জেন- জিদের কেনো পছন্দ " সুগার ড্যাডি - সুগার মাম্মি "

ছবি- সংগৃহীত এ আই
জেনারেশন জেড বা জেন জি আজকের যুগের তরুণ-তরুণীদের মধ্যে 'সুগার ড্যাডি' কিংবা 'সুগার মাম্মি খোঁজার প্রবণতা একটু বেশিই চোখে পড়ে। এর পেছনে শুধুই কি আলসেমি, নাকি অন্য কোনো রহস্য আছে?
আকাশছোঁয়া বিল, পকেট ফাঁকা: আজকের দিনে জীবনযাত্রার খরচ যে হারে বাড়ছে, তাতে জেন-জি’র পকেটের অবস্থা বারোটা। ক্রেডিট কার্ডের বিল, ঘোরাঘুরি আর ব্র্যান্ডেড জুতো-জামা কেনার শখ মেটাতে সাধারণ পার্ট-টাইম জবে কুলিয়ে ওঠা কঠিন। তাই তারা এমন কাউকে খোঁজে, যে হাসিমুখে বিলগুলো মিটিয়ে দেবে।
লো-মেইনটেইন্যান্স’ রিলেশনশিপ: প্রথাগত সম্পর্কের ড্রামা, "তুমি কার সাথে কথা বলছিলে?" টাইপ সন্দেহ বা সারাক্ষণ টেক্সট করার ঝামেলা জেন-জি একদম পছন্দ করে না। সুগার ডেটিংয়ে নিয়ম একদম পরিষ্কার তুমি আমাকে আর্থিক সাপোর্ট ও উপহার দেবে, আমি তোমাকে সময় আর সঙ্গ দেব। নো ইমোশনাল ড্রামা।
সোশ্যাল মিডিয়া ও ‘ফ্লেক্স’ কালচার: ইনস্টাগ্রাম বা টিকটকে দামি রেস্টুরেন্টে খাওয়া, দুবাই ট্যুর বা বিলাসবহুল জীবনযাপনের ছবি পোস্ট করা (যাকে তারা 'ফ্লেক্স' করা বলে) এখন ট্রেন্ড। এই লাইফস্টাইল মেইনটেইন করার শর্টকাট উপায় হলো একজন ধনী পার্টনার।
মেহেঙ্গা হ্যায় রোম্যান্স: সমবয়সী ডেটিংয়ে আজকাল শুধু ‘লাভ’ দিয়ে চলে না, পকেটে ‘মানি’ও লাগে। সমবয়সী ক্রাশের সাথে ডেটে গিয়ে বিল ভাগাভাগি করার চেয়ে, জেন-জি মনে করে ম্যাচিউর কারও সাথে লাক্সারি লাইফ এনজয় করা অনেক বেশি আরামের।
কঠোর পরিশ্রম ছাড়াই রাজকীয় জীবন আর ‘ফিন্যান্সিয়াল ফ্রিডম’ পাওয়ার এক অদ্ভুত শর্টকাট হিসেবেই জেন-জি এই কালচার পছন্দ করছে।

বিথী রানী মন্ডল
© 2026 প্রাইম টেলিভিশন, সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।









