• সংরক্ষিত আসনের প্রস্তাব ফিরিয়ে দিলেন তাসনিম জারা: সংসদে গেলে জনগণের ভোটেই যাবেন তিনি
• ফতুল্লায় গুদারাঘাটের ইজারা নিয়ে বিএনপি-এনসিপি সংঘর্ষঃ আহত ৫
•অনলাইন প্রতারণার নতুন ফাঁদ: ‘বুলসুক’ কোম্পানির বিরুদ্ধে কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ, নেপথ্যে তৌহিদ-ইমন গং!
•সিন্ডিকেটের হাতে জনগণকে জিম্মি হতে দেবে না সরকার: বাণিজ্যমন্ত্রী
•গ্রাফিতিতে গুপ্ত লেখা’কে কেন্দ্র করে, চট্টগ্রাম সরকারি সিটি কলেজে ছাত্রদল-শিবির সংঘর্ষ
•স্থায়ীভাবে ইরান যুদ্ধ বন্ধের দাবিতে এবার মার্কিন সেনাদের বিক্ষোভ
•বস্ত্র ও পাট খাতে নতুন প্রাণের সঞ্চার, সচল হতে যাচ্ছে বন্ধ মিলগুলোঃ বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী
• মনের মানুষ খুঁজতে কক্সবাজার গেলেন হিরো আলম
•পার্বত্য মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান এমপি’র সাথে কানাডিয়ান হাইকমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাৎকার
•(ঢামেক) ছাত্রী কমন রুম থেকে এপ্রোন ও স্টেথোস্কোপসহ এক ভুয়া শিক্ষার্থীকে আটক
•এসএসসি পরীক্ষার প্রথম দিনে অনুপস্থিত ছিলো প্রায় ২৫ হাজার শিক্ষার্থী
•মুক্তি পাওয়ার আগেই ২৫০ কোটি টাকা আয় করেছে ‘কিং’ সিনেমা
•এই সপ্তাহেই তৈরি হবে এইচএসসি পরীক্ষার রুটিন : শিক্ষামন্ত্রী
•বাংলাদেশের ‘আলী’ জার্মানিতে পুরস্কার জিতল
•ইতালির রাষ্ট্রদূতের সাথে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠক: দক্ষ কর্মী নিতে আগ্রহী ইতালি
• যৌন হয়রানি নিয়ে বিরূপ মন্তব্য করে বিপাকে অভিনেত্রী হানসিকা মোতওয়ানি
•ঠাকুরগাঁওয়ে উৎসবমুখর পরিবেশে শুরু হলো এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা
•মে দিবসে মঞ্চে আসছে আরণ্যকের ‘রাঢ়াঙ’
•অস্ত্র রপ্তানি উন্মুক্ত করল জাপান: যুদ্ধজাহাজ ও ক্ষেপণাস্ত্র যাচ্ছে ১৭ দেশে
•সবচেয়ে বেশি বয়সী মুরগির স্বীকৃতি পেলো ‘গার্টি’
• সংরক্ষিত আসনের প্রস্তাব ফিরিয়ে দিলেন তাসনিম জারা: সংসদে গেলে জনগণের ভোটেই যাবেন তিনি
• ফতুল্লায় গুদারাঘাটের ইজারা নিয়ে বিএনপি-এনসিপি সংঘর্ষঃ আহত ৫
•অনলাইন প্রতারণার নতুন ফাঁদ: ‘বুলসুক’ কোম্পানির বিরুদ্ধে কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ, নেপথ্যে তৌহিদ-ইমন গং!
