হোয়াইট হাউসের তথ্যমতে, অবরোধ শিথিলের পর হরমুজ প্রণালী দিয়ে ১ কোটি ২৫ লাখ ব্যারেল অপরিশোধিত তেল পরিবাহিত হয়েছে। অন্যদিকে, ইরান আগামী ৬০ দিনের আলোচনা চলাকালীন জাহাজ চলাচলের জন্য কোনো শুল্ক নেবে না এবং হরমুজ প্রণালীতে পুঁতে রাখা মাইনগুলো দ্রুত অপসারণের ব্যবস্থা করছে। তবে জাহাজগুলোকে ইরানের একটি সংস্থায় ট্রানজিট অনুরোধ জমা দিতে হবে।

দীর্ঘদিন মার্কিন-ইসরায়েল যুদ্ধের কারণে হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল স্থবির থাকায় বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে তীব্র সংকট তৈরি হয়েছিল, যা এই সাময়িক যুদ্ধবিরতির ফলে কাটবে বলে আশা করা হচ্ছে। তবে দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলের সামরিক উপস্থিতি, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি এবং আলোচনা শেষে ইরানের ট্রানজিট ফি আদায়ের পরিকল্পনা এই ভঙ্গুর চুক্তির স্থায়িত্বকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছে। এছাড়া যুদ্ধবিধ্বস্ত ইরানকে অর্থনৈতিক সহায়তা দেওয়ার বিষয়টিকে অনেকেই মার্কিন ছাড় হিসেবে দেখছেন। তবে ট্রাম্প প্রশাসনের পক্ষে ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্স একে মার্কিন জনগণের জন্য একটি চমৎকার সিদ্ধান্ত বলে অভিহিত করেছেন।

প্রাইমটিভি/বিএম