• সংরক্ষিত আসনের প্রস্তাব ফিরিয়ে দিলেন তাসনিম জারা: সংসদে গেলে জনগণের ভোটেই যাবেন তিনি
• ফতুল্লায় গুদারাঘাটের ইজারা নিয়ে বিএনপি-এনসিপি সংঘর্ষঃ আহত ৫
•অনলাইন প্রতারণার নতুন ফাঁদ: ‘বুলসুক’ কোম্পানির বিরুদ্ধে কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ, নেপথ্যে তৌহিদ-ইমন গং!
•সিন্ডিকেটের হাতে জনগণকে জিম্মি হতে দেবে না সরকার: বাণিজ্যমন্ত্রী
•গ্রাফিতিতে গুপ্ত লেখা’কে কেন্দ্র করে, চট্টগ্রাম সরকারি সিটি কলেজে ছাত্রদল-শিবির সংঘর্ষ
•স্থায়ীভাবে ইরান যুদ্ধ বন্ধের দাবিতে এবার মার্কিন সেনাদের বিক্ষোভ
•বস্ত্র ও পাট খাতে নতুন প্রাণের সঞ্চার, সচল হতে যাচ্ছে বন্ধ মিলগুলোঃ বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী
• মনের মানুষ খুঁজতে কক্সবাজার গেলেন হিরো আলম
•পার্বত্য মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান এমপি’র সাথে কানাডিয়ান হাইকমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাৎকার
•(ঢামেক) ছাত্রী কমন রুম থেকে এপ্রোন ও স্টেথোস্কোপসহ এক ভুয়া শিক্ষার্থীকে আটক
•এসএসসি পরীক্ষার প্রথম দিনে অনুপস্থিত ছিলো প্রায় ২৫ হাজার শিক্ষার্থী
•মুক্তি পাওয়ার আগেই ২৫০ কোটি টাকা আয় করেছে ‘কিং’ সিনেমা
•এই সপ্তাহেই তৈরি হবে এইচএসসি পরীক্ষার রুটিন : শিক্ষামন্ত্রী
•বাংলাদেশের ‘আলী’ জার্মানিতে পুরস্কার জিতল
•ইতালির রাষ্ট্রদূতের সাথে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠক: দক্ষ কর্মী নিতে আগ্রহী ইতালি
• যৌন হয়রানি নিয়ে বিরূপ মন্তব্য করে বিপাকে অভিনেত্রী হানসিকা মোতওয়ানি
•ঠাকুরগাঁওয়ে উৎসবমুখর পরিবেশে শুরু হলো এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা
•মে দিবসে মঞ্চে আসছে আরণ্যকের ‘রাঢ়াঙ’
•অস্ত্র রপ্তানি উন্মুক্ত করল জাপান: যুদ্ধজাহাজ ও ক্ষেপণাস্ত্র যাচ্ছে ১৭ দেশে
•সবচেয়ে বেশি বয়সী মুরগির স্বীকৃতি পেলো ‘গার্টি’
• সংরক্ষিত আসনের প্রস্তাব ফিরিয়ে দিলেন তাসনিম জারা: সংসদে গেলে জনগণের ভোটেই যাবেন তিনি
• ফতুল্লায় গুদারাঘাটের ইজারা নিয়ে বিএনপি-এনসিপি সংঘর্ষঃ আহত ৫
•অনলাইন প্রতারণার নতুন ফাঁদ: ‘বুলসুক’ কোম্পানির বিরুদ্ধে কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ, নেপথ্যে তৌহিদ-ইমন গং!
