ওরা ১১ জন- ছাত্রদলের কমিটিতে ছাত্রলীগ

ছবি- সংগৃহীত
গত ১'মে কেন্দ্রীয় ছাত্রদল ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ শাখার ৫১ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করে। এরপরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অভিযোগ ওঠে যে, ২০২৩ সালের কলেজ ছাত্রলীগের কমিটির ১১ জন পদধারী নেতা এই নতুন কমিটিতে স্থান পেয়েছেন। বিশেষ করে ম-৫৯ ব্যাচের শিক্ষার্থীদের নাম এই তালিকায় আসায় শুরু হয় সমালোচনা।
ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমেক) শাখা ছাত্রদলের নতুন কমিটিতে ছাত্রলীগের ১১ জন নেতাকর্মীর অন্তর্ভুক্তির অভিযোগের বিপরীতে আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা দিয়েছে সংগঠনটি। মঙ্গলবার কলেজ ক্যানটিনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ছাত্রদল দাবি করে, অভিযুক্তরা স্বেচ্ছায় নয় বরং হলে সিট পাওয়ার তাগিদে ‘বাধ্যতামূলকভাবে’ ছাত্রলীগের তালিকায় নাম লিখিয়েছিলেন।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে সদস্যসচিব মেহেদী হাসান জানান, কলেজে আবাসন সুবিধা অত্যন্ত সীমিত (১৫-২০ শতাংশ)। বিগত সরকারের সময় হলে থাকতে হলে শিক্ষার্থীদের ওপর জোরপূর্বক ছাত্রলীগের পদ চাপিয়ে দেওয়া হতো। যাদের নিয়ে সমালোচনা হচ্ছে, তারা ছাত্রলীগের কোনো রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন না। শুধুমাত্র হলে থাকার কারণেই তাদের নামে ‘ছাত্রলীগের সিল’ মারা হয়েছিল।
এছাড়াও অভিযুক্তরা জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে ছাত্রদলের পাশে থেকে সক্রিয় ভূমিকা রেখেছেন। সেই যাচাই-বাছাইয়ের ভিত্তিতেই তাদের কমিটিতে রাখা হয়েছে বলে সম্মেলনে সদস্য সচিব জানান।
সংগঠনটির পক্ষ থেকে আরও দাবি করা হয়, ৫ আগস্টের পর যারা 'গুপ্ত রাজনীতি' শুরু করেছে, তারাই পরিকল্পিতভাবে ছাত্রদলকে হেয় করতে এই তথ্য ছড়াচ্ছে। সংবাদ সম্মেলনে আহ্বায়ক তানভীর আব্দুল্লাহসহ স্থানীয় শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
ছাত্রদল বলছে, অভিযুক্ত ১১ জন আসলে ছাত্রলীগের কর্মী ছিলেন না; হলে থাকার জন্য তাদের নাম ছাত্রলীগের কমিটিতে ব্যবহার করা হয়েছিল এবং তারা জুলাই আন্দোলনে সক্রিয় ছিলেন।

ডেস্ক রিপোর্ট
© 2026 প্রাইম টেলিভিশন, সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।









