ইরানকে ঘিরে আবারও যুদ্ধের আশঙ্কা। মধ্যপ্রাচ্যে বাড়ছে উত্তেজনা, আর সেই উত্তেজনার কেন্দ্রে এখন ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্র।

ইসলামাবাদে যখন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সম্ভাব্য বৈঠকের প্রস্তুতি চলছে, ঠিক তখনই নতুন করে সামরিক অভিযানের বার্তা দিয়েছে ইসরাইল। দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচিতে কোনো ছাড় না দেয়ার অবস্থানই পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। ওয়াশিংটনের কাছে সরাসরি বার্তা পাঠিয়েছে ইসরাইল। সেখানে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, ইরানের বিরুদ্ধে আবারও সামরিক অভিযান চালাতে তারা প্রস্তুত। এখন শুধু অপেক্ষা ডোনাল্ড ট্রাম্প এর চূড়ান্ত অনুমতির। গত ২৪ ঘণ্টায় মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক তৎপরতা চোখে পড়ার মতো বেড়েছে। পেন্টাগন ইতোমধ্যে অতিরিক্ত যুদ্ধবিমান, জ্বালানি সরবরাহকারী এয়ারক্রাফট এবং উন্নত প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মোতায়েন করেছে। এতে করে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

সবচেয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য এসেছে ইসরাইলি গোয়েন্দা সূত্র থেকে। তাদের দাবি, সম্ভাব্য হামলার লক্ষ্যবস্তুর তালিকায় রয়েছেন ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মুজতবা খামেনি। ট্রাম্পের সবুজ সংকেত মিললে তাকে হত্যা করার পরিকল্পনাও বিবেচনায় রয়েছে বলে জানা গেছে। এদিকে লেবানন সীমান্তেও থমথমে অবস্থা। যুদ্ধবিরতির ঘোষণা থাকলেও কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই শুরু হয় নতুন করে পাল্টাপাল্টি হামলা। এতে করে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে, পুরো অঞ্চলজুড়ে শান্তি এখন কতটা অনিশ্চিত।

বিশ্ব রাজনীতির এই নতুন উত্তেজনা কোথায় গিয়ে থামবে, তা নিয়ে বাড়ছে শঙ্কা। কূটনৈতিক আলোচনার আড়ালে কি তবে আবারও বড় যুদ্ধের প্রস্তুতি চলছে? এখন সবার নজর ওয়াশিংটনের সিদ্ধান্তের দিকে।