•সিন্ডিকেটের হাতে জনগণকে জিম্মি হতে দেবে না সরকার: বাণিজ্যমন্ত্রী
•গ্রাফিতিতে গুপ্ত লেখা’কে কেন্দ্র করে, চট্টগ্রাম সরকারি সিটি কলেজে ছাত্রদল-শিবির সংঘর্ষ
•স্থায়ীভাবে ইরান যুদ্ধ বন্ধের দাবিতে এবার মার্কিন সেনাদের বিক্ষোভ
•বস্ত্র ও পাট খাতে নতুন প্রাণের সঞ্চার, সচল হতে যাচ্ছে বন্ধ মিলগুলোঃ বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী
• মনের মানুষ খুঁজতে কক্সবাজার গেলেন হিরো আলম
•পার্বত্য মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান এমপি’র সাথে কানাডিয়ান হাইকমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাৎকার
•(ঢামেক) ছাত্রী কমন রুম থেকে এপ্রোন ও স্টেথোস্কোপসহ এক ভুয়া শিক্ষার্থীকে আটক
•এসএসসি পরীক্ষার প্রথম দিনে অনুপস্থিত ছিলো প্রায় ২৫ হাজার শিক্ষার্থী
•মুক্তি পাওয়ার আগেই ২৫০ কোটি টাকা আয় করেছে ‘কিং’ সিনেমা
•এই সপ্তাহেই তৈরি হবে এইচএসসি পরীক্ষার রুটিন : শিক্ষামন্ত্রী
•বাংলাদেশের ‘আলী’ জার্মানিতে পুরস্কার জিতল
•ইতালির রাষ্ট্রদূতের সাথে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠক: দক্ষ কর্মী নিতে আগ্রহী ইতালি
• যৌন হয়রানি নিয়ে বিরূপ মন্তব্য করে বিপাকে অভিনেত্রী হানসিকা মোতওয়ানি
•ঠাকুরগাঁওয়ে উৎসবমুখর পরিবেশে শুরু হলো এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা
•মে দিবসে মঞ্চে আসছে আরণ্যকের ‘রাঢ়াঙ’
•অস্ত্র রপ্তানি উন্মুক্ত করল জাপান: যুদ্ধজাহাজ ও ক্ষেপণাস্ত্র যাচ্ছে ১৭ দেশে
•সবচেয়ে বেশি বয়সী মুরগির স্বীকৃতি পেলো ‘গার্টি’


খাগড়াছড়ির রামগড় উপজেলায় আগুনে পুড়ে গেছে একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৬ টি কক্ষ। এতে শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
গতকাল শনিবার সন্ধ্যায় উপজেলার পাতাছড়া ইউনিয়নের কলাবাড়ী উচ্চবিদ্যালয়ে এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। স্থানীয়দের তথ্য অনুযায়ী, সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে বিদ্যালয়ের একটি কক্ষ থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। পরে তা দ্রুত আশপাশের কক্ষগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় এক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবদুল কাদের জানান, আগুনে প্রধান শিক্ষকের কক্ষসহ একাধিক শ্রেণিকক্ষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পুড়ে গেছে আসবাবপত্র, কম্পিউটার এবং গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র। ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তা বিশ্বান্ত বড়ুয়া জানিয়েছেন, আগুন লাগার সুনির্দিষ্ট কারণ এখনো জানা যায়নি। তদন্তের পর বিস্তারিত তথ্য নিশ্চিত করা হবে।
এদিকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী শামীম বলেন, আগুনে বিদ্যালয়ের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত করা হবে বলেও জানান তিনি। ২০২২ সালে প্রত্যন্ত কলাবাড়ী এলাকায় প্রতিষ্ঠিত এই বিদ্যালয়টি স্থানীয় শিক্ষার্থীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। তবে সাম্প্রতিক এই অগ্নিকাণ্ডে পাঠদান কার্যক্রমে বিঘ্ন ঘটার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষার্থীদের জন্য দ্রুত