আর্জেন্টিনা আবারও বিশ্বকাপ জয়ের মিশনে নামছে লিওনেল স্কালোনির অভিজ্ঞতা ও পরিচিত কোর স্কোয়াডকে ভর করে। তবে এবারের দল ঘোষণায় সবচেয়ে বড় আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে আক্রমণভাগের অন্যতম ভরসা ও ২০২২ বিশ্বকাপজয়ী দলের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য আনহেল দি মারিয়ার এর অনুপস্থিতি।

দি মারিয়ার না থাকা নিয়ে সমর্থকদের মধ্যে প্রশ্ন উঠেছে, এই মহাতারকা ছাড়া আর্জেন্টিনার স্কোয়াড কতটা প্রস্তুত বিশ্বকাপের জন্য !

২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপজয়ী দলের ১৭ জন ফুটবলারই এবারও আছেন ২৩তম আসরের চূড়ান্ত দলে, যা দলের ধারাবাহিকতা ও স্থিতিশীলতার বড় প্রমাণ। তবুও দি মারিয়ার শূন্যতা আক্রমণভাগে স্পষ্টভাবেই অনুভূত হচ্ছে।

এই শূন্যতা পূরণে এখন ভরসা রাখা হচ্ছে তরুণদের ওপর। আলেহান্দ্রো গারনাচো, ভালেন্তিন বার্কো এবং নিকো পাজদের মতো নতুন মুখদের জন্য সুযোগ তৈরি হয়েছে জাতীয় দলে নিজেদের প্রমাণ করার।

মিডফিল্ডে আর্জেন্টিনার শক্তি এখন আরও পরিণত ও ভারসাম্যপূর্ণ। এনজো ফার্নান্দেজ, অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার এবং রদ্রিগো দি পলরা ফর্মের শীর্ষে থেকে দলকে নিয়ন্ত্রণ দিচ্ছেন। তবে গুইডো রদ্রিগেজের মতো অভিজ্ঞ খেলোয়াড়ের বাদ পড়া কিছুটা চমক তৈরি করেছে।

আক্রমণে মূল ভরসা লিওনেল মেসি এবং হুলিয়ান আলভারেজ। তাদের সঙ্গে লাওতারো মার্তিনেজ থাকায় গোল করার শক্তি নিয়ে খুব বেশি প্রশ্ন নেই, তবে ফিটনেস ও ক্লাব ব্যস্ততা নিয়ে কিছু অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে।

রক্ষণভাগে অভিজ্ঞতার ওপর নির্ভরতা বেশি। ক্রিস্টিয়ান রোমেরো ও নিকোলাস ওতামেন্দিকে কেন্দ্র করে গড়া ডিফেন্স লাইনকে এবারও বড় পরীক্ষার মুখে পড়তে হতে পারে। গোলপোস্টে এমিলিয়ানো মার্টিনেজ থাকায় আর্জেন্টিনা কিছুটা স্বস্তিতে রয়েছে।

সব মিলিয়ে অভিজ্ঞতা ও তারুণ্যের মিশেলে গড়া এই আর্জেন্টিনা দল আবারও বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন দেখছে। তবে দি মারিয়া-পরবর্তী যুগে এই দল কতটা ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পারবে, সেটাই এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন।

প্রাইমটিভি/এনজি