টাইমস হায়ার এডুকেশন ইমপ্যাক্ট র্যাঙ্কিংয়ে দেশে তৃতীয় গ্রিন ইউনিভার্সিটি

ছবিঃ সংগৃহীত
যুক্তরাজ্যভিত্তিক আন্তর্জাতিক উচ্চশিক্ষা মূল্যায়ন সংস্থা টাইমস হায়ার এডুকেশন (টিএইচই) প্রকাশিত ‘সাসটেইনেবিলিটি ইমপ্যাক্ট রেটিংস ২০২৬’-এ বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে তৃতীয় স্থান অর্জন করেছে গ্রিন ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ (জিইউবি)। একই সঙ্গে বিশ্বের ১১৬টি দেশের ১ হাজার ৬৪৬টি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়টি বৈশ্বিকভাবে ৪০১–৬০০ ব্যান্ডে স্থান পেয়েছে। গত বছর এ তালিকায় জিইউবির অবস্থান ছিল ৬০১–৮০০ ব্যান্ডে।
বুধবার (২৪ জুন) প্রকাশিত এ র্যাংকিংয়ে বাংলাদেশের ২২টি সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় স্থান পেয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ৯টি সরকারি ও ১৩টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়।
বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানায়, টেকসই উন্নয়ন, পরিবেশবান্ধব ক্যাম্পাস, অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষা, গবেষণা, উদ্ভাবন এবং সামাজিক দায়িত্ব পালনে ধারাবাহিক উদ্যোগের স্বীকৃতি হিসেবে এ আন্তর্জাতিক অর্জন এসেছে।
জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) ভিত্তিক বিভিন্ন সূচকেও উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে জিইউবি। সাশ্রয়ী ও পরিচ্ছন্ন জ্বালানি (এসডিজি-৭) সূচকে বিশ্ববিদ্যালয়টি বাংলাদেশের মধ্যে প্রথম এবং বিশ্বে ৬৩তম স্থান অর্জন করেছে। মানসম্মত শিক্ষা (এসডিজি-৪) সূচকে দেশের মধ্যে চতুর্থ এবং বিশ্বব্যাপী ১০১–২০০ ব্যান্ডে অবস্থান করেছে। এছাড়া শান্তি, ন্যায়বিচার ও শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান (এসডিজি-১৬) সূচকে বাংলাদেশের মধ্যে দ্বিতীয় এবং বিশ্বে ৩০১–৪০০ ব্যান্ডে স্থান পেয়েছে।
এ অর্জনে সন্তোষ প্রকাশ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শরীফ উদ্দিন বলেন, শিক্ষা, গবেষণা, টেকসই উন্নয়ন কার্যক্রম এবং সামাজিক সম্পৃক্ততায় ধারাবাহিক অগ্রগতির ফলেই এ স্বীকৃতি এসেছে। তিনি বলেন, গ্রিন ইউনিভার্সিটি শুধু পাঠ্যক্রমে টেকসই উন্নয়নের শিক্ষা প্রদানেই সীমাবদ্ধ নয়; বরং শিক্ষা, গবেষণা ও প্রশাসনের প্রতিটি পর্যায়ে টেকসই চর্চাকে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে গুরুত্ব দিয়ে আসছে।
তিনি এ সাফল্যের জন্য শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারী, অ্যালামনাই এবং শুভানুধ্যায়ীদের অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টা ও নিষ্ঠাই বিশ্ববিদ্যালয়কে এ অর্জনে পৌঁছে দিয়েছে। একই সঙ্গে তিনি জানান, আন্তর্জাতিক রেটিং ও র্যাংকিং গুরুত্বপূর্ণ হলেও গ্রিন ইউনিভার্সিটির মূল লক্ষ্য দক্ষ, দায়িত্বশীল ও মানবিক গ্র্যাজুয়েট তৈরি করা, যারা ভবিষ্যতের সামাজিক, অর্থনৈতিক ও পরিবেশগত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় কার্যকর ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে।
গবেষণা, উদ্ভাবন এবং টেকসই প্রযুক্তিতে আরও বিনিয়োগের মাধ্যমে জাতীয় উন্নয়ন এবং বৈশ্বিক টেকসই অগ্রযাত্রায় অবদান রাখার অঙ্গীকারও পুনর্ব্যক্ত করেন উপাচার্য।
প্রাইমটিভি/এমএইচ

ডেস্ক রিপোর্ট
© 2026 প্রাইম টেলিভিশন, সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।