বিকল্প ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে ‘তিক্ত পরাজয়ের’ হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা আলী খামেনি। রোববার ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে প্রচারিত এক বার্তায় তিনি বলেন, যে কোনো আগ্রাসনের জবাবে প্রস্তুত রয়েছে ইরানের নৌবাহিনী। তাঁর ভাষায়, শত্রুদের জন্য অপেক্ষা করছে নতুন ও তিক্ত পরাজয়। মধ্যপ্রাচ্যের গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে যখন উত্তেজনা বাড়ছে, তখনই এ ধরনের কড়া বার্তা দিলেন খামেনি।
এদিকে, একই প্রণালিতে অন্তত দুটি বাণিজ্যিক জাহাজ লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ার খবর পাওয়া গেছে।এতে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, হরমুজ প্রণালির পরিস্থিতি আরও অবনতি হলে বৈশ্বিক তেলের বাজারে বড় ধরনের অস্থিরতা দেখা দিতে পারে। পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছে বিশ্ব শক্তিগুলো। তবে উত্তেজনা প্রশমনে এখনো কোনো কূটনৈতিক অগ্রগতির ইঙ্গিত পাওয়া যায়নি। এই অবস্থায়, মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেয়, সেটাই এখন দেখার বিষয়।

ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরীফ ওসমান হাদিকে হত্যায় ব্যবহৃত অস্ত্র বিক্রির অভিযোগে আটক মাজেদুল হক ওরফে হেলাল আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।
শনিবার তিন দিনের রিমান্ড শেষে তাকে ঢাকার আদালতে হাজির করা হয়। এরপর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের সহকারী পুলিশ সুপার আবদুল কাদির ভূঁঞা তার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি রেকর্ড করার আবেদন করেন। আদালত আবেদন মঞ্জুর করে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলামের আদালতে তার জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়। পরে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন আদালত। এর আগে গত ১৫ এপ্রিল হেলালকে তিন দিনের রিমান্ডে পাঠানো হয়েছিল। তিনি চট্টগ্রামের হামিদুল হক আর্মস অ্যান্ড কোং নামে একটি অস্ত্র বিক্রির দোকানের মালিক বলে জানা গেছে। গত ১৪ এপ্রিল চট্টগ্রামের চকবাজার থানার হারেছ শাহ মাজার লেন থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে ডিবি পুলিশ।
উল্লেখ্য, জুলাই আন্দোলন এবং আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের দাবির আন্দোলনের মধ্যে পরিচিতি পাওয়া শরীফ ওসমান হাদি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা আট আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন। গত বছরের ১২ ডিসেম্বর রাজধানীর বিজয়নগর এলাকায় গণসংযোগের সময় তিনি গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হন। পরে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে অস্ত্রোপচার করা হয়। এরপর তাকে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয় এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৮ ডিসেম্বর তার মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়।
