কোম্পানি রাজশাহী এবং র‍্যাব ৪-এর সিপিএসসি মিরপুর-১-এর সদস্যরা যৌথ অভিযান চালিয়ে মিরপুর থানার গ্রীণভিউ আবাসিক এলাকা থেকে রাকিবকে গ্রেপ্তার করেন।

র‍্যাবের দাবি, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে রাকিব হত্যাকাণ্ডে নিজের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছেন। পরে তাকে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য মিরপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

মামলার এজাহার অনুযায়ী, নিহত রেজাউল করিম রাজশাহী মহানগরীর চন্দ্রিমা থানার মেহেরচন্ডী দক্ষিণপাড়ায় পরিবার নিয়ে বসবাস করতেন। তার ছেলে রাকিব উর রহমান রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকর্ম বিভাগের স্নাতকোত্তরের শিক্ষার্থী।

ঘটনার দিন ২২ জুন সকালে চাকরির পরীক্ষায় অংশ নিতে ঢাকায় যাওয়ার জন্য বাবার কাছে টাকা চান রাকিব। এ সময় রেজাউল করিম তাকে মায়ের কাছ থেকে টাকা নিতে বলেন। এ নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হলে একপর্যায়ে রেজাউল তার স্ত্রীকে মারধর করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

এ সময় ক্ষুব্ধ হয়ে বাড়ির উঠানে থাকা একটি মুন্ডুর (কোদাল সদৃশ ধারালো কৃষি যন্ত্র) দিয়ে বাবার মাথায় আঘাত করে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান রাকিব। গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা রেজাউল করিমকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ঘটনার পর নিহতের স্ত্রী মোছা. আঞ্জুরা বেগম বাদী হয়ে চন্দ্রিমা থানায় ছেলে রাকিবকে একমাত্র আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন। সেই মামলার তদন্তের অংশ হিসেবে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব।

প্রাইমটিভি/এমএইচ