মামলা জটিলতায় আটকে আছে প্রায় ৩৩ হাজার প্রধান শিক্ষকের নিয়োগ

ছবিঃ সংগৃহীত
২০১৭ সালে দায়ের হওয়া একটি মামলার জটিলতার কারণে ৩২ হাজার ৫০০ প্রধান শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া এখনো আটকে রয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলন।
মঙ্গলবার (২৩ জুন) দুপুরে চট্টগ্রাম কলেজ অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ তথ্য জানান।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, সারা দেশে শত শত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শূন্য পদ থাকলেও মামলা সংক্রান্ত জটিলতার কারণে শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। এতে শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে এবং শিক্ষার্থীরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, দেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে একটি সমন্বিত কাঠামোর আওতায় আনতে সরকার কাজ করছে। অভিন্ন প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা আয়োজন সেই উদ্যোগের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। শিক্ষার্থীদের দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তুলতে বিভিন্ন সংস্কার কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী জানান, আগামী ২০ জুলাই মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হবে।
তিনি বলেন, শিক্ষা উন্নয়নে ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি অত্যন্ত জরুরি। কিছু নেতিবাচক কর্মকাণ্ডের কারণে অনেক ভালো উদ্যোগ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে, তাই সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।
পরীক্ষা কেন্দ্র ব্যবস্থাপনায় নতুন পরিকল্পনার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, প্রতি চারটি ইউনিয়নের জন্য একটি করে পৃথক পরীক্ষা কেন্দ্র স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
মূল্যায়ন ব্যবস্থার স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে সব শিক্ষা বোর্ডের উত্তরপত্র র্যান্ডমভাবে যাচাই করা হবে বলেও তিনি জানান।
প্রশ্নফাঁস প্রতিরোধে সরকারের কঠোর অবস্থানের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সমন্বিতভাবে কাজ করছে এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হয়েছে।
পার্বত্য চট্টগ্রামের শিক্ষা ব্যবস্থা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, জাতীয় শিক্ষানীতির বাইরে আলাদা কোনো কাঠামো গড়ে উঠতে দেওয়া হবে না।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন বক্তব্য দেন। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন, সংসদ সদস্য আবু সুফিয়ান ও এরশাদ উল্লাহসহ শিক্ষা বোর্ডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

ডেস্ক রিপোর্ট
© 2026 প্রাইম টেলিভিশন, সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।