এ ঘটনায় গত ১৪ ডিসেম্বর ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের হত্যা চেষ্টা মামলা করেন। পরবর্তীতে মামলাটিতে হত্যার ধারা যুক্ত করা হয়। তদন্ত শেষে ডিবি পুলিশ ১৭ জনকে আসামি করে অভিযোগপত্র দাখিল করে। তবে সেই অভিযোগপত্রে আপত্তি তুলে বাদীপক্ষ আদালতে নারাজি আবেদন করলে আদালত মামলাটি অধিকতর তদন্তের জন্য সিআইডিকে দায়িত্ব দেয়।
এদিকে, মামলার নতুন অগ্রগতি হিসেবে অস্ত্র বিক্রেতার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিকে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। তদন্ত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এতে হত্যাকাণ্ডের পেছনের নেটওয়ার্ক ও অস্ত্র সরবরাহ চক্র সম্পর্কে আরও তথ্য পাওয়া যেতে পারে।

সারা দেশে শিশুদের হামের টিকা না দেওয়া বিগত দুই সরকারের জীবনবিনাশী ব্যর্থতা বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি এটিকে ক্ষমাহীন অপরাধ হিসেবে উল্লেখ করে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন, যেন ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি না ঘটে। আজ শনিবার রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয় আয়োজিত উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা সম্মেলন ২০২৬-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী জানান, বর্তমান সরকার জরুরি ভিত্তিতে সারাদেশে হামের টিকা কার্যক্রম চালু করে দ্রুত পদক্ষেপ নিয়েছে। এতে পরিস্থিতির অবনতি রোধ করা সম্ভব হয়েছে। এ সময় তিনি চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদেরকেও ধন্যবাদ জানান। একই সঙ্গে যেসব পরিবার তাদের সন্তান হারিয়েছে, তাদের প্রতি গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, দেশের প্রতিটি হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রকে জবাবদিহির আওতায় এনে নাগরিকদের জন্য মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি।
স্বাস্থ্যসেবার বিকেন্দ্রীকরণে সরকারের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে উন্নত চিকিৎসা ও বিশেষজ্ঞ সেবা ঢাকাকেন্দ্রিক। এই অবস্থা থেকে বেরিয়ে এসে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে উন্নত চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দিতে কাজ করছে সরকার। শহর ও গ্রামের স্বাস্থ্যসেবার বৈষম্য দূর করাও সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার। চিকিৎসকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, চিকিৎসা পেশা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একজন চিকিৎসকের আন্তরিকতা ও আচরণ অনেক সময় ওষুধের চেয়েও বেশি কার্যকর ভূমিকা রাখে। তাই পেশাগত দক্ষতার পাশাপাশি মানবিক গুণাবলিও জরুরি।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধই উত্তম এই নীতিতে বিশ্বাস করে সরকার। রোগ প্রতিরোধে সচেতনতা বাড়ানো এবং প্রাথমিক পর্যায়েই ব্যবস্থা নেওয়ার ওপর জোর দেন তিনি। বর্তমানে দেশে মোট মৃত্যুর ৭১ শতাংশ অসংক্রামক রোগে হচ্ছে বলেও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী। স্বাস্থ্যখাতে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে তিনি জানান, পর্যায়ক্রমে জিডিপির ৫ শতাংশ স্বাস্থ্যখাতে বরাদ্দ দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। পাশাপাশি প্রতিটি উপজেলা ও ইউনিয়নে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা ইউনিট গড়ে তোলা হবে।
