বাংলাদেশের পেস ইউনিটের আক্রমণকে নিজেদের মাটিতে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছেন দক্ষিণ আফ্রিকার টেস্ট অধিনায়ক টেম্বা বাভুমা। চলতি বছরের শেষ দিকে দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে যাওয়ার কথা বাংলাদেশ দল ,সেখানে টাইগারদের বোলিং আক্রমণ স্বাগতিকদের চাপে ফেলতে পারে বলে মনে করেন তিনি।

টাইমসএলআইভি-কে প্রোটিয়া ক্যাপ্টেন বলেন, ‘বাংলাদেশের বোলিং আক্রমণ খুবই ভালো। তারা অবশ্যই আমাদের ওপর চাপ তৈরি করবে।

দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে বাংলাদেশ প্রথম টেস্ট খেলবে জোহানেসবার্গে আগামী ১৫ থেকে ১৯ নভেম্বর। এরপর ২৩ থেকে ২৭ নভেম্বর সেঞ্চুরিয়নে অনুষ্ঠিত হবে দ্বিতীয় টেস্ট। টেস্ট সিরিজের পর ১, ৪ ও ৭ ডিসেম্বর তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ খেলবে দুই দল। ১০, ১২ ও ১৩ ডিসেম্বর মাঠে গড়াবে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ।

সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশের টেস্ট সাফল্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন পেসাররা। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সর্বশেষ দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ ১-১ সমতায় শেষ করেছে বাংলাদেশ। ডারউইনে প্রথম টেস্টে অস্ট্রেলিয়াকে ৯ উইকেটে হারানোর পর ম্যাকাইতে দ্বিতীয় টেস্টে ইনিংস ব্যবধানে হেরে যায় তারা।

এর আগে পাকিস্তানের বিপক্ষে ঘরের মাঠে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজে ২-০ ব্যবধানে জয় পেয়েছিল বাংলাদেশ। পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজে ১১ উইকেট নিয়ে নজর কাড়েন টাইগার পেসার নাহিদ রানা। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে হাসান মাহমুদ নেন ৯ উইকেট, যার মধ্যে ডারউইন টেস্টের দ্বিতীয় ইনিংসে তার শিকার ছিল ৬ উইকেট । ম্যাকাই টেস্টে শরিফুল ইসলামও নেন ৭ উইকেট।

তবে চোটের কারণে অস্ট্রেলিয়া সফরে ছিলেন না নাহিদ রানা। ১৭ জুলাই জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে বাম পাশে গ্রেড-২ চোট পান এই পেসার। সেরে উঠতে তার ছয় থেকে আট সপ্তাহ সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হয়েছিল।

পাকিস্তান ও অস্ট্রেলিয়ার মতো প্রতিষ্ঠিত টেস্ট দলের বিপক্ষে সাম্প্রতিক সাফল্য বাংলাদেশের সামর্থ্যের প্রমাণ দিয়েছে। এবার দক্ষিণ আফ্রিকার কঠিন কন্ডিশনে আরও বড় কিছু অর্জনের লক্ষ্য নিয়েই মাঠে নামবে টাইগাররা।

বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের এবারের মৌসুমে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন হিসেবে খেলছে দক্ষিণ আফ্রিকা। এবারও শিরোপা ধরে রাখার মিশনে তারা। তাইতো নিজেদের পাশাপাশি অন্য দলগুলোর পারফরম্যান্সেও নজর রাখতে হচ্ছে তাদের, ‘সহজ কথায় বলতে গেলে, আমাদের পিঠে এখন বড় একটা লক্ষ্যমাত্রা ঝুলছে। যে দলগুলো এখন দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে খেলবে, তারা নাম্বার ওয়ান দলের বিপক্ষে নিজেদের সামর্থ্য পরীক্ষা করে দেখতে চাইবে। এই চাপ সামলানোই আমাদের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হবে।

প্রাইমটিভি/এআই