•সিন্ডিকেটের হাতে জনগণকে জিম্মি হতে দেবে না সরকার: বাণিজ্যমন্ত্রী
•গ্রাফিতিতে গুপ্ত লেখা’কে কেন্দ্র করে, চট্টগ্রাম সরকারি সিটি কলেজে ছাত্রদল-শিবির সংঘর্ষ
•স্থায়ীভাবে ইরান যুদ্ধ বন্ধের দাবিতে এবার মার্কিন সেনাদের বিক্ষোভ
•বস্ত্র ও পাট খাতে নতুন প্রাণের সঞ্চার, সচল হতে যাচ্ছে বন্ধ মিলগুলোঃ বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী
• মনের মানুষ খুঁজতে কক্সবাজার গেলেন হিরো আলম
•পার্বত্য মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান এমপি’র সাথে কানাডিয়ান হাইকমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাৎকার
•(ঢামেক) ছাত্রী কমন রুম থেকে এপ্রোন ও স্টেথোস্কোপসহ এক ভুয়া শিক্ষার্থীকে আটক
•এসএসসি পরীক্ষার প্রথম দিনে অনুপস্থিত ছিলো প্রায় ২৫ হাজার শিক্ষার্থী
•মুক্তি পাওয়ার আগেই ২৫০ কোটি টাকা আয় করেছে ‘কিং’ সিনেমা
•এই সপ্তাহেই তৈরি হবে এইচএসসি পরীক্ষার রুটিন : শিক্ষামন্ত্রী
•বাংলাদেশের ‘আলী’ জার্মানিতে পুরস্কার জিতল
•ইতালির রাষ্ট্রদূতের সাথে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠক: দক্ষ কর্মী নিতে আগ্রহী ইতালি
• যৌন হয়রানি নিয়ে বিরূপ মন্তব্য করে বিপাকে অভিনেত্রী হানসিকা মোতওয়ানি
•ঠাকুরগাঁওয়ে উৎসবমুখর পরিবেশে শুরু হলো এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা
•মে দিবসে মঞ্চে আসছে আরণ্যকের ‘রাঢ়াঙ’
•অস্ত্র রপ্তানি উন্মুক্ত করল জাপান: যুদ্ধজাহাজ ও ক্ষেপণাস্ত্র যাচ্ছে ১৭ দেশে
•সবচেয়ে বেশি বয়সী মুরগির স্বীকৃতি পেলো ‘গার্টি’


খাগড়াছড়ির রামগড় উপজেলায় আগুনে পুড়ে গেছে একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৬ টি কক্ষ। এতে শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
গতকাল শনিবার সন্ধ্যায় উপজেলার পাতাছড়া ইউনিয়নের কলাবাড়ী উচ্চবিদ্যালয়ে এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। স্থানীয়দের তথ্য অনুযায়ী, সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে বিদ্যালয়ের একটি কক্ষ থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। পরে তা দ্রুত আশপাশের কক্ষগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় এক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবদুল কাদের জানান, আগুনে প্রধান শিক্ষকের কক্ষসহ একাধিক শ্রেণিকক্ষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পুড়ে গেছে আসবাবপত্র, কম্পিউটার এবং গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র। ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তা বিশ্বান্ত বড়ুয়া জানিয়েছেন, আগুন লাগার সুনির্দিষ্ট কারণ এখনো জানা যায়নি। তদন্তের পর বিস্তারিত তথ্য নিশ্চিত করা হবে।
এদিকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী শামীম বলেন, আগুনে বিদ্যালয়ের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত করা হবে বলেও জানান তিনি। ২০২২ সালে প্রত্যন্ত কলাবাড়ী এলাকায় প্রতিষ্ঠিত এই বিদ্যালয়টি স্থানীয় শিক্ষার্থীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। তবে সাম্প্রতিক এই অগ্নিকাণ্ডে পাঠদান কার্যক্রমে বিঘ্ন ঘটার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষার্থীদের জন্য দ্রুত বিকল্প ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের দুই মাস পূর্তি উপলক্ষে আজ (শনিবার, ১৮ এপ্রিল) একটি গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে। রাজধানীর তেজগাঁওয়ে অবস্থিত প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের করবী হলে বিকেল সাড়ে ৩টায় এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তুলে ধরা হয়েছে সরকারের নেয়া ৬০টি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।
প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও মুখপাত্র ড. মাহদী আমিন জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে দ্রুতগতিতে কাজ করছেন। তিনি বলেন, নারীর ক্ষমতায়নে ফ্যামিলি কার্ড প্রকল্পের আওতায় ইতোমধ্যে ৩৭ হাজারের বেশি পরিবারকে মাসিক আর্থিক সহায়তা দেয়া হচ্ছে। একইসাথে কৃষকদের জন্য চালু হয়েছে কৃষক কার্ড, যার মাধ্যমে হাজার হাজার প্রান্তিক কৃষক পাচ্ছেন সরাসরি সুবিধা। এছাড়া প্রায় ১২ লাখ কৃষকের ঋণ মওকুফ, নদী খনন কার্যক্রম, জ্বালানি দামের নিয়ন্ত্রণ এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বিনিয়োগ বাড়ানোর মতো পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে সরকার। দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের নেতাদের ভাতা প্রদান এবং দরিদ্রদের সহায়তায় বিভিন্ন কর্মসূচির কথাও তুলে ধরেন তিনি।
অর্থনীতি শক্তিশালী করতে ২০৩৪ সালের মধ্যে ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতির লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। বিদেশি বিনিয়োগ সহজীকরণ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং নতুন শ্রমবাজার সম্প্রসারণে নেয়া হয়েছে নানা উদ্যোগ। শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতেও বড় ধরনের পরিবর্তনের কথা জানানো হয়। নতুন স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ, ই-হেলথ কার্ড চালু এবং শিক্ষাবৃত্তি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
আইনশৃঙ্খলা, ভূমি ব্যবস্থাপনা, পরিবেশ সুরক্ষা ও ডিজিটাল সেবা সম্প্রসারণেও নেয়া হয়েছে বহুমুখী উদ্যোগ। মাহদী আমিন বলেন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করে জনগণের আস্থা ফিরিয়ে আনাই সরকারের প্রধান লক্ষ্য। সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইংয়ের কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।

ভারতের লোকসভায় নারী আসন সংরক্ষণ ও আসন পুনর্বিন্যাস নিয়ে প্রস্তাবিত সংশোধনী বিল পাস না হওয়ায় বড় ধাক্কা খেল নরেন্দ্র মোদি সরকার। গত ১২ বছরের মধ্যে এই প্রথম কোনো আইন সরাসরি সংসদে পরাজয়ের মুখ দেখলো তাদের সরকার।
শুক্রবার একজোটে বিরোধী দলগুলো প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির শেষ মুহূর্তের ‘বিবেক অনুযায়ী ভোট’ দেওয়ার আহ্বান প্রত্যাখ্যান করে। একই সঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর প্রস্তাবও নাকচ করে দেওয়া হয়, যেখানে প্রতিটি রাজ্যে লোকসভা আসন ৫০ শতাংশ বাড়ানোর বিষয়টি যুক্ত করার কথা ছিল। ভোটাভুটিতে বিলটির পক্ষে পড়ে ২৯৮ ভোট, বিপক্ষে ২৩২। তবে পাস হতে প্রয়োজন ছিল অন্তত ৩৫২টি সমর্থন। ফলে সংবিধানের ১৩১তম সংশোধনী বিলটি শেষ পর্যন্ত পাস হয়নি।