এ ছাড়া এক লাখ হেলথ কেয়ারার নিয়োগের সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এদের ৮০ শতাংশই হবেন নারী। তারা ঘরে ঘরে গিয়ে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা ও পরামর্শ প্রদান করবেন। ডিজিটাল স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তুলতে শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে সমন্বিত ই হেলথ কার্ড। এর মাধ্যমে দেশের প্রতিটি নাগরিকের স্বাস্থ্যতথ্য সংরক্ষিত থাকবে এবং যেকোনো স্থানে সহজে চিকিৎসাসেবা পাওয়া যাবে। পাশাপাশি জাতীয় স্বাস্থ্যবিমা চালুর পরিকল্পনাও রয়েছে সরকারের।
সবশেষে উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী আহ্বান জানান, তারা যেন নিজ নিজ এলাকায় জবাবদিহিমূলক, মানবিক ও জনগণকেন্দ্রিক স্বাস্থ্যসেবাব্যবস্থা গড়ে তুলতে নেতৃত্ব দেন।

ভারতের লোকসভায় নারী আসন সংরক্ষণ ও আসন পুনর্বিন্যাস নিয়ে প্রস্তাবিত সংশোধনী বিল পাস না হওয়ায় বড় ধাক্কা খেল নরেন্দ্র মোদি সরকার। গত ১২ বছরের মধ্যে এই প্রথম কোনো আইন সরাসরি সংসদে পরাজয়ের মুখ দেখলো তাদের সরকার।
শুক্রবার একজোটে বিরোধী দলগুলো প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির শেষ মুহূর্তের ‘বিবেক অনুযায়ী ভোট’ দেওয়ার আহ্বান প্রত্যাখ্যান করে। একই সঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর প্রস্তাবও নাকচ করে দেওয়া হয়, যেখানে প্রতিটি রাজ্যে লোকসভা আসন ৫০ শতাংশ বাড়ানোর বিষয়টি যুক্ত করার কথা ছিল। ভোটাভুটিতে বিলটির পক্ষে পড়ে ২৯৮ ভোট, বিপক্ষে ২৩২। তবে পাস হতে প্রয়োজন ছিল অন্তত ৩৫২টি সমর্থন। ফলে সংবিধানের ১৩১তম সংশোধনী বিলটি শেষ পর্যন্ত পাস হয়নি।
বিরোধীদের অভিযোগ, ২০২৯ সাল থেকে নারী সংরক্ষণের প্রতিশ্রুতি দেওয়া এই বিল আসলে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তাদের দাবি, এর মাধ্যমে দক্ষিণ ভারতের প্রতিনিধিত্ব কমিয়ে বিজেপির পক্ষে নির্বাচনি মানচিত্র পুনর্গঠন এবং জাতিগত গণনা বিলম্বিত করার চেষ্টা করা হয়েছে। যদিও অমিত শাহ দাবি করেছেন, প্রস্তাবিত পদ্ধতিতে দক্ষিণের রাজ্যগুলোর প্রতিনিধিত্ব কমবে না, বরং সামান্য বাড়বে। পাশাপাশি সরকার জাতিগত গণনা করতেও প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলে জানান তিনি।
এদিকে বিলটি পাস না হওয়ায় সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী কিরেন রিজিজু জানিয়েছেন, সংশ্লিষ্ট আরও দুটি বিল প্রত্যাহার করা হবে। এর মধ্যে ডিলিমিটেশন সংক্রান্ত একটি বিলও রয়েছে। ভোটের আগে আবেগঘন বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সংসদ সদস্যদের উদ্দেশ্যে বলেন, নিজের বিবেকের কথা ভাবুন এবং পরিবারের নারীদের কথা স্মরণ করে এই বিলের পক্ষে দাঁড়ান। তিনি বলেন, বহু বছর ধরে নারীদের প্রতিনিধিত্ব কম থাকা উচিত নয়।
অন্যদিকে বিরোধী দলীয় নেতা রাহুল গান্ধী এই বিলের তীব্র সমালোচনা করে বলেন, এটি নারী সংরক্ষণের বিল নয়, বরং দেশের নির্বাচনি কাঠামো বদলের একটি চেষ্টা। দক্ষিণ ভারত, উত্তর-পূর্বাঞ্চল এবং ছোট রাজ্যগুলোর প্রতিনিধিত্ব কেড়ে নেওয়ার এই উদ্যোগকে তিনি দেশবিরোধী কর্মকাণ্ড বলে উল্লেখ করেন। বাজেট অধিবেশনের বর্ধিত সময়সীমার শেষ দিনে সংসদ অনির্দিষ্টকালের জন্য মুলতবি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

