৪ নদীতে পানি বৃদ্ধির শঙ্কা, আবহাওয়া অফিসের সতর্কতা

ছবিঃ সংগৃহীত
দেশের সব প্রধান নদ-নদীর পানি এখনো বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হলেও আগামী কয়েক দিনে পদ্মা, ব্রহ্মপুত্র, যমুনা ও গঙ্গা নদীর পানি বাড়তে পারে বলে জানিয়েছে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র। তবে আপাতত কোনো বড় নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রমের আশঙ্কা নেই।
শনিবার (৪ জুলাই) বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের সহকারী প্রকৌশলী নুসরাত জাহান জেরিন গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানান।
কেন্দ্রের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় সিলেট বিভাগ এবং ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যে ভারী বৃষ্টিপাত হয়েছে। আগামী ২৪ ঘণ্টায় দেশের বিভিন্ন এলাকায় এবং উজানে মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়া পরবর্তী চার দিনে চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগসহ তৎসংলগ্ন ভারতের ত্রিপুরা অঞ্চলে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে।
এদিকে উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত লঘুচাপটি ঘনীভূত হয়ে সুস্পষ্ট লঘুচাপে পরিণত হয়েছে, যা বৃষ্টিপাতের প্রবণতা আরও বাড়াতে পারে।
নদ-নদীর পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী এক দিনে ব্রহ্মপুত্র ও যমুনা নদীর পানি বৃদ্ধি পেলেও পরে যমুনার পানি মোটামুটি স্থিতিশীল থাকতে পারে। গঙ্গার পানি আগামী দুই দিন বাড়ার পর তিন দিন স্থিতিশীল থাকবে। অন্যদিকে পদ্মা নদীর পানি টানা পাঁচ দিন পর্যন্ত বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সুরমা ও কুশিয়ারা নদীর পানি প্রথমে স্থিতিশীল থাকলেও পরবর্তী দুই দিনে বাড়তে পারে। একই সময়ে চট্টগ্রাম বিভাগের মুহুরী, গোমতী ও ফেনী নদীর পানি দ্রুত বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। এছাড়া হালদা, সাঙ্গু, সেলোনিয়া ও মাতামুহুরী নদীতেও পানির স্তরে পরিবর্তন হতে পারে।
পূর্বাভাসে আরও বলা হয়েছে, সিলেট ও ময়মনসিংহ অঞ্চলের মনু, ধলাই, খোয়াই, সারিগোয়াইন, যাদুকাটা, সোমেশ্বরী এবং ভুগাই-কংস নদীর পানি আগামী তিন দিন পর্যন্ত বাড়তে পারে। তবে রংপুর বিভাগের তিস্তা, ধরলা ও দুধকুমার নদীর পানি একই সময়ে কমতে পারে।
বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানিয়েছে, নদ-নদীর পানি বাড়লেও ব্রহ্মপুত্র, যমুনা, গঙ্গা, পদ্মাসহ দেশের সব প্রধান নদ-নদীর পানি আগামী কয়েক দিন বিপৎসীমার নিচেই থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।

ডেস্ক রিপোর্ট
© 2026 প্রাইম টেলিভিশন, সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।







