ঈদের দিন ঘুরে আসুন পুরান ঢাকার দর্শনীয় স্থানগুলো

ছবি: সংগৃহীত- পুরান ঢাকার দর্শনীয় স্থান
আহসান মঞ্জিল বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে কুমারটুলিতে অবস্থিত পুরান ঢাকার এক অনন্য ঐতিহাসিক নিদর্শন। ১৮৫৯ থেকে ১৮৭২ সালের মধ্যে নির্মিত এই দৃষ্টিনন্দন প্রাসাদটি ছিল ঢাকার নবাবদের সরকারি বাসভবন ১৯৯২ সালে এটিকে বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের অধীনে এনে একটি সমৃদ্ধ জাদুঘরে রূপান্তর করা হয়, যা ঢাকার রাজকীয় ইতিহাসকে ধারণ করে আছে।

রোজ গার্ডেন প্যালেস পুরান ঢাকার টিকাটুলির কে এম দাস লেনে অবস্থিত। জমিদার ঋষিকেশ দাস তার ব্যক্তিগত জলসাঘর এবং বিনোদনের কেন্দ্র হিসেবে অত্যন্ত বিলাসবহুলভাবে এটি নির্মাণ করেছিলেন। কারুকাজ খচিত স্তম্ভ, সুন্দর ফোয়ারা এবং চমৎকার শ্বেতপাথরের মূর্তি ঘেরা এই প্রাসাদটি।

লালবাগ কেল্লা বুড়িগঙ্গার কোল ঘেঁষে দাঁড়িয়ে থাকা ১৭ শতকের অসমাপ্ত লালবাগ কেল্লা। মোগল আমলের এক অপূর্ব শিল্পকীর্তি। কেল্লার অভ্যন্তরে সুদৃশ্য পরী বিবির মাজার, রাজকীয় হাম্মামখানা (গোসলখানা) এবং তিন গম্বুজবিশিষ্ট শাহি মসজিদ মোগল ঐতিহ্যের রাজকীয় সাক্ষ্য বহন

বিউটি বোর্ডিং পুরান ঢাকার বাংলাবাজারের শ্রীদাস লেনে অবস্থিত। বিউটি বোর্ডিং কেবল একটি প্রাচীন হোটেল বা রেস্তোরাঁ নয়, বরং এটি বাঙালি সংস্কৃতির এক ঐতিহাসিক মিলনমেলা। ১৯৪০-এর দশকে যাত্রা শুরু করা এই সাধারণ হলুদ রঙের বাড়িটি দেশভাগের পর থেকে ঢাকা ও বাংলার খ্যাতনামা কবি, লেখক, বুদ্ধিজীবী এবং রাজনীতিকদের আড্ডার প্রাণকেন্দ্রে পরিণত হয়।

বলধা গার্ডেন পুরান ঢাকার ওয়ারীতে অবস্থিত বলধা গার্ডেন বাংলাদেশের অন্যতম প্রাচীন এবং সমৃদ্ধ একটি উদ্ভিদ উদ্যান। প্রকৃতির প্রতি গভীর অনুরাগ থেকে জমিদার নরেন্দ্র নারায়ণ রায় চৌধুরী ১৯০৯ সালে প্রায় ৩.১৫ একর জমির ওপর বাগানটি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। বাগানটি দুটি অংশে বিভক্ত—গ্রিক প্রকৃতির দেবীর নামে ‘সাইবেলি’ এবং আত্মার প্রতীক হিসেবে ‘সাইকি’।

প্রাইমটিভি/বিএম










