পানির নিচে রাঙামাটির ঝুলন্ত সেতু, পর্যটক প্রবেশ বন্ধ

ছবিঃ সংগৃহীত
রাঙামাটির কাপ্তাই হ্রদের পানি বেড়ে পর্যটকদের অন্যতম আকর্ষণ ঝুলন্ত সেতুর পাটাতনের বেশির ভাগ অংশ পানিতে তলিয়ে গেছে। এতে সেতুটিতে চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ায় শনিবার (২৯ আগস্ট) দুপুর থেকে পর্যটকদের প্রবেশ ও চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ করে দিয়েছে বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন।
গত কয়েক দিনের টানা বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে কাপ্তাই হ্রদের পানির উচ্চতা দ্রুত বাড়ছে। এর প্রভাবে রাঙামাটি পর্যটন কমপ্লেক্স এলাকায় হ্রদের ওপর নির্মিত ঝুলন্ত সেতুটির বিভিন্ন অংশ পানির নিচে চলে যায়।
পর্যটন করপোরেশন সূত্রে জানা গেছে, সেতুটির পাটাতনের অধিকাংশ অংশ পানিতে ডুবে যাওয়ায় সেখানে পর্যটকদের চলাচল নিরাপদ নয়। সম্ভাব্য দুর্ঘটনা এড়াতে তাই সেতুটিতে প্রবেশ সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। পানি কমে পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত এ সিদ্ধান্ত বহাল থাকবে।
কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী, শনিবার দুপুর ২টায় কাপ্তাই হ্রদের পানির উচ্চতা ১০৫ দশমিক ৬৪ ফুট এমএসএল (মিন সি লেভেল) রেকর্ড করা হয়েছে। হ্রদের সর্বোচ্চ পানি ধারণক্ষমতা ১০৯ ফুট এমএসএল।
প্রতি বছর বর্ষা মৌসুমে কাপ্তাই হ্রদের পানি বাড়লে ঝুলন্ত সেতুর পাটাতনের কিছু অংশ পানিতে তলিয়ে যায়। তবে এবার পানির উচ্চতা দ্রুত বাড়ায় সেতুটির বড় একটি অংশ পানির নিচে চলে গেছে। ফলে দূর-দূরান্ত থেকে আসা পর্যটকেরা সেতুতে উঠতে না পেরে হতাশ হয়ে ফিরে যাচ্ছেন।
বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের ব্যবস্থাপক অলোক বিকাশ চাকমা বলেন, ‘হ্রদের পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় ঝুলন্ত সেতুর পাটাতনের বেশির ভাগ অংশ পানিতে তলিয়ে গেছে। পর্যটকদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে সেতুতে প্রবেশ ও চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে। পানি কমে পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত এ সিদ্ধান্ত বহাল থাকবে।’
স্থানীয় পর্যটনসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, বর্ষায় কাপ্তাই হ্রদের পানি বাড়লে প্রতিবছরই সেতুটির কিছু অংশ পানিতে তলিয়ে যায়। তবে এবার পানির উচ্চতা দ্রুত বাড়ায় পরিস্থিতি ভিন্ন। নিরাপত্তার কারণে পর্যটকদের প্রবেশ বন্ধ রাখা হয়েছে। পানি কমে গেলে সেতুটি আবার খুলে দেওয়া হবে।

ডেস্ক রিপোর্ট
© ২০২৬ প্রাইম টেলিভিশন, সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।








