ইরানের সঙ্গে চলমান পারমাণবিক আলোচনায় অগ্রগতি হলেও চুক্তি না হলে সামরিক পদক্ষেপে যেতে প্রস্তুত রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এমনটাই জানিয়েছেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জে. ডি. ভ্যান্স

হোয়াইট হাউসে এক ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র “লকড অ্যান্ড লোডেড” অবস্থায় রয়েছে। অর্থাৎ, প্রয়োজন হলে যেকোনো সময় সামরিক অভিযান চালানোর সক্ষমতা ও প্রস্তুতি মার্কিন বাহিনীর রয়েছে।

ভ্যান্স জানান, ইরানের সঙ্গে আলোচনায় “উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি” হয়েছে এবং উভয় পক্ষই একটি সমঝোতায় পৌঁছাতে আগ্রহী। তবে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান স্পষ্ট কোনোভাবেই ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জনের সুযোগ দেওয়া হবে না।

তিনি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র এখনো কূটনৈতিক সমাধানকেই অগ্রাধিকার দিচ্ছে। তবে আলোচনা ব্যর্থ হলে বিকল্প পথও খোলা রাখা হয়েছে।

মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্টের ভাষায়, “আমরা একটি চুক্তি চাই। কিন্তু যদি তা সম্ভব না হয়, তাহলে আমাদের হাতে অন্য বিকল্পও রয়েছে। প্রয়োজনে আবারও সামরিক অভিযান শুরু করা হতে পারে।”

এদিকে, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কূটনৈতিক প্রচেষ্টাকে এগিয়ে নিতে আগ্রহী বলেও জানান ভ্যান্স। একই সঙ্গে জাতীয় নিরাপত্তার প্রশ্নে কঠোর অবস্থান বজায় রাখার ইঙ্গিতও দিয়েছেন তিনি।

বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার এই আলোচনা মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতিতে বড় প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষ করে পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে দুই দেশের দীর্ঘদিনের উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে সামরিক বিকল্পের ইঙ্গিত নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে।

প্রাইমটিভি/এনজি