আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক পতন, নিপাত নির্মূল হয়ে গেছে এবং দলটিরদাফন হয়েছে দিল্লিতে’—এমন মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেছেন, আওয়ামী লীগ আর কখনও বাংলাদেশে রাজনীতি করতে পারবে না। দলটির বিরুদ্ধে রাজনৈতিক দল হিসেবে বিচারের দাবি উঠেছে, তদন্তও চলছে। খুব শিগগিরই তাদের বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হবে এবং আইন অনুযায়ী বিচার নিশ্চিত করা হবে।

শনিবার ( জুলাই) রাজধানীর চীন মৈত্রী আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিতজুলাই জাতীয় সম্মেলনেপ্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অভিযোগ করেন, জুলাই অভ্যুত্থানে গণহত্যা চালানোর পরও শেখ হাসিনা বা আওয়ামী লীগের মধ্যে কোনো অনুশোচনা কিংবা দোষ স্বীকারের প্রবণতা নেই। বরং তারা জুলাইয়ের আন্দোলনে অংশ নেওয়া যোদ্ধাদের অপরাধী আখ্যা দিচ্ছে এবং অভ্যুত্থানকেজঙ্গি অভ্যুত্থানবলে প্রচার করছে। তাদের দাবি, জঙ্গি অভ্যুত্থানের মাধ্যমে রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করা হয়েছে। তিনি বলেন, এমন বক্তব্য অত্যন্ত লজ্জাজনক। অতীতেও আওয়ামী লীগের অনুশোচনা বা ভুল স্বীকারের নজির নেই। উল্টো তারা বিদেশে বসে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে।

জুলাইয়ের চেতনা নিয়ে রাজনৈতিক সুবিধা না নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, একসময় যারা মুক্তিযুদ্ধের চেতনার কথা বলে রাজনীতি করতেন, তারা এখন দিল্লিতে অবস্থান করছেন। তাই কেউ যদি চেতনা বিক্রি করে রাজনৈতিক ফায়দা তুলতে চান, তাহলে তাদের পরিণতিও ভালো হবে না।

জুলাই আন্দোলনের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ওই সময় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এবং তিনিও নির্বাসনে ছিলেন। তার ভাষায়, ‘আল্লাহর কী মহিমা! যদি আমরা নির্বাসনে না থাকতাম, তাহলে হয়তো জুলাইয়ের অভ্যুত্থান সফলভাবে শেষ করা সম্ভব হতো না।

তিনি আরও বলেন, আন্দোলনের সময় তারা দিন-রাত নিরলসভাবে সমন্বয় করেছেন। বিএনপির নেতাকর্মীদের বিভিন্নভাবে সংগঠিত করে জুলাই যোদ্ধাদের সামনের সারিতে রেখে অরাজনৈতিক পরিচয়ে আন্দোলনকে সফল পরিণতির দিকে এগিয়ে নেওয়া হয়েছিল।

প্রাইমটিভি/এমআর