বাংলাদেশের শিশুদের জন্য বড় ধরনের টিকাদান সহায়তা আসছে যুক্তরাষ্ট্র থেকে। ইউনিসেফের মাধ্যমে দেশটির জন্য সরবরাহ করা হবে ২ কোটি ১৯ লাখেরও বেশি হাম ও রুবেলা প্রতিরোধী টিকা।
বুধবার ঢাকায় অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস এক বার্তায় এ তথ্য জানায়। সেখানে বলা হয়, বাংলাদেশের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় এই জরুরি টিকাদান কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এই উদ্যোগের আওতায় দেশের পাঁচ বছরের কম বয়সী প্রায় এক কোটি বিশ লাখ শিশুকে হাম ও রুবেলা রোগ থেকে সুরক্ষা দেওয়া হবে। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শিশুদের জন্য এই দুটি রোগ মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি করতে পারে, তাই সময়মতো টিকাদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
মার্কিন দূতাবাসের বার্তায় আরও জানানো হয়, এই সহায়তা যুক্তরাষ্ট্রের বৈশ্বিক স্বাস্থ্য কৌশলের অংশ হিসেবে দেওয়া হচ্ছে। এতে বলা হয়, বিদেশে সংক্রামক রোগের প্রাদুর্ভাব প্রতিরোধ করা গেলে তা শুধু সংশ্লিষ্ট দেশই নয়, যুক্তরাষ্ট্রসহ পুরো বিশ্বকেই নিরাপদ রাখবে। একই সঙ্গে বৈশ্বিক স্বাস্থ্যব্যবস্থা আরও শক্তিশালী হবে।
স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা আশা করছেন, এই টিকাদান কর্মসূচির মাধ্যমে দেশে হাম ও রুবেলা রোগের সংক্রমণ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে। বিশেষ করে প্রত্যন্ত অঞ্চলের শিশুদের জন্য এটি একটি বড় ধরনের সুরক্ষা ব্যবস্থা হিসেবে কাজ করবে। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এমন আন্তর্জাতিক সহায়তা বাংলাদেশের টিকাদান কর্মসূচিকে আরও শক্তিশালী করবে এবং শিশু মৃত্যুহার কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
সব মিলিয়ে, যুক্তরাষ্ট্রের এই উদ্যোগ বাংলাদেশের শিশুস্বাস্থ্যে একটি ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

মালয়েশিয়ায় পবিত্র কোরআনের বিশুদ্ধতা রক্ষায় নেওয়া হয়েছে কঠোর পদক্ষেপ। অননুমোদিত ও ত্রুটিপূর্ণ কোরআনের হাজারো কপি সম্মানের সঙ্গে গভীর সমুদ্রে ফেলে দিয়েছে দেশটির সরকার।
দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ মালয়েশিয়ার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত বিশেষ অভিযানে ১ হাজার ৭৫৮টি স্থানে তল্লাশি চালানো হয়। এসময় জব্দ করা হয় ৬ হাজার ৬২০টি অননুমোদিত কোরআনের কপি, যার বাজারমূল্য প্রায় ৩ লাখ ৭৮ হাজার রিঙ্গিত। শুক্রবার এক বিবৃতিতে দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাইফুদ্দিন নাসুশন ইসমাইল বলেন, কোরআনের প্রতিটি হরফ ও হরকত অত্যন্ত স্পর্শকাতর। সামান্য ভুলও এর অর্থ বদলে দিতে পারে। তাই আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে ইতোমধ্যে ৪৪টি তদন্ত শুরু হয়েছে।
সরকার আরও জানায়, নজরদারি শুধু মুদ্রিত কোরআনে সীমাবদ্ধ থাকবে না। অনলাইন প্ল্যাটফর্মে বিক্রি হওয়া ডিজিটাল ও অডিও সংস্করণের ক্ষেত্রেও নেয়া হবে একই ধরনের কঠোর ব্যবস্থা। ধর্মীয় বিধান মেনে ত্রুটিপূর্ণ কোরআনের কপিগুলো পোর্ট ক্ল্যাং উপকূলের গভীর সমুদ্রে অত্যন্ত সম্মানের সঙ্গে নিমজ্জিত করা হয়। প্রায় ২৭ লাখ রিঙ্গিত মূল্যের এসব কপি নির্দিষ্ট ব্লকে সংরক্ষণ করে বিসর্জন দেওয়া হয়, যা দেশটিতে পবিত্র ধর্মগ্রন্থের মর্যাদা রক্ষার স্বীকৃত পদ্ধতি হিসেবে বিবেচিত।
