হিজবুল্লাহ’র ফাইবার-অপটিক ড্রোন আতঙ্কে ইসরায়েলি সেনারা

ছবি- সংগৃহীত;
লেবানন থেকে আসা হিজবুল্লাহর অত্যাধুনিক প্রযুক্তির ফাইবার-অপটিক ড্রোন মোকাবিলায় এখনো কোনো কার্যকর সমাধান খুঁজে পাচ্ছে না ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ)। ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদনে এই ড্রোনগুলোকে বর্তমানে দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি বাহিনীর জন্য সবচেয়ে বড় অপারেশনাল চ্যালেঞ্জ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১২ মে) ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম ‘কান’-এর এক প্রতিবেদনে এই উদ্বেগজনক চিত্র তুলে ধরা হয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হিজবুল্লাহর এই ড্রোনগুলো প্রচলিত ড্রোন থেকে সম্পূর্ণ আলাদা এবং অত্যন্ত শক্তিশালী, ফাইবার-অপটিক প্রযুক্তি ব্যবহারের ফলে ইসরায়েলের প্রচলিত রাডার বা ইলেকট্রনিক জ্যামিং সিস্টেম দিয়ে এগুলো শনাক্ত বা ভূপাতিত করা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে। এই ড্রোনগুলো সরাসরি ইসরায়েলি সেনা ও সামরিক যান লক্ষ্য করে অত্যন্ত নির্ভুলভাবে হামলা চালাতে সক্ষম।
ড্রোন হামলা থেকে বাঁচতে এবং অনুপ্রবেশের সময় বাধা কাটাতে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী কিছু তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিয়েছে, ড্রোন শনাক্ত ও লক্ষ্যবস্তু নির্ধারণে সীমান্তে বিশেষ ‘স্মার্ট সিস্টেম’ স্থাপন করার পাশাপাশি রাতের অভিযানে চলন্ত ড্রোন বা লক্ষ্যবস্তুতে নির্ভুল গুলি চালাতে সেনাদের মধ্যে শত শত ‘ড্যাগার’ নাইট-ভিশন স্কোপ বিতরণ করা হয়েছে।
ইসরায়েলি সামরিক কর্মকর্তাদের মতে, প্রযুক্তিগত এই অসম লড়াইয়ে সেনারা মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ছে। হিজবুল্লাহর এই ড্রোনের বিরুদ্ধে কোনো নির্ভরযোগ্য প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে না পারায় সীমান্তে মোতায়েন করা সেনাদের মধ্যে আতঙ্ক ও অস্থিরতা ক্রমশ বাড়ছে। এর ফলে দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি সামরিক অভিযান বড় ধরনের বাধার মুখে পড়েছে।

ডেস্ক রিপোর্ট
© 2026 প্রাইম টেলিভিশন, সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।