বিরোধীদের অভিযোগ, ২০২৯ সাল থেকে নারী সংরক্ষণের প্রতিশ্রুতি দেওয়া এই বিল আসলে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তাদের দাবি, এর মাধ্যমে দক্ষিণ ভারতের প্রতিনিধিত্ব কমিয়ে বিজেপির পক্ষে নির্বাচনি মানচিত্র পুনর্গঠন এবং জাতিগত গণনা বিলম্বিত করার চেষ্টা করা হয়েছে। যদিও অমিত শাহ দাবি করেছেন, প্রস্তাবিত পদ্ধতিতে দক্ষিণের রাজ্যগুলোর প্রতিনিধিত্ব কমবে না, বরং সামান্য বাড়বে। পাশাপাশি সরকার জাতিগত গণনা করতেও প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলে জানান তিনি।
এদিকে বিলটি পাস না হওয়ায় সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী কিরেন রিজিজু জানিয়েছেন, সংশ্লিষ্ট আরও দুটি বিল প্রত্যাহার করা হবে। এর মধ্যে ডিলিমিটেশন সংক্রান্ত একটি বিলও রয়েছে। ভোটের আগে আবেগঘন বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সংসদ সদস্যদের উদ্দেশ্যে বলেন, নিজের বিবেকের কথা ভাবুন এবং পরিবারের নারীদের কথা স্মরণ করে এই বিলের পক্ষে দাঁড়ান। তিনি বলেন, বহু বছর ধরে নারীদের প্রতিনিধিত্ব কম থাকা উচিত নয়।
অন্যদিকে বিরোধী দলীয় নেতা রাহুল গান্ধী এই বিলের তীব্র সমালোচনা করে বলেন, এটি নারী সংরক্ষণের বিল নয়, বরং দেশের নির্বাচনি কাঠামো বদলের একটি চেষ্টা। দক্ষিণ ভারত, উত্তর-পূর্বাঞ্চল এবং ছোট রাজ্যগুলোর প্রতিনিধিত্ব কেড়ে নেওয়ার এই উদ্যোগকে তিনি দেশবিরোধী কর্মকাণ্ড বলে উল্লেখ করেন। বাজেট অধিবেশনের বর্ধিত সময়সীমার শেষ দিনে সংসদ অনির্দিষ্টকালের জন্য মুলতবি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

বাংলাদেশের শিশুদের জন্য বড় ধরনের টিকাদান সহায়তা আসছে যুক্তরাষ্ট্র থেকে। ইউনিসেফের মাধ্যমে দেশটির জন্য সরবরাহ করা হবে ২ কোটি ১৯ লাখেরও বেশি হাম ও রুবেলা প্রতিরোধী টিকা।
বুধবার ঢাকায় অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস এক বার্তায় এ তথ্য জানায়। সেখানে বলা হয়, বাংলাদেশের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় এই জরুরি টিকাদান কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এই উদ্যোগের আওতায় দেশের পাঁচ বছরের কম বয়সী প্রায় এক কোটি বিশ লাখ শিশুকে হাম ও রুবেলা রোগ থেকে সুরক্ষা দেওয়া হবে। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শিশুদের জন্য এই দুটি রোগ মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি করতে পারে, তাই সময়মতো টিকাদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
মার্কিন দূতাবাসের বার্তায় আরও জানানো হয়, এই সহায়তা যুক্তরাষ্ট্রের বৈশ্বিক স্বাস্থ্য কৌশলের অংশ হিসেবে দেওয়া হচ্ছে। এতে বলা হয়, বিদেশে সংক্রামক রোগের প্রাদুর্ভাব প্রতিরোধ করা গেলে তা শুধু সংশ্লিষ্ট দেশই নয়, যুক্তরাষ্ট্রসহ পুরো বিশ্বকেই নিরাপদ রাখবে। একই সঙ্গে বৈশ্বিক স্বাস্থ্যব্যবস্থা আরও শক্তিশালী হবে।