এদিকে জনসচেতনতা বাড়াতে চালু করা হয়েছে ‘জম এক্সচেঞ্জ আল-কোরআন’ কর্মসূচি। ২০২৩ সালে শুরু হওয়া এই উদ্যোগের আওতায় এখন পর্যন্ত প্রায় ৭৬ হাজারের বেশি পুরনো বা অননুমোদিত কোরআনের পরিবর্তে বিতরণ করা হয়েছে নতুন ও অনুমোদিত কপি। সরকার বলছে, এসব উদ্যোগের মাধ্যমে পবিত্র কোরআনের মর্যাদা অক্ষুন্ন রাখা এবং সঠিক সংস্করণ মানুষের হাতে পৌঁছে দেওয়ার দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
ভুল ও অননুমোদিত কোরআন নিয়ে কঠোর অবস্থানে মালয়েশিয়া সরকার

বৈশাখের শুরুতেই দেশজুড়ে তীব্র তাপদাহ। আর এতে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনজীবন। অসহনীয় গরমে বেড়েছে নানা ধরনের অসুস্থতা, বিশেষ করে পানিশূন্যতার ঝুঁকি।
চিকিৎসকরা বলছেন, অতিরিক্ত ঘামের কারণে শরীর থেকে দ্রুত পানি ও প্রয়োজনীয় খনিজ বেরিয়ে যাচ্ছে। ফলে ক্লান্তি, মাথা ঘোরা এমনকি গুরুতর অসুস্থতার ঘটনাও বাড়ছে। এই পরিস্থিতিতে পানিশূন্যতা দূর করতে অনেকেই ঝুঁকছেন খাবার স্যালাইন বা ওআরএসের দিকে। আবার কেউ কেউ ভরসা রাখছেন ফলের রসে। গরমে এই দুই ধরনের পানীয়র চাহিদাও বেড়েছে উল্লেখযোগ্যভাবে।
পুষ্টিবিদদের মতে, তাজা ফলের রস শরীরের জন্য অত্যন্ত উপকারী। এতে থাকা ভিটামিন, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও মিনারেল শরীরকে রাখে সতেজ এবং শক্তিশালী। পাশাপাশি তৃষ্ণা মেটাতেও ফলের রস কার্যকর ভূমিকা রাখে। অন্যদিকে, ওআরএস বা খাবার স্যালাইন শরীরের পানির ভারসাম্য দ্রুত ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করে। বিশেষ করে ডিহাইড্রেশন বা ডায়রিয়ার ক্ষেত্রে এটি জীবন রক্ষাকারী হিসেবে কাজ করে। কারণ, শরীর থেকে বেরিয়ে যাওয়া সোডিয়াম, পটাশিয়ামসহ প্রয়োজনীয় খনিজ পুনরায় সরবরাহ করে ওআরএস।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রচণ্ড গরমে সুস্থ থাকতে হলে নিয়মিত পর্যাপ্ত পানি পান করার পাশাপাশি ফলের রস ও ওআরএস দুইটিই প্রয়োজন অনুযায়ী গ্রহণ করা উচিত। তবে মনে রাখতে হবে, স্বাভাবিক অবস্থায় ফলের রস উপকারী হলেও, শরীরে পানিশূন্যতা মারাত্মক আকার ধারণ করলে তখন ওআরএসই হতে পারে একমাত্র ভরসা।
তাই এই গরমে সচেতন থাকুন, পর্যাপ্ত তরল গ্রহণ করুন, আর সুস্থ থাকুন।

আগামী বুধবার, ২২ এপ্রিলের মধ্যে কোনো চুক্তি না হলে ইরানে আবারও বোমা হামলা শুরু হতে পারে বলে সতর্ক করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প।
স্থানীয় সময় শুক্রবার, এয়ার ফোর্স ওয়ানে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই হুঁশিয়ারি দেন। ট্রাম্প বলেন, তিনি হয়তো যুদ্ধবিরতির মেয়াদ আর বাড়াবেন না। একই সঙ্গে ইরানি বন্দরগুলোর ওপর অবরোধও বহাল থাকবে। তার ভাষায়, একদিকে অবরোধ চলবে, অন্যদিকে পরিস্থিতি অনুকূলে না এলে আবারও হামলা শুরু করতে হতে পারে।
বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে দুই সপ্তাহের একটি যুদ্ধবিরতি চলছে, যার মেয়াদ শেষ হচ্ছে আগামী বুধবার। এই সময়ের মধ্যেই সমঝোতায় পৌঁছাতে পরোক্ষ আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে দুই দেশ। কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে, চলতি সপ্তাহেই পাকিস্তানে উভয় পক্ষের প্রতিনিধিরা আলোচনায় বসতে পারেন।
