দেশে দিন দিন ধূমপায়ীর সংখ্যা বাড়ছে। জাতীয় তামাক নিয়ন্ত্রণ সেলের তথ্য অনুযায়ী, তামাকজনিত রোগে প্রতিবছর প্রায় দুই লাখ মানুষের মৃত্যু হচ্ছে। এছাড়া সরকার তামাক থেকে যে আয় করে, তার চেয়ে তামাকজনিত রোগে আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসায় বেশি ব্যয় করতে হয়।

এ অবস্থায় সোমবার (১৫ জুন) রাজধানীর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের জাতীয় তামাক নিয়ন্ত্রণ সেল এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার যৌথ উদ্যোগে বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস ২০২৬ পালিত হয়।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, তামাক ও নিকোটিনের আসক্তি থেকে নতুন প্রজন্মকে রক্ষা করতে হলে সচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।

ধূমপান আসক্তি নিয়ে নিজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, নতুন প্রজন্মকে যথাসম্ভব সমন্বিতভাবে সচেতন করতে হবে।

তিনি বলেন, দেশের ইতিহাসে স্বাস্থ্য খাতে সর্বোচ্চ বরাদ্দ দেওয়া হলেও তামাক ও মাদকের ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে সেই বিনিয়োগের কাঙ্ক্ষিত সুফল পাওয়া যাবে না।

এ বছরের বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবসের প্রতিপাদ্য ছিল— “প্রলোভনের মুখোশ উন্মোচন করি, তামাক ও নিকোটিনের আসক্তি প্রতিরোধ করি”। এ প্রতিপাদ্য সামনে রেখে সারা দেশে দিবসটি পালিত হয়েছে।

প্রাইমটিভি/কেআর