স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা আশা করছেন, এই টিকাদান কর্মসূচির মাধ্যমে দেশে হাম ও রুবেলা রোগের সংক্রমণ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে। বিশেষ করে প্রত্যন্ত অঞ্চলের শিশুদের জন্য এটি একটি বড় ধরনের সুরক্ষা ব্যবস্থা হিসেবে কাজ করবে। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এমন আন্তর্জাতিক সহায়তা বাংলাদেশের টিকাদান কর্মসূচিকে আরও শক্তিশালী করবে এবং শিশু মৃত্যুহার কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
সব মিলিয়ে, যুক্তরাষ্ট্রের এই উদ্যোগ বাংলাদেশের শিশুস্বাস্থ্যে একটি ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

মালয়েশিয়ায় পবিত্র কোরআনের বিশুদ্ধতা রক্ষায় নেওয়া হয়েছে কঠোর পদক্ষেপ। অননুমোদিত ও ত্রুটিপূর্ণ কোরআনের হাজারো কপি সম্মানের সঙ্গে গভীর সমুদ্রে ফেলে দিয়েছে দেশটির সরকার।
দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ মালয়েশিয়ার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত বিশেষ অভিযানে ১ হাজার ৭৫৮টি স্থানে তল্লাশি চালানো হয়। এসময় জব্দ করা হয় ৬ হাজার ৬২০টি অননুমোদিত কোরআনের কপি, যার বাজারমূল্য প্রায় ৩ লাখ ৭৮ হাজার রিঙ্গিত। শুক্রবার এক বিবৃতিতে দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাইফুদ্দিন নাসুশন ইসমাইল বলেন, কোরআনের প্রতিটি হরফ ও হরকত অত্যন্ত স্পর্শকাতর। সামান্য ভুলও এর অর্থ বদলে দিতে পারে। তাই আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে ইতোমধ্যে ৪৪টি তদন্ত শুরু হয়েছে।
সরকার আরও জানায়, নজরদারি শুধু মুদ্রিত কোরআনে সীমাবদ্ধ থাকবে না। অনলাইন প্ল্যাটফর্মে বিক্রি হওয়া ডিজিটাল ও অডিও সংস্করণের ক্ষেত্রেও নেয়া হবে একই ধরনের কঠোর ব্যবস্থা। ধর্মীয় বিধান মেনে ত্রুটিপূর্ণ কোরআনের কপিগুলো পোর্ট ক্ল্যাং উপকূলের গভীর সমুদ্রে অত্যন্ত সম্মানের সঙ্গে নিমজ্জিত করা হয়। প্রায় ২৭ লাখ রিঙ্গিত মূল্যের এসব কপি নির্দিষ্ট ব্লকে সংরক্ষণ করে বিসর্জন দেওয়া হয়, যা দেশটিতে পবিত্র ধর্মগ্রন্থের মর্যাদা রক্ষার স্বীকৃত পদ্ধতি হিসেবে বিবেচিত।
এদিকে জনসচেতনতা বাড়াতে চালু করা হয়েছে ‘জম এক্সচেঞ্জ আল-কোরআন’ কর্মসূচি। ২০২৩ সালে শুরু হওয়া এই উদ্যোগের আওতায় এখন পর্যন্ত প্রায় ৭৬ হাজারের বেশি পুরনো বা অননুমোদিত কোরআনের পরিবর্তে বিতরণ করা হয়েছে নতুন ও অনুমোদিত কপি। সরকার বলছে, এসব উদ্যোগের মাধ্যমে পবিত্র কোরআনের মর্যাদা অক্ষুন্ন রাখা এবং সঠিক সংস্করণ মানুষের হাতে পৌঁছে দেওয়ার দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
ভুল ও অননুমোদিত কোরআন নিয়ে কঠোর অবস্থানে মালয়েশিয়া সরকার

বৈশাখের শুরুতেই দেশজুড়ে তীব্র তাপদাহ। আর এতে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনজীবন। অসহনীয় গরমে বেড়েছে নানা ধরনের অসুস্থতা, বিশেষ করে পানিশূন্যতার ঝুঁকি।
চিকিৎসকরা বলছেন, অতিরিক্ত ঘামের কারণে শরীর থেকে দ্রুত পানি ও প্রয়োজনীয় খনিজ বেরিয়ে যাচ্ছে। ফলে ক্লান্তি, মাথা ঘোরা এমনকি গুরুতর অসুস্থতার ঘটনাও বাড়ছে। এই পরিস্থিতিতে পানিশূন্যতা দূর করতে অনেকেই ঝুঁকছেন খাবার স্যালাইন বা ওআরএসের দিকে। আবার কেউ কেউ ভরসা রাখছেন ফলের রসে। গরমে এই দুই ধরনের পানীয়র চাহিদাও বেড়েছে উল্লেখযোগ্যভাবে।
