাত বড় ধরনের আর্থিক ধাক্কার মুখে পড়েছে। পরামর্শক প্রতিষ্ঠান অলিভার ওয়াইম্যানের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুদ্ধ শুরুর পর থেকে মাত্র ছয় সপ্তাহের মধ্যেই শীর্ষ ট্রেডিং হাউজগুলোকে কয়েক বিলিয়ন ডলারের লোকসান গুনতে হয়েছে।
সাধারণত যুদ্ধ বা অস্থিরতার সময় বাজারে বড় অংকের মুনাফা করে থাকে এসব প্রতিষ্ঠান। কিন্তু এবার ঘটেছে তার উল্টো। পারস্য উপসাগরে শতাধিক জ্বালানি তেলের ট্যাংকার আটকে পড়ায় তেল সরবরাহ ব্যবস্থায় বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটে। এতে আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম হঠাৎ করেই অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যায়, যা অনেক ট্রেডারের পূর্বাভাসের সম্পূর্ণ বিপরীত ছিল।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এই অস্থিরতার মধ্যে সবচেয়ে বড় চাপ তৈরি করেছে ‘মার্জিন কল’। ফিউচার মার্কেটে দাম কমার প্রত্যাশায় নেওয়া অবস্থান হঠাৎ উল্টে যাওয়ায় ট্রেডিং হাউজগুলোকে বিপুল পরিমাণ নগদ অর্থ জমা দিতে হয়েছে, যা তাদের তারল্য সংকট আরও বাড়িয়ে দেয়। এ ছাড়া চুক্তিভিত্তিক সরবরাহ ঠিক রাখতে গিয়ে অনেক প্রতিষ্ঠানকে বাজার থেকে চড়া দামে বিকল্প তেল কিনতে হয়েছে, ফলে ক্ষতির পরিমাণ আরও বেড়েছে। ভিটল, ট্রাফিগুরা ও মারকিউরিয়ার মতো শীর্ষ কোম্পানিগুলোও শুরুতে বড় লোকসানের মুখে পড়ে, যদিও পরে কিছুটা ঘুরে দাঁড়াতে সক্ষম হয়।
অলিভার ওয়াইম্যানের তথ্য অনুযায়ী, ২০২২ সালে কমোডিটি ট্রেডিং খাতে রেকর্ড মুনাফা হলেও পরবর্তী বছরগুলোতে তা ধারাবাহিকভাবে কমতে থাকে। তবে চলমান সংঘাত সেই অনিশ্চয়তাকে আরও গভীর করেছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, ভূরাজনৈতিক ঝুঁকি এখন আর বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, বরং বৈশ্বিক বাণিজ্যের একটি স্থায়ী অনিশ্চয়তার উৎস হয়ে উঠেছে। ফলে বড় ট্রেডিং হাউজগুলোকে বাড়তি মূলধন ও ঋণ সুবিধার ওপর নির্ভর করে কার্যক্রম চালাতে হচ্ছে।
সব মিলিয়ে বলা যায়, মধ্যপ্রাচ্যের এই সংঘাত শুধু রাজনৈতিক নয়, বৈশ্বিক জ্বালানি ও পণ্য বাজারেও এক নতুন অস্থিরতার অধ্যায় তৈরি করেছে।