মারধরে আহত জামায়াত নেতার মৃত্যু, বিএনপি নেতা গ্রেপ্তার

ছবি: সংগৃহীত
বগুড়ার দুপচাঁচিয়া উপজেলায় জমি নিয়ে বিরোধের জেরে মারধরের ঘটনায় আহত জামায়াত নেতা সম্রাট হোসেন বাপ্পা (৪১) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। এ ঘটনায় নিহতের চাচা ও স্থানীয় বিএনপি নেতা আব্দুল করিম আকন্দকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
শনিবার (৪ জুলাই) দিবাগত রাত ১২টার দিকে ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সম্রাট হোসেন বাপ্পার মৃত্যু হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দুপচাঁচিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তাজমিলুর রহমান।
নিহত সম্রাট হোসেন বাপ্পা দুপচাঁচিয়া সদর ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর যুব ও ক্রীড়া বিভাগের সহ-সভাপতি এবং উপজেলার ভেলুরচক গ্রামের বাসিন্দা।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, ভেলুরচক গ্রামের রফিক আকন্দ ও তার ছোট ভাই বিএনপি নেতা আব্দুল করিম আকন্দের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে জমি নিয়ে বিরোধ চলছিল। এরই জেরে গত ২৫ জুন দুপুরে দুই পক্ষের মধ্যে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে সংঘর্ষ বাধে। অভিযোগ রয়েছে, আব্দুল করিম আকন্দ ও তার সমর্থকরা রফিক আকন্দের ওপর হামলা চালান।
এ সময় বাবাকে রক্ষা করতে এগিয়ে গেলে সম্রাট হোসেন বাপ্পাও হামলার শিকার হন। ঘটনায় রফিক আকন্দ ও তার স্ত্রী জোসনা বেগমও আহত হন।
আহতদের প্রথমে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে সম্রাটের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
ঘটনার পর ২৭ জুন সম্রাটের মা জোসনা বেগম বাদী হয়ে দুপচাঁচিয়া থানায় আব্দুল করিম আকন্দসহ আটজনের নাম উল্লেখ করে মামলা দায়ের করেন। পরে ১ জুলাই রাতে জয়পুরহাটের আক্কেলপুর উপজেলার দাড়ালকুল গ্রাম থেকে আব্দুল করিম আকন্দ ও তার স্ত্রী মিথিলাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
দুপচাঁচিয়া থানার ওসি তাজমিলুর রহমান বলেন, একই পরিবারের দুই ভাইয়ের রাজনৈতিক পরিচয় ভিন্ন হলেও মূল বিরোধ ছিল জমি নিয়ে। সেই বিরোধকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে সম্রাট হোসেন বাপ্পা গুরুতর আহত হন এবং পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। ঘটনার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে বলে জানান তিনি।
প্রাইমটিভি/এমআর

ডেস্ক রিপোর্ট
© 2026 প্রাইম টেলিভিশন, সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।