পুষ্টিবিদদের মতে, তাজা ফলের রস শরীরের জন্য অত্যন্ত উপকারী। এতে থাকা ভিটামিন, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও মিনারেল শরীরকে রাখে সতেজ এবং শক্তিশালী। পাশাপাশি তৃষ্ণা মেটাতেও ফলের রস কার্যকর ভূমিকা রাখে। অন্যদিকে, ওআরএস বা খাবার স্যালাইন শরীরের পানির ভারসাম্য দ্রুত ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করে। বিশেষ করে ডিহাইড্রেশন বা ডায়রিয়ার ক্ষেত্রে এটি জীবন রক্ষাকারী হিসেবে কাজ করে। কারণ, শরীর থেকে বেরিয়ে যাওয়া সোডিয়াম, পটাশিয়ামসহ প্রয়োজনীয় খনিজ পুনরায় সরবরাহ করে ওআরএস।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রচণ্ড গরমে সুস্থ থাকতে হলে নিয়মিত পর্যাপ্ত পানি পান করার পাশাপাশি ফলের রস ও ওআরএস দুইটিই প্রয়োজন অনুযায়ী গ্রহণ করা উচিত। তবে মনে রাখতে হবে, স্বাভাবিক অবস্থায় ফলের রস উপকারী হলেও, শরীরে পানিশূন্যতা মারাত্মক আকার ধারণ করলে তখন ওআরএসই হতে পারে একমাত্র ভরসা।
তাই এই গরমে সচেতন থাকুন, পর্যাপ্ত তরল গ্রহণ করুন, আর সুস্থ থাকুন।

আগামী বুধবার, ২২ এপ্রিলের মধ্যে কোনো চুক্তি না হলে ইরানে আবারও বোমা হামলা শুরু হতে পারে বলে সতর্ক করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প।
স্থানীয় সময় শুক্রবার, এয়ার ফোর্স ওয়ানে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই হুঁশিয়ারি দেন। ট্রাম্প বলেন, তিনি হয়তো যুদ্ধবিরতির মেয়াদ আর বাড়াবেন না। একই সঙ্গে ইরানি বন্দরগুলোর ওপর অবরোধও বহাল থাকবে। তার ভাষায়, একদিকে অবরোধ চলবে, অন্যদিকে পরিস্থিতি অনুকূলে না এলে আবারও হামলা শুরু করতে হতে পারে।
বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে দুই সপ্তাহের একটি যুদ্ধবিরতি চলছে, যার মেয়াদ শেষ হচ্ছে আগামী বুধবার। এই সময়ের মধ্যেই সমঝোতায় পৌঁছাতে পরোক্ষ আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে দুই দেশ। কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে, চলতি সপ্তাহেই পাকিস্তানে উভয় পক্ষের প্রতিনিধিরা আলোচনায় বসতে পারেন।
এর মধ্যেই নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে। ইরান জানিয়েছে, শর্তসাপেক্ষে এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ খুলে দেওয়া হয়েছে। তবে মার্কিন অবরোধ অব্যাহত থাকলে আবারও এটি বন্ধ করে দেওয়া হতে পারে। ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক পোস্টে বলেন, হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল পুরোপুরি ইরানের অনুমতির ওপর নির্ভর করবে।
এদিকে ইরানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ও জানিয়েছে, বর্তমান যুদ্ধবিরতির পরিস্থিতির ওপর ভিত্তি করেই প্রণালিটি খোলা রাখা হয়েছে। সব মিলিয়ে, সময়সীমা ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আবারও বাড়ছে। এখন দেখার বিষয়, শেষ মুহূর্তের আলোচনায় দুই দেশ কোনো সমঝোতায় পৌঁছাতে পারে কিনা, নাকি আবারও সংঘাতের পথে এগোয় পরিস্থিতি।

