কুমিল্লার দাউদকান্দিতে ধর্ষণ মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় নেতা মো. জিসান আহম্মেদ প্রধানকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। সংগঠনটি জানিয়েছে, অভিযোগ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে প্রাথমিক তথ্য ও অভ্যন্তরীণ পর্যালোচনার ভিত্তিতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

শনিবার (১৩ জুন) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বিবৃতিতে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির-এর কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক এস এম ফরহাদ জানান, অভিযুক্ত জিসান আহম্মেদের সঙ্গে ভুক্তভোগীর প্রাথমিকভাবে প্রেমের সম্পর্কের সত্যতা পাওয়া গেছে বলে দাবি করা হয়েছে। সংগঠনের বিধি অনুযায়ী তাকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, জিসান আহম্মেদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ আদালতে প্রমাণিত হলে ভুক্তভোগী নারীকে আইনগত সহায়তা দেবে সংগঠনটি।

তবে সংগঠনটির পক্ষ থেকে মামলার প্রক্রিয়া ও ঘটনাপ্রবাহ নিয়ে প্রশ্নও তোলা হয়েছে। বিবৃতিতে দাবি করা হয়, গ্রেপ্তারের পর থেকে শনিবার দুপুর পর্যন্ত অভিযুক্তের সঙ্গে তার পরিবারের সদস্য বা সংগঠনের কোনো প্রতিনিধিকে দেখা করতে দেওয়া হয়নি। এছাড়া পুলিশের পক্ষ থেকে নেওয়া পদক্ষেপ নিয়ে স্বচ্ছতার ঘাটতি রয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়।

অন্যদিকে, মামলার বাদীপক্ষের বরাতে সংগঠনটি জানায়, ভুক্তভোগীর পরিবারের সদস্যরা ঘটনার বিস্তারিত ও পরবর্তী প্রক্রিয়া সম্পর্কে পুরোপুরি অবগত নন বলে দাবি করেছেন।

এর আগে, বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ ও জোরপূর্বক গর্ভপাতের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় জিসান আহম্মেদ প্রধানকে গ্রেপ্তার করে দাউদকান্দি থানা পুলিশ। দাউদকান্দি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানান, নির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

ঘটনাটি ঘিরে স্থানীয়ভাবে আলোচনা ও বিতর্ক তৈরি হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, তদন্ত শেষে পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

প্রাইমটিভি/এমএইচ