শিক্ষা সংস্কারে সরকারের মূল লক্ষ্য শিক্ষার্থীদের শেখার ফল বা লার্নিং আউটকাম বৃদ্ধি। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে পাঁচটি বিষয়ে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।

সোমবার (২৯ জুন) ঢাকার ব্র্যাক সেন্টারে আয়োজিত ‘জিও এনজিও কোলাবোরেশন ডায়ালগ’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী জানান, শিক্ষা সংস্কারের পাঁচটি অগ্রাধিকার ক্ষেত্র হলো কারিকুলাম, শিক্ষক, প্রশাসন, অবকাঠামো এবং প্রযুক্তি। এসব বিষয়কে কেন্দ্র করেই ভবিষ্যতের শিক্ষা ব্যবস্থা আরও আধুনিক ও কার্যকর করে গড়ে তোলা হবে।

তিনি বলেন, প্রাথমিক শিক্ষার গুণগত উন্নয়নে সরকার এনজিওগুলোর সঙ্গে কার্যকর অংশীদারত্বের ভিত্তিতে কাজ করতে চায়। সরকারের পাশাপাশি উন্নয়ন সহযোগী ও বেসরকারি সংস্থাগুলোর সম্মিলিত উদ্যোগেই শিক্ষায় কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন সম্ভব।

ববি হাজ্জাজ আরও বলেন, শিক্ষক প্রশিক্ষণ, নিয়োগ ও বদলি ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা, প্রশাসনিক দক্ষতা বৃদ্ধি, ডিজিটাল মনিটরিং এবং প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা ব্যবস্থাপনায় নতুন উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

তিনি জানান, দেশের ৬৫ হাজারের বেশি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে টেকসই ও সম্প্রসারণযোগ্য পরিবর্তন আনতে এনজিওগুলোর মাঠপর্যায়ের অভিজ্ঞতা ও উদ্ভাবনী মডেল কাজে লাগানো হবে।

এ ছাড়া প্রতিবন্ধী শিশু, প্রাক প্রাথমিক শিক্ষা, নন ফরমাল শিক্ষা, শহরমুখী অভিবাসী শিশু, চা বাগান এলাকার শিশু এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করতে সরকার বিভিন্ন অংশীজনের সঙ্গে সমন্বিতভাবে কাজ করছে বলেও জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহীনা ফেরদৌসীসহ প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর, ব্র্যাক এবং বিভিন্ন বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

প্রাইমটিভি/এনজি