কক্সবাজার থেকে প্রায় দেড় কোটি টাকার ইয়াবা নিয়ে আসার পথে চট্টগ্রাম মহানগরীর প্রবেশদ্বার বাকলিয়া এলাকায় এক বিশেষ অভিযানে খুলনা জেলা পুলিশের সদস্য আ‌শিকুল ইসলাম আটক হ‌য়ে‌ছে । মঙ্গলবার সকালে বাকলিয়া থানার শাহ আমানত সেতু সংলগ্ন শহীদ বশরুজ্জামান গোলচত্বর এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। আটক আশিকুল ইসলাম খুলনা জেলা পুলিশে কনস্টেবল হিসেবে কর্মরত রয়েছেন।

খুলনা জেলা পু‌লি‌শের অ‌তি‌রিক্ত পু‌লিশ সুপার (মি‌ডিয়া) আ‌বির সি‌দ্দিকি শুভ্র জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বাকলিয়া থানা-পুলিশের একটি বিশেষ দল কর্ণফুলী নদীর উত্তর পাড়ে শাহ আমানত সেতু এলাকায় তল্লাশি চৌকি স্থাপন করে। কক্সবাজার থেকে আসা যানবাহন ও সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের তল্লাশিকালে পুলিশ সদস্য আশিকুল ইসলামকে থামানো হয়। তল্লাশির একপর্যায়ে তার কাছ থেকে ৫০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, তিনি এই বিপুল পরিমাণ মাদক কক্সবাজার থেকে সংগ্রহ করে খুলনা নিয়ে আস‌ছি‌লেন। তি‌নি সোমবার পু‌লিশ সদস্য আ‌শিকুল ইসলাম নিয়‌মিত ডিউ‌টি শেষ ক‌রে দপ্ত‌রের কাউকে কিছু না জা‌নি‌য়ে তি‌নি স্টেশন ত্যাগ ক‌রেন। মঙ্গলবার ভো‌রে চট্রগ্রাম বাক‌লিয়া থানার মাধ‌্যমে পু‌লিশ সদস্য আ‌শিকুল ইসলা‌মের মাদক সংক্রান্তর বিষয়‌টি জান‌তে পা‌রেন।

বাকলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সোলাইমান জানান, গ্রেপ্তারকৃত আশিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। তাকে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আদালতে সোপর্দ করা হলে বিজ্ঞ আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। উদ্ধারকৃত ইয়াবার বাজারমূল্য প্রায় দেড় কোটি টাকা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ঘটনাটি মানুষের মধ্যে বেশ চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে ।

তিনি গোপালগঞ্জ জেলার মুকসুদপুর থানার গোবিন্দপুর ইউনিয়নের বাবর আলী মুন্সীর ছেলে। তিনি খুলনা জেলা পুলিশে কনস্টেবল হিসেবে নিয়োজিত থাকলেও মাদক পাচারের মতো গুরুতর অপরাধে জড়িয়ে পড়েন। তার বিরু‌দ্ধে চট্রগ্রা‌মের বাক‌লিয়া থানায় নিয়‌মিত মামলার পাশাপা‌শি বিভাগীয় ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হ‌বে বলে মি‌ডিয়া কর্মকর্তা জানান।