দিন ও রাতের সংযোগস্থল হওয়ায় এই সময়কে সন্ধ্যা বলা হয়। হিন্দু ধর্ম বা সনাতন ধর্মে সন্ধ্যা সময়কে একটি পবিত্র মুহূর্ত হিসেবে ধরা হয়। এটি পূজা-অর্চনার জন্য বিশেষ উপযুক্ত। ধূপ-ধুনার সুগন্ধ ঘরের পরিবেশকে শুদ্ধ ও শান্ত করে। নেতিবাচক শক্তি দূর করা, বিশ্বাস করা হয়, ধোঁয়া অশুভ শক্তি দূর করে এবং ইতিবাচক শক্তিকে আহ্বান করে। ধূপ-ধুনার সুগন্ধ মনকে স্থির করে, ফলে প্রার্থনায় মনোযোগ বাড়ে।

ধর্মীয়ভাবে, কপুর রয়েছে বিশেষ গুন। এটি ঈশ্বরের প্রতি ভক্তি ও আত্মশুদ্ধির প্রতীক। বৈজ্ঞানিকভাবে, ধূপ ও কপুরের ধোঁয়া বাতাসে কিছু জীবাণু কমাতে সহায়ক হতে পারে মনকে শান্ত করতে সাহায্য করে। সন্ধ্যায় ধূপ-ধুনা ও কপুর জ্বালানো শুধু একটি রীতি নয় এটি একধরনের আধ্যাত্মিক অনুশীলন, যা ঘরের পরিবেশকে পবিত্র করে, মনকে শান্ত রাখে এবং মানুষকে ঈশ্বরের কাছে আরও কাছাকাছি নিয়ে আসে।

 বিশেষ করে আরতির সময় কর্পূর বা কপুর জ্বালানো পূজার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। আত্মশুদ্ধির প্রতীক কর্পূর সম্পূর্ণভাবে জ্বলে ছাই না রেখে বিলীন হয়ে যায়। এটি মানুষের অহংকার ত্যাগ ও আত্মসমর্পণের প্রতীক। কপুরের ধোঁয়া পরিবেশকে জীবাণুমুক্ত করতে সাহায্য করে। দেবতার প্রতি ভক্তি প্রকাশ, আরতির সময় কপুরের আলো দেবতার প্রতি শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা প্রকাশ করে। এর গন্ধ মনকে প্রশান্ত করে এবং পূজার পরিবেশকে আরও আধ্যাত্মিক করে তোলে।