মহানবী হযরত মোহাম্মাদ (স.) নিয়ে কটুক্তিকারীদের মৃত্যুর বিঁধান রেখে সংসদে আইন পাস করার দাবি জানিয়েছেন মাদারীপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য আবু সায়েদ মোহাম্মাদ হানজালা।

গতকালকে ত্রয়োদশ সংসদ অধিবেশনের ১৪তম দিনে রাষ্ট্রপতির ভাষনের ওপর আনা ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় তিনি এই দাবি করেন।

হানজালা বলেন,আমি স্বরণ করে দিতে চাই আমি যে আসন থেকে নির্বাচন করেছি সেই আসনে বাংলার ঐতিহাসিক নক্ষত্রের জন্ম হয়েছে।যার জন্ম না হলে ১৯৪৭ হতো না।তিনি নিজের জীবন বাজি রেখে বিট্রিশ বিরোধী আন্দোলন করেছেন সেই বিট্রিশ বিরোধী আন্দোলনের অন্যতম নেতা হাজী শরীয়তুল্লার বংশধরের সন্তান হিসেবে আল্লাহ আমাকেও কবুল করেছেন।

তিনি আরও বলেন,হাজী শরিয়তুল্লা এই দেশকে অন্যায় অবিচার থেকে মুক্ত করার জন্য লড়াই করেছেন।এদেশের কৃষকরা ছিলো নির্যাতিত।এদেশের মুসলমানরা ছিলো নির্যাতিত।একদিকে ব্রিটিশরা বাংলার মুসলমানদের উপর নির্যাতন করছিলো অপর দিকে হিন্দু জমিদাররা মুসলমানদের উপর এক চেটিয়া অন্যায় অবিচার চালিয়েছে।তখনই বাংলায় হাজী শরিয়তুল্লার আগমন হয়।তিনি যে ইনসাফ প্রতিষ্ঠার লড়াই সংগ্রাম শুরু করেন সেই আন্দোলন থেকেই ১৯৪৭ আসে এবং ১৯৪৭ সাল পাওয়ার কারনেই আমরা ১৯৭১ পেয়েছি।

তিনি সংসদে দাঁড়িয়ে আরও বলেন,আজ আমি সংসদে দাড়িয়েছি শুধু শিবচরের কথা বলার জন্য নয়।আমরা বিশাল একটা কমিউনিটি বিলং করি আমাদের দিকে দেশের প্রায় ৩০ থেকে ৪০ লক্ষ্য ওলামায়ে কেরাম তাকিয়ে আছেন।তাদের আওয়াজ যেনো সংসদ থেকে দিতে পারি।

মহানবীকে কটুক্তকারীদের নিয়ে তিনি বলেন,আমাদের দেশে কিছু মানুষ আছে যারা নবীকে অস্বীকার করে কিন্তু তারা নিজেদের মুসলমান হিসেবে দাবি করে।আমি প্রধানমন্ত্রীকে বলবো আপনি দেশে ইতিহাস রচনা করে যাবেন।যারা নবীকে অস্বিকার করবে তারা মুসলমান থাকতে পারবে না।আইনের মাধ্যমে এটা বাংলাদেশের সংসদ থেকে ঘোষনা করতে হবে।

তিনি আরও বলেন,আমরা আমাদের নবীকে সবচেয়ে বেশি ভালোবাসি।আমরা বারবার দেখি কিছু মানুষ নবীর বিরুদ্ধে কটূক্তি করে অশ্লীল ভাষায় গালাগাল করে।বাংলাদেশে অব্যশই মুসলামানদের সংখ্যা বেশি।আমরা তো অন্য কিছু চাচ্ছি না।এদেশের মানুষ নামাজ না পড়লেও কেহ যদি নবীকে নিয়ে খারাপ মন্তব্য করে তাহলে তার কলিজা ছিড়ে যায়।তারা রাজপথে নেমে যায়।আমি বলবো যারা নবীকে নিয়ে কটুক্ত করে খারাপ মন্তব্য করেন তাদের যেনো মৃত্যু দন্ড হয়।এই আইনটাও যেনো সংসদ থেকে পাস হয়।

আমি বলবো, যারা নবীকে কটুক্তি করে গালাগাল করে, নবীর শানে বেয়াদবী করে তাদের চূড়ান্ত শাস্তি যেনো মৃত্যুদণ্ড হয়।এবং হাদি হত্যার বিচারের দাবীও যোগ করেন হানজালা।