অফিসে ঢুকেই হাজিরা, তারপর ল্যাপটপ, চার্জার, পানির বোতল। আর সঙ্গে অবিচ্ছেদ্য এক জিনিস ইয়ারফোন। মিলেনিয়াল আর জেন জি প্রজন্মের কাছে এটা এখন প্রায় শরীরেরই অংশ। অফিসের কোলাহল হোক বা হোস্টেলের বিশৃঙ্খলা, কানে কিছু না গুঁজে মনোযোগ ধরে রাখা যেন অসম্ভব। গান, পডকাস্ট বা হালকা সাউন্ডে ডুবে থেকে কাজ করার অভ্যাস এখন খুবই পরিচিত ঘটনা।

কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে এই অভ্যাস কি পুরোপুরি নিরাপদ?

উত্তর হচ্ছে, না! কারণ টানা কয়েক ঘণ্টা ইয়ারফোন ব্যবহারে শ্রবণশক্তি আংশিক কমে যায়। আর দীর্ঘ সময় ইয়ারফোন ব্যবহার করলে কানে অস্বস্তি, অ্যালার্জি, এমনকি ক্ষুদ্র ক্ষতও হতে পারে। কানের মোম ভেতরে জমে যেতে পারে, যা সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ায়। অর্থাৎ উচ্চ ভলিউমে দীর্ঘ সময় কিছু শুনলে শ্রবণশক্তি ধীরে ধীরে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এছাড়াও মস্তিষ্ক শুধুই শব্দে অভ্যস্ত হয়ে পড়লে একসময় নীরবতা বিরক্তিকর লাগে। আরেকটি বড় ভুল, একই হেডফোন একাধিকজন ব্যবহার করা। এতে সহজেই সংক্রমণ ছড়াতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ৯০ ডেসিবেলের বেশি শব্দ বিপজ্জনক আর ১০০ ডেসিবেলে মাত্র ১৫ মিনিট ই যথেষ্ট ক্ষতির জন্য।

মনে রাখা উচিৎ, কান শুধু শোনার জন্য নয়, এটা আমাদের মস্তিষ্কের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত। তাই সচেতন থাকুন, কারণ আজকের ছোট অভ্যাসই আগামী দিনের বড় সমস্যার কারণ হতে পারে।