এর মধ্যেই নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে। ইরান জানিয়েছে, শর্তসাপেক্ষে এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ খুলে দেওয়া হয়েছে। তবে মার্কিন অবরোধ অব্যাহত থাকলে আবারও এটি বন্ধ করে দেওয়া হতে পারে। ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক পোস্টে বলেন, হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল পুরোপুরি ইরানের অনুমতির ওপর নির্ভর করবে।
এদিকে ইরানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ও জানিয়েছে, বর্তমান যুদ্ধবিরতির পরিস্থিতির ওপর ভিত্তি করেই প্রণালিটি খোলা রাখা হয়েছে। সব মিলিয়ে, সময়সীমা ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আবারও বাড়ছে। এখন দেখার বিষয়, শেষ মুহূর্তের আলোচনায় দুই দেশ কোনো সমঝোতায় পৌঁছাতে পারে কিনা, নাকি আবারও সংঘাতের পথে এগোয় পরিস্থিতি।

ইরানের এক ঘোষণায় বিশ্ব জ্বালানি বাজারে মিলেছে স্বস্তির ইঙ্গিত। যুদ্ধবিরতির মধ্যেই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালি বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের জন্য ‘সম্পূর্ণ উন্মুক্ত’ রাখার কথা জানিয়েছে ইরান।
এই ঘোষণার পরপরই বিশ্ববাজারে তেলের দামে বড় ধরনের পতন দেখা গেছে। ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি নেমে এসেছে ৮৮ ডলারে, যা একদিন আগেও ছিল ৯৮ ডলারের ওপরে। বিশ্বের মোট তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এই প্রণালি দিয়ে পরিবাহিত হয়। ফলে এই পথ সচল থাকাটা বৈশ্বিক অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
ডোনাল্ড ট্রাম্প এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন। অন্যদিকে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি জানিয়েছেন, যুদ্ধবিরতির অবশিষ্ট সময় পর্যন্ত সব ধরনের বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল অব্যাহত থাকবে। এই ঘোষণার ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে বিশ্ববাজারেও। যুক্তরাষ্ট্রের এসঅ্যান্ডপি ৫০০ সূচক বেড়েছে ১ দশমিক ২ শতাংশ, ইউরোপের বিভিন্ন শেয়ারবাজারেও দেখা গেছে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা। তবে পুরো পরিস্থিতি এখনো ঝুঁকিমুক্ত নয় বলে সতর্ক করছেন বিশ্লেষকরা।
আন্তর্জাতিক শিপিং সংস্থাগুলো বলছে, সমুদ্রপথে মাইন বিস্ফোরণের ঝুঁকি পুরোপুরি দূর হয়নি। ফলে জাহাজ চলাচল কতটা নিরাপদ, তা এখনো নিশ্চিত নয়। এর আগে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক হামলার পর এই প্রণালিতে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হয়। ফলে বিশ্ববাজারে তেল ও গ্যাসের সরবরাহে চাপ তৈরি হয়ে দাম একসময় ১১৯ ডলার পর্যন্ত উঠে যায়।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক হতে সময় লাগবে কয়েক মাস। তাই আপাতত তেলের দাম কমলেও, ভোক্তা পর্যায়ে এর প্রভাব দ্রুত পড়বে এমন আশা কম। সব মিলিয়ে, হরমুজ প্রণালি উন্মুক্ত করার এই ঘোষণা বিশ্ববাজারে স্বস্তি আনলেও, অনিশ্চয়তা এখনো পুরোপুরি কাটেনি।