দারুণ প্রত্যাশা নিয়ে মুক্তি পেলেও বক্স অফিসে চরম ব্যর্থতার মুখে পড়েছে হলিউডের বিগ-বাজেট সিনেমা ‘সুপারগার্ল’। ওয়ার্নার ব্রাদার্স ও ডিসি স্টুডিওসের ১৭০ মিলিয়ন ডলার নির্মাণ ব্যয়ের এই ছবিটি বিশাল লোকসানের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে, যা নতুন ডিসি ইউনিভার্সের জন্য একটি বড় ধাক্কা।

মুক্তির প্রথম সপ্তাহে ছবিটি উত্তর আমেরিকায় ৩৭.১ মিলিয়ন এবং বিশ্বব্যাপী মাত্র ৬২.৬ মিলিয়ন ডলার আয় করেছে। অথচ সিনেমাটি বানাতে ১৭০ মিলিয়ন এবং প্রচারণায় আরও ১২০ মিলিয়ন ডলার খরচ হয়েছিল। প্রেক্ষাগৃহের মালিকদের ভাগ দেওয়ার পর খরচ তুলতে অন্তত ৩৭৫ মিলিয়ন ডলার আয় প্রয়োজন হলেও, চলচ্চিত্রটির আজীবন আয় ২০০ থেকে ২১০ মিলিয়ন ডলারে ঠেকতে পারে। ফলে স্টুডিওকে প্রায় ৮০ থেকে ১২০ মিলিয়ন ডলার (১ হাজার কোটি টাকার বেশি) লোকসান গুনতে হতে পারে।

1782797500pc2aqPat

বিশ্লেষকদের মতে, চরিত্রটির জনপ্রিয়তার অভাব, গ্রীষ্মকালীন মৌসুমের তীব্র প্রতিযোগিতা ও নেতিবাচক প্রতিক্রিয়াই এর মূল কারণ। যদিও কেন্দ্রীয় চরিত্রের নবাগতা মিলি অ্যালকককে মাত্র ৪ লাখ ডলার পারিশ্রমিক দেওয়া হয়েছিল এবং কোনো ব্যাকএন্ড চুক্তি ছিল না, তাও এই বিপুল লোকসান এড়ানো যায়নি।

২০২৬ সালে এটি ওয়ার্নার ব্রাদার্সের দ্বিতীয় বড় ফ্লপ এর আগে ‘দ্য ব্রাইড!’ সিনেমাটিও মুখ থুবড়ে পড়েছিল। গত গ্রীষ্মে জেমস গানের ‘সুপারম্যান’ (৬১৮ মিলিয়ন ডলার আয়) সফল হলেও ‘সুপারগার্ল’-এর এই ব্যর্থতা ডিসির ১০ বছরের মহাপরিকল্পনাকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলে দিল।

প্রাইমটিভি/বিএম