ডিগবাজি নাকি রাজনীতি? নিউইয়র্কে জায়েদ খানের সঙ্গে কী করলেন মামদানি !

ছবি: সংগৃহীত- জায়েদ খান এবং মামদানি
ঢাকাই সিনেমার অভিনেতা জায়েদ খানের একটি ফেসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করে গত শুক্রবার রাত থেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তুমুল কৌতূহল ও জল্পনা-কল্পনার সৃষ্টি হয়। প্রকাশিত একটি পোস্টারে দেখা যায়, জায়েদ খানের কাঁধে হাত রেখে দাঁড়িয়ে আছেন নিউইয়র্কের জনপ্রিয় ও প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব জোহরান মামদানি। পোস্টটি শেয়ার করে জায়েদ লিখেছিলেন, ‘আসলে কি হচ্ছে এটা? মেয়র জোহরান মামদানি আমার কাঁধে হাত রাখছে? চমৎকার।’
উত্তেজনার পারদ আরও বাড়িয়ে দেন প্রখ্যাত সাংবাদিক খালেদ মুহিউদ্দিন। একই পোস্টার ফেসবুকে প্রকাশ করে তিনি লেখেন, ‘সবাই জানেন কে বড় তারকা... এবার দেখার পালা কে বড় অভিনেতা...।’ ব্যস, সাধারণ দর্শক থেকে শুরু করে নেটিজেনদের মনে প্রশ্ন জাগে—আদৌ কি কোনো নতুন প্রজেক্ট, নাকি এটি স্রেফ প্রচারণার অংশ?
অবশেষে সেই রহস্যের জট খুলেছেন জায়েদ খান নিজেই ।যুক্তরাষ্ট্র থেকে বাংলাদেশ সময় শুক্রবার মধ্যরাতে তিনি নিশ্চিত করেন, এটি কোনো সাধারণ সৌজন্য সাক্ষাৎ নয় বরং নিউইয়র্ক সিটির মেয়র জোহরান মামদানি সরাসরি তার সঙ্গে একটি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন।
প্রজেক্টটির নাম ‘ইমিগ্র্যান্ট ডায়েরিজ এপিসোড-২’। জন কবির ও সাদ আল আমীন পরিচালিত এই কাজটি মূলত প্রবাসী বাংলাদেশিদের জীবন সংগ্রাম ও অভিজ্ঞতা নিয়ে নির্মিত। এর আগে গত মার্চে এই সিরিজের প্রথম পর্ব মুক্তি পেয়েছিল। এবার দ্বিতীয় পর্বে দেখা যাবে জায়েদ খান ও জোহরান মামদানির এই অনস্ক্রিন রসায়ন।
"জোহরান মামদানি সরাসরি আমার সঙ্গে এই শর্টফিল্মে অভিনয় করেছেন। তার সঙ্গে কাজ করতে পারা শুধু আমার ব্যক্তিগত গর্ব নয়, আমি মনে করি এটি বাংলাদেশের লাল-সবুজ পতাকারও গর্ব।"
যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ‘ঠিকানা’র রুহিন হোসেন ও আনুভা শাহীন হোসেনের ই-মেইল আমন্ত্রণে সাড়া দিয়ে মেয়র এই প্রজেক্টে যুক্ত হন। জায়েদ খানের মতে, এত বড় প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব হওয়া সত্ত্বেও জোহরান মামদানি সেটে অত্যন্ত আন্তরিক ছিলেন এবং পরিচালকের নির্দেশনা মেনে পুরো কাজটি উপভোগ করেছেন।
আগামী ২৭ মে বাংলাদেশ সময় রাত নয়টায় ‘ঠিকানা বাংলাদেশ’-এর ইউটিউব ও ফেসবুক পেজে বহুল প্রতীক্ষিত এই স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রটি মুক্তি পেতে যাচ্ছে।
প্রাইমটিভি/বিএম

ডেস্ক রিপোর্ট
© 2026 প্রাইম টেলিভিশন, সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।