ইরানের এক ঘোষণায় বিশ্ব জ্বালানি বাজারে মিলেছে স্বস্তির ইঙ্গিত। যুদ্ধবিরতির মধ্যেই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালি বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের জন্য ‘সম্পূর্ণ উন্মুক্ত’ রাখার কথা জানিয়েছে ইরান।
এই ঘোষণার পরপরই বিশ্ববাজারে তেলের দামে বড় ধরনের পতন দেখা গেছে। ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি নেমে এসেছে ৮৮ ডলারে, যা একদিন আগেও ছিল ৯৮ ডলারের ওপরে। বিশ্বের মোট তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এই প্রণালি দিয়ে পরিবাহিত হয়। ফলে এই পথ সচল থাকাটা বৈশ্বিক অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
ডোনাল্ড ট্রাম্প এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন। অন্যদিকে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি জানিয়েছেন, যুদ্ধবিরতির অবশিষ্ট সময় পর্যন্ত সব ধরনের বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল অব্যাহত থাকবে। এই ঘোষণার ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে বিশ্ববাজারেও। যুক্তরাষ্ট্রের এসঅ্যান্ডপি ৫০০ সূচক বেড়েছে ১ দশমিক ২ শতাংশ, ইউরোপের বিভিন্ন শেয়ারবাজারেও দেখা গেছে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা। তবে পুরো পরিস্থিতি এখনো ঝুঁকিমুক্ত নয় বলে সতর্ক করছেন বিশ্লেষকরা।
আন্তর্জাতিক শিপিং সংস্থাগুলো বলছে, সমুদ্রপথে মাইন বিস্ফোরণের ঝুঁকি পুরোপুরি দূর হয়নি। ফলে জাহাজ চলাচল কতটা নিরাপদ, তা এখনো নিশ্চিত নয়। এর আগে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক হামলার পর এই প্রণালিতে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হয়। ফলে বিশ্ববাজারে তেল ও গ্যাসের সরবরাহে চাপ তৈরি হয়ে দাম একসময় ১১৯ ডলার পর্যন্ত উঠে যায়।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক হতে সময় লাগবে কয়েক মাস। তাই আপাতত তেলের দাম কমলেও, ভোক্তা পর্যায়ে এর প্রভাব দ্রুত পড়বে এমন আশা কম। সব মিলিয়ে, হরমুজ প্রণালি উন্মুক্ত করার এই ঘোষণা বিশ্ববাজারে স্বস্তি আনলেও, অনিশ্চয়তা এখনো পুরোপুরি কাটেনি।

বিশ্বের শক্তিশালী পাসপোর্ট সূচকে আবারও পিছিয়েছে বাংলাদেশ। নতুন প্রকাশিত এই সূচকে দুই ধাপ নেমে বাংলাদেশের অবস্থান এখন ৯৫তম।
লন্ডনভিত্তিক প্রতিষ্ঠান হেনলি অ্যান্ড পার্টনার্স (Henley & Partners) প্রকাশিত সর্বশেষ বৈশ্বিক পাসপোর্ট সূচক অনুযায়ী, বাংলাদেশি পাসপোর্টধারীরা এখন আগাম ভিসা ছাড়া বিশ্বের ৩৬টি দেশে ভ্রমণের সুযোগ পাচ্ছেন। এই তালিকায় রয়েছে এশিয়া, আফ্রিকা, ক্যারিবীয় ও ওশেনিয়া অঞ্চলের বেশ কয়েকটি দেশ। ভিসামুক্ত বা অন-অ্যারাইভাল সুবিধা পাওয়া দেশগুলোর মধ্যে আছে মালদ্বীপ, নেপাল, ভুটান, শ্রীলঙ্কা এবং কেনিয়া।
এছাড়াও ক্যারিবীয় অঞ্চলের জ্যামাইকা, বাহামাস ও বার্বাডোস এবং প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের ফিজি, সামোয়া ও ভানুয়াতু সহ আরও কয়েকটি দেশে ভ্রমণ করা যাবে সহজ শর্তে। তবে এদের মধ্যে কিছু দেশে পৌঁছে ভিসা নিতে হয়, আবার কিছু ক্ষেত্রে প্রয়োজন হয় ই-ভিসা।
