ভারতের গুজরাটের মেহসানায় স্ত্রী ও দুই বছর বয়সী কন্যাসন্তানকে হত্যার পর ঘরের মেঝেতে মাটিচাপা দিয়ে সাত মাস একই বাড়িতে বসবাসের এক হাড়হিম করা ঘটনা সামনে এসেছে। হত্যাকারী গিরিশের আত্মহত্যার পর তার পকেট থেকে উদ্ধার হওয়া চিঠি থেকে এই রোমহর্ষক তথ্য জানতে পেরেছে পুলিশ।

চলতি মাসের ৪ মে মেহসানার একটি সরকারি হাসপাতালের ছাদ থেকে লাফিয়ে আত্মহত্যা করেন ৩০ বছর বয়সী গিরিশ। পুলিশ তার মরদেহ থেকে একটি সুইসাইড নোট উদ্ধার করে, যেখানে তিনি প্রায় সাত মাস আগে স্ত্রী প্রিয়াঙ্কা (২৯) ও মেয়ে পরীকে হত্যার পর লাশ ঘরেই পুঁতে রাখার কথা স্বীকার করেন।পরে পুলিশ ও ম্যাজিস্ট্রেট গিয়ে ঘরের চার ফুট গভীর থেকে মা ও মেয়ের কঙ্কাল উদ্ধার করে।

পুলিশ জানায়, হত্যার পর গিরিশ লাশের ওপর সিমেন্টের প্লাস্টার করে দেয় এবং অন্য এক যমজ কন্যাকে নিয়ে সেই ঘরের মেঝেতেই নিয়মিত খাওয়া-দাওয়া ও বসবাস করত। মূলত পারিবারিক কলহ ও আর্থিক অনটনের জেরে ২০২৫ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর এই হত্যাকাণ্ড ঘটে। এরপর প্রিয়াঙ্কা নিখোঁজ দাবি করে সবাইকে ফাঁকি দিলেও, সম্প্রতি প্রিয়াঙ্কার পরিবার থানায় অভিযোগ করায় পুলিশ গিরিশকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকে। ফেঁসে যাওয়ার ভয়ে থানায় আসার আগেই আত্মহত্যা করেন গিরিশ।

প্রাইমটিভি/বিএম