যুক্তরাষ্ট্রের হামলার জবাবে কুয়েত ও বাহরাইনে পাল্টা হামলা ইরানের

ছবিঃ সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক সামরিক অভিযানের জবাবে কুয়েত ও বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন সামরিক স্থাপনাকে লক্ষ্য করে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানোর দাবি করেছে ইরান। এ ঘটনার পর মধ্যপ্রাচ্যে আবারও উত্তেজনা বেড়েছে এবং সম্প্রতি হওয়া যুদ্ধবিরতি কার্যত নতুন সংকটের মুখে পড়েছে।
রোববার (২৮ জুন) এক বিবৃতিতে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) জানায়, কুয়েতে যুক্তরাষ্ট্রের আলি আল সালেম বিমানঘাঁটি এবং বাহরাইনের পোর্ট সালমানে অবস্থানরত মার্কিন পঞ্চম নৌবহরকে লক্ষ্য করে এ হামলা চালানো হয়েছে।
হামলার পর বাহরাইন সরকার একে দেশটির সার্বভৌমত্বের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন উল্লেখ করে নিন্দা জানিয়েছে। দেশটির মতে, এ ধরনের হামলা অঞ্চলে শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টাকে আরও জটিল করে তুলবে। একই ধরনের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে কুয়েতও। দেশটি বলেছে, তাদের ভূখণ্ডে হামলা আন্তর্জাতিক আইন ও রাষ্ট্রীয় সার্বভৌমত্বের পরিপন্থী।
এর আগে শনিবার (২৭ জুন) যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) ইরানের সিরিক, বান্দার-এ লেঙ্গেহ এবং কেশম দ্বীপে সমন্বিত নৌ ও বিমান অভিযান পরিচালনা করে। সেন্টকমের দাবি, হরমুজ প্রণালির আশপাশে ইরানের ১০টি সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালানো হয়।
মার্কিন বাহিনীর ভাষ্য অনুযায়ী, পানামার পতাকাবাহী ‘কিকু’ নামের একটি তেলবাহী জাহাজে ইরানের ড্রোন হামলার জবাব হিসেবেই এ সামরিক অভিযান চালানো হয়েছে। ওই জাহাজটি দুই মিলিয়নেরও বেশি ব্যারেল অপরিশোধিত তেল বহন করছিল এবং হরমুজ প্রণালির কাছে চলাচলের সময় হামলার শিকার হয়।
সাম্প্রতিক পাল্টাপাল্টি সামরিক পদক্ষেপে উপসাগরীয় অঞ্চলে নিরাপত্তা পরিস্থিতি আবারও অস্থিতিশীল হয়ে উঠেছে। বিশ্লেষকদের আশঙ্কা, উভয় পক্ষ সংযম না দেখালে এ সংঘাত আরও বিস্তৃত আকার ধারণ করতে পারে।
প্রাইমটিভি/এমএইচ

ডেস্ক রিপোর্ট
© 2026 প্রাইম টেলিভিশন, সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।