এদিকে শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় শীর্ষ অবস্থান ধরে রেখেছে সিঙ্গাপুর। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত। তৃতীয় অবস্থানে আছে সুইডেন। আর চতুর্থ স্থানে রয়েছে জার্মানি, ফ্রান্স এবং ইতালি সহ ইউরোপের একাধিক দেশ। বিশেষজ্ঞদের মতে, আন্তর্জাতিক ভ্রমণ সুবিধা বাড়াতে কূটনৈতিক সম্পর্ক জোরদার এবং ভিসা নীতিতে উন্নয়ন জরুরি। নবাংলাদেশের পাসপোর্টের অবস্থান উন্নয়নে এখন সেই দিকেই নজর দেওয়ার তাগিদ বিশ্লেষকদের।

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা নতুন করে বাড়ার মধ্যে কয়েক দিনের ব্যবধানে আরও কয়েক হাজার সেনা পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাতে জানা গেছে, এই সেনা মোতায়েনের মূল উদ্দেশ্য হলো ইরানের ওপর চাপ বাড়ানো এবং সম্ভাব্য যুদ্ধ পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুতি রাখা।
বর্তমানে যে সেনাদের পাঠানো হচ্ছে তাদের মধ্যে রয়েছে ইউএসএস জর্জ এইচ ডব্লিউ বুশ বিমানবাহী রণতরি এবং তার নিরাপত্তায় থাকা যুদ্ধজাহাজগুলোর প্রায় ৬ হাজার নৌসেনা। এছাড়া আরও প্রায় ৪ হাজার ২০০ মেরিন সদস্যও এই মোতায়েনের অংশ হিসেবে যুক্ত হচ্ছেন।
সব মিলিয়ে চলতি মাসের শেষ দিকে নতুন এই বাহিনী মধ্যপ্রাচ্যে পৌঁছাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এর ফলে ওই অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি আরও উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যাবে। পেন্টাগনের হিসাব অনুযায়ী, বর্তমানে প্রায় ৫০ হাজার মার্কিন সেনা মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতির সঙ্গে যুক্ত রয়েছে। নতুন বাহিনী যোগ হলে এই সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পাবে।
বিশ্লেষকদের মতে, এই পদক্ষেপ ইরানের সঙ্গে চলমান উত্তেজনাকে আরও জটিল করে তুলতে পারে। অন্যদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে একটি পারমাণবিক চুক্তিতে আনতে চাপ দিচ্ছেন। তিনি জানিয়েছেন, ইরান যদি চুক্তিতে রাজি না হয়, তাহলে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে।
সম্প্রতি ট্রাম্প ইরানের বন্দর ব্যবহার ও নৌ চলাচলের ওপর অবরোধ আরোপের ঘোষণা দেন। পাশাপাশি হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নিয়েও কৌশলগত চাপ বাড়ানোর চেষ্টা চলছে। ইরানও পাল্টা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে, অবরোধ অব্যাহত থাকলে পারস্য উপসাগরসহ গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক নৌপথ বন্ধ করে দেওয়া হতে পারে।
এদিকে হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র আলোচনার মাধ্যমে সমাধান চায়, তবে সব ধরনের বিকল্প খোলা রাখা হয়েছে। সামরিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অতিরিক্ত বাহিনী মোতায়েনের ফলে যুক্তরাষ্ট্রের হাতে কূটনৈতিক ও সামরিক দুই ধরনের চাপ প্রয়োগের সক্ষমতা বাড়বে।
সব মিলিয়ে, ইরান ইস্যুকে কেন্দ্র করে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা এখন আরও স্পষ্টভাবে সংঘাতমুখী পরিস্থিতির দিকে এগোচ্ছে বলে আশঙ্কা